লক্ষিনদারের মেধ গোকুল রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায় অবস্থিত। এই নামটি নেওয়া হয়েছে বিখ্যাত গল্প লক্ষিন্দার এবং বেহুলা থেকে।১৯৩৪-১৯৩৬ সালে এটি খনন করা হয় তখন একটি মন্দিরের অবশিষ্টাংশ উন্মুক্ত হয়। এখানে একটি উঁচু মঞ্চ আছে যেটি ১৭২ টি চারকোনা কক্ষ ধারন করতে পারে। পাল আমলে খননকালে (৬-৭ শতকে) এখানে টেরাকোটার তৈরি অলংকার ও স্মারক পাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে বগুড়া কিভাবে যাবেন ইতিমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে। মহাস্থানগড় থেকে লক্ষিন্দারের গোকুল মেধ ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মহাস্থান থেকে একজন পর্যটক এখানে রিকশা অথবা সিএনজি অটো রিকশা নিয়ে যেতে পারেন।
বগুড়া বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর। রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায় এই শহরটি অবস্থিত। ঢাকা থেকে প্রায় ২২৯ কিলোমিটার দূরে বগুড়া অবস্থিত। আপনি সেখানে বাস এবং ট্রেনে পৌছাতে পারেন।
১। টি আর ট্রাভেলসঃ সকাল ৭টা থেকে শুরু করে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ গাবতলি-০১১৯১-৪৯৪৮৬৫, মহাখালি-০১১৯১-৪৯৪৮৬৬
২। শ্যামলী পরিবহনঃ সকাল ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১:০০ টা পর্যন্ত প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ আসাদ গেইট-০২-৯১২৩৪৭১, কলাবাগান-০১৭১১১৩০৮৬২, সায়েদাবাদ-০১৭১২৫৯৬৯৪০
৩। এস আর ট্রাভেলসঃ সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে শুরু করে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ গাবতলি-০২-৮০১১২২৬, উত্তরা-০১৫৫২৩১৫৩১৮
৪। হানিফ এন্টারপ্রাইজঃ ঢাকা বাস স্ট্যান্ড, ফোনঃ ০৫১-৬০৯৪০, ৬০৮০৩, ০১৯১১-৫৬০৮৮২
বগুড়ায় থাকার ব্যাবস্থা বেশ উন্নত। আপনি এখানে চার তারকা হোটেলও পেয়ে যাবেন। বগুড়ায় উন্নত মানের থাকার জায়গার মধ্যে আছেঃ
১। হোটেল নাজ গার্ডেন,
ঠিকানাঃ সিলিমপুর, বগুড়া-৫৮০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ ৮৮-০৫১-৬২৪৬৮, ৬৬৬৫৫, ৬৩২৭২, ৬৪১৯৭, ৭৮০৮৮
২। পর্যটন মোটেল
বনানী মোড়, বগুড়া, ফোনঃ০৫১-৬৬৭৫৩
৩। আকবরিয়া হোটেল
ওয়েব সাইটঃ http://urbita.com/bangladesh/bogra/akboria-hotel
ঠিকানাঃ কাজী নজরুল ইসলাম রোড, থানারোড, বগুড়া, ফোনঃ ০১৭১৬-১৭৯৯৮২
বগুড়া শহরের আরও কিছু হোটেলের নাম:
১। হোটেল আল আমিন, নবাববাড়ি রোড
২। মোটেল নর্থ ওয়ে, শেরপুর রোড
৩। হোটেল রয়াল প্যালেস, উপশহর
৪। হোটেল সান ভিউ,শেরপুর রোড
৫। হোটেল সেফওয়ে, শান্তাহার মোড়
৬। হোটেল রাজমনি, বগুড়া রাজা বাজার
১০। হোটেল হানি ডে, বড় মসজিদ লেইন
১১। হোটেল আজিজ, কবি নজরুল ইসলাম রোড
.
এখানে খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। আশে পাশে রেস্টুরেন্ট অথবা ফাস্ট ফুডের দোকান খুঁজে নিতে হবে। তাছাড়া সাথে করে খাবার নিয়েও যেতে পারেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!