আমাদের সম্পর্কে

অফরোড বাংলাদেশ


অফরোড বাংলাদেশ (ওআরবি)

প্রায় ৩০০০ বছরের পুরাতন সভ্যতা ধারন করায় বাংলাদেশের রয়েছে ব্যাপক প্রসিদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি। এখানকার স্থাপত্য, সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, চিত্রকর্ম, এবং পোশাকে বাংলাদেশের মাটির গভীরে গেঁথে থাকা ঐতিহ্যের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের উপর এখানকার চারটি প্রধান ধর্ম (ইসলাম, হিন্দুধর্ম, খ্রিষ্টধর্ম এবং বৌদ্ধধর্ম) ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। বাংলাদেশের আদিবাসী সম্প্রদায়ের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। প্রসিদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির পাশাপাশি শান্ত নদী, নজরকাড়া পাহাড়, বিবিধ সংস্কৃতি, এবং বিভিন্ন বর্ণিল উৎসব বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই করে তুলেছে অপরূপ। ঐতিহাসিক বিভিন্ন সভ্যতার অভ্যুদয়ের ক্ষেত্রে নদীর তীর সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে।

বেশকিছু ঐতিহাসিক নদী তীরবর্তী সভ্যতার মধ্যে রয়েছেঃ হরোপ্পা, মেসোপটেমিয়া, মিসর, মহেনযোদারো ইত্যাদি। বাংলাদেশকে বলা হয়ে থাকে গঙ্গারিদাই (অর্থাৎ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত জাতি)। প্রায় ৭০০ এর অধিক বন্যপ্রজাতি, ঝিলিমিলি নদী, প্রায় ১০০ এর অধিক ভাষা, প্রায় ১০০ এর অধিক পদের রন্ধনপ্রণালীর নানাবিধ মিশ্রণসহ বিভিন্ন চিত্তাকর্ষক অ্যাডভেঞ্ছারকে বাংলাদেশের অগনিত আকর্ষণের মধ্যে খুব সামান্যই বলা যায়। এটি এমন একটি দেশ যেখানে রয়েছে গল্পের পেছনে গল্প, চমৎকার আতিথেয়তা, অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জিভে জল নিয়ে আসা বিভিন্ন ধরনের মজাদার সব খাবার। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, ঘুরে দেখবার জন্য অগনিত স্থান থাকলেও বাংলাদেশকে এখনও বেড়ানোর জন্য প্রথম সাড়িতে বিবেচনা করা হয় না; অথচ এ দেশটি প্রতিটি পর্যটকের ভ্রমন তালিকায় স্থান পাওয়ার যোগ্য দাবিদার।

২০১৩ সালের মাঝামাঝি অফরোড বাংলাদেশের মূলভাবনাটি প্রণয়ন করা হয়। যে কোন পর্যটককে শুধু বাংলাদেশকে অথবা এখানকার স্থানগুলোকে অন্বেষণ করার জন্য নয় বরং বাংলাদেশে ভ্রমন সম্পর্কিত যাবতীয় কর্মকাণ্ডের সার্বিক নির্দেশনা দেওয়ার লক্ষ্যে একটি অনলাইনভিত্তিক প্লাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করে অফরোড বাংলাদেশ। ছয়মাস ব্যাপক গবেষণার পর অফরোড বাংলাদেশের কর্মীবাহিনী তাঁদের প্রত্যাশা পুরন করতে সমর্থ হয় এবং ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে প্রকল্পের কার্যক্রম আরম্ভ করে। সকলের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে আমরা সর্বদা আন্তরিকভাবে আমাদের যাবতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে চলেছি।


আমরা কী করি

অফরোড বাংলাদেশ আপনাকে দিতে পারে বাংলাদেশে ভ্রমনের শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা। আমরা চাই আপনারা এই ভূস্বর্গটিকে অন্বেষণ করুন এবং এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে উপভোগ করুন।  আমরা একটি ক্রাউড সোর্সভিত্তিক পর্যটন সংক্রান্ত সুবিধা প্রদানের অনলাইন প্লাটফর্ম, যেখান থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠীর সামনে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যকে সর্বতভাবে বর্ণনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি পর্যটন গন্তব্য হিসেবে পরিচিত করানো আমাদের উদ্দেশ্য। পর্যটকদের জন্য এটি একটি অনলাইন ও অফলাইন কমিউনিটি যেখানে সকলে একে অপরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁদের নিজস্ব ভাবনাগুলোকে বিনিময় করতে পারে এবং তাঁদের নিজেদের গর্ব করার মত অনন্য বিষয়গুলোকে তুলে ধরতে পারে। অফরোড বাংলাদেশের তৎপর কর্মীবাহিনী এখানকার মানুষ ও সম্প্রদায়গুলোকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেলে ধরার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সকল পর্যটকের জন্য অফরোড বাংলাদেশ একটি যথার্থ স্থান কেননা এখানে পাওয়া যাবে বাংলাদেশে ঘুরে দেখার স্থান, কাছাকাছি হোটেল, রেস্টুরেন্ট এবং আশেপাশের অন্যান্য স্থানগুলো সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য। বাংলাদেশ ও এখানকার প্রাচীন স্থানগুলোকে মেলে ধরার পাশাপাশি দেশী বিদেশীদের জন্য এখানে আসার কাজটি অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে অফরোড বাংলাদেশ। এ কারনে অফরোড বাংলাদেশ এখানকার ইতিহাস, সংস্কৃতি, খাদ্য, উৎসব, বিভিন্ন সম্প্রদায়, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বাংলাদেশকে শেকড় থেকে পরিবেশন করতে পারে এমন অন্যান্য সকল বিষয়গুলোর উপর ব্যাপক গবেষণা করে চলেছে। আপনি বাংলাদেশের যে স্থান অথবা গন্তব্যেই যেতে চান না কেনো সেই স্থান সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য (যেমনঃ স্থানীয় রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে অথবা যেকোন পর্যটন কেন্দ্রের ইতিহাস সম্পর্কে) এবং সেখানে ভ্রমন সম্পর্কিত উপদেশ আপনি একটি ক্লিকেই পেতে পারেন অফরোড বাংলাদেশে।


টাইমলাইন

  • বাংলা ভাষার প্রথম বেটা সংস্করণ চালু

  • মাননীয় মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, এমপি-র সভাপতিত্বে “বেড়াই বাংলাদেশ ২০১৬”-এর প্রচারাভিযানের উপর সাংবাদিক কর্মশালার সহযোগী সংগঠক

  • নতুন ওয়েবসাইটের উদ্বোধন

  • অরুনিমা রিসোর্ট ও গলফ ক্লাব লিঃ এর সাথে যৌথভাবে ব্যবসায়িক সমঝোতা

  • বেঙ্গল ইন-এ “বাংলাদেশে সহযোগী পর্যটন ব্যবসায়ের সম্ভাবনা” নামক ইভেন্ট উপস্থাপন

  • ইএমকে সেন্টারে “বেসরকারী উদ্যোগে বাংলাদেশের পর্যটন” নামক শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন

  • নিজস্ব পোর্টালে স্থানীয় ৮০০ আকর্ষণীয় স্থানের তালিকাভুক্তি

  • ৫০০ জন নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা অতিক্রম

  • ডিজিটাল এক্সপোতে অংশগ্রহণ

  • স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সর্বপ্রথম তৎপরতা

  • ই-কমার্স মেলা ২০১৪ তে অংশগ্রহণ

  • প্রথম বেটা ভার্সন চালুকরন

অন্যরা যা বলেন


প্রেস রুম

আমাদের টিম

<p>ফেরদৌস আল মোত্তাকিন</p>

ফেরদৌস আল মোত্তাকিন

প্রতিষ্ঠাতা

<p>জুন্নুনুর রহমান</p>

জুন্নুনুর রহমান

হেড অফ অপারেশন

<p>আহমদউল্লাহ্</p>

আহমদউল্লাহ্

বিজনেস ইনোভেসন

<p>সাফফাত-ই-নাইম</p>

সাফফাত-ই-নাইম

কন্টেন্ট রিসার্চ

<p>কামরুন নাহার মায়া</p>

কামরুন নাহার মায়া

জনসংযোগ

<p>কাজী ইয়ালমাই হোসাইন</p>

কাজী ইয়ালমাই হোসাইন

মার্কেট কমিউনিকেশন

<p>নাফিজ উল ইসলাম</p>

নাফিজ উল ইসলাম

ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন

<p>মোঃ আল মুত্তাকিন</p>

মোঃ আল মুত্তাকিন

বিজনেস কমিউনিকেশন

<p>মোঃ আরিফ রায়হান</p>

মোঃ আরিফ রায়হান

প্রশাসন

<p>ফেরদৌস আখতার পভেলী</p>

ফেরদৌস আখতার পভেলী

মানবসম্পদ

<p>ফারজানা আরশী</p>

ফারজানা আরশী

কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট

<p>জাহিদুল ইসলাম</p>

জাহিদুল ইসলাম

অফিস সহকারী


Beta Version
কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন