পর্যটন খাত অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে পারে: পর্যটনমন্ত্রী

পর্যটন খাত বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি, আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিরাট অবদান রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, সরকার সাসটেইনবেল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) বাস্তবায়নে পর্যটনকে অন্যতম সেক্টর হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে ২০১৬ কে পর্যটনবর্ষ ঘোষণা করে ২০১৮ পর্যন্ত এ বর্ষের কর্মসূচিসমূহ অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার ধানমণ্ডিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির হলে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

অনু্ষ্ঠানে ‘ট্রেড ইন সার্ভিসেস: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের প্রতি বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টিভঙ্গি: বিদেশি পর্যটকদের ওপর পরিচালিত গবেষণা’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে যৌথভাবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্সিটিটিউট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, সরকার বাংলাদেশকে এমনভাবে সাজাতে চায়, যেন বিশ্ববাসী এক নতুন বাংলাদেশকে দেখতে পারে। ইতোমধ্যে বিশ্বের চেইন হোটেলগুলো বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে। যা দেশে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির স্মারক। সরকার ইকো ট্যুরিজম, হেলথ ট্যুরিজম ও আর্কিওলোজিক্যাল ট্যুরিজমের প্রসারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান বলেন, যথাযথ উদ্যোগ নিলে গার্মেন্টস সেক্টরের পরে পর্যটন শিল্প বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম উৎস হতে পারে। ভৌগলিক অবস্থানগত দিক থেকে পর্যটন বাংলাদেশের জন্য একটি অপার সম্ভাবনাময় খাত।

এই খবর সম্পর্কে আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন
সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন
প্রকাশনার তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১৬

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন