কিশোরগঞ্জ জেলা

তথ্য

Description

প্রাচীনকালে কিশোরগঞ্জ অন্তর্ভুক্ত ছিল কামরুপা রাজ্যের মধ্যে। ১১শ এবং ১২শ শতকে পাল, বর্মণ এবং সেন রাজারা এই অঞ্চল শাসন করেছিল। এরপর এখানে কোচ, হাজং, গারো, এবং রাজবংশি সম্প্রদায়ের অধীনে স্বাধীন রাজ্য গঠিত হয়। ১৪৯১ সালে ফিরোজ শাহর সময়ে মুসলিম শাসনের অধীনে বৃহত্তর ময়মনসিংহের অংশ অন্তর্ভুক্ত থাকলেও কিশোরগঞ্জ এর বাইরে ছিল। মুঘল সম্রাট আকবরের সময়ে কিশোরগঞ্জের বৃহত্তম অংশ মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে থাকলেও জঙ্গলবাড়ি এবং এগারসিন্দুর মত কিছু এলাকা কোচ এবং আহম রাজাদের অধীনে ছিল। ১৫৩৮ সালে এগারসিন্দুর আহম রাজা মুঘলদের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হন এবং ১৫৮০ সালে জঙ্গলবাড়ির কোচ রাজা ঈশা খাঁর সাথে যুদ্ধে পরাজিত হন। ১৫৮০ সালে এগারসিন্দুর এলাকায় বারো ভুইয়াদের প্রধান ঈশা খাঁর হাতে মুঘল সেনাপতি মানসিংহের পরাজয়ের ইতিহাস আজও অমর হয়ে রয়েছে। ১৫৯৯ সালে ঈশা খাঁর মৃত্যুর পর কিশোরগঞ্জের বেশীরভাগ এলাকা তাঁর পুত্র মুসা খানের অধীনে থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত মুঘলদের হস্তগত হয়।

Where to stay

কিশোরগঞ্জে থাকার জন্য হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ ১। হোটেল তেপান্তর প্রিন্সেস জামিরদিয়া মাস্টার বাড়ি, ভালুকা ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ ২। হোটেল রিভার ভিউ স্টেশন রোড, কিশোরগঞ্জ ৩। হোটেল শাহিনা (আবাসিক) স্টেশনরোড, কিশোরগঞ্জ 3. Hotel shahina (Resident) ৪। বাংলাদেশ গেস্ট হাউজ স্টেশন রোড, কিশোরগঞ্জ ৫। হোটেল গাংচিল (আবাসিক) স্টেশন রোড, কিশোরগঞ্জ

How to go

কিশোরগঞ্জ সদরের অবস্থান ২৪.৪৩৩৩°উ ৯০.৭৮৩৩°পূর্বে। ১৯৩.৭৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কিশোরগঞ্জ সদরে প্রায় ৫৫৮২৮টি বসতবাড়ি রয়েছে। এই জেলায় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিত্ব জন্মগ্রহন করেছেন। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার (কিশোরগঞ্জ জেলা) উত্তরে নান্দাইল উপজেলা, দক্ষিনে পাকুন্দিয়া এবং কাটিয়াদি উপজেলা, পূর্বে করিমগঞ্জ এবং তাড়াইল উপজেলা পশ্চিমে হোসাইনপুর ও নান্দাইল উপজেলা অবস্থিত। কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান নদী হল নরসুন্দা নদী।

ঢাকা ও কিশোরগঞ্জের মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। জলসিরি
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে চলাচল করে
প্রথম বাস ছাড়ে ভোর ৫টায় এবং শেষ বাস ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ৭টায়
ভাড়াঃ ১৩০/- টাকা (পরিবর্তনশীল)

২। নাবিল পরিবহন
ঠিকানাঃ ১৫/১, পুরাতন গাবতলি, মিরপুর, ঢাকা-১২১৮
ফোনঃ ০২-৯০০৭০৩৬, ০২-৯০১১১৪৩

৩। ড্রিম লাইন
ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জ চলাচল করে
ফোনঃ ০১৭১১৩৭৭৫৮৬

৪। কিশোরগঞ্জের বোটরিশ বাসস্ট্যান্ড থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
একতা সার্ভিস (লোকাল)
কিশোরগঞ্জ থেকে ভৈরব হয়ে ঢাকার সায়েদাবাদে চলাচল করে
ভোর ৬:৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রতি ১৫ মিনিট পরপর ছেড়ে যায়।

৫। ঈশা খাঁ সুপার গেইট লক
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার সায়েদাবাদে চলাচল করে
ভোর ৬:৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ১৫ মিনিট পরপর ছেড়ে যায়

৬। এম কে সুপার
কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের মধ্যে চলাচল করে
ভোর ৬:৫০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬:১০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ১৫ মিনিট পরপর ছেড়ে যায়

৭। অতিথি
কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের মধ্যে চলাচল করে
ভোর ৬:৪৫ মিনিটে এবং সকাল ৭:২০ মিনিটে দুটি বাস ছেড়ে যায়
আপনাকে আগাম এই বাসের আসন সংরক্ষণ করতে হবে।
মোবাইলঃ ০১৭১৮৪৮১১৯২ (কিশোরগঞ্জ কাউণ্টার)
০১৯১৯০১৯১৯৭ (টাঙ্গাইল কাউণ্টার)

৮। এশা এন্টারপ্রাইজ
কিশোরগঞ্জ ও চট্রগ্রামের মধ্যে চলাচল করে
দুপুর ১:২০ মিনিটে এবং দুপর ২:২০ মিনিটে দুটি বাস ছেড়ে যায়
আপনাকে আগাম এই বাসের আসন সংরক্ষণ করতে হবে।
মোবাইলঃ ০১৭১৩৫৭৭৩০৪

ভ্রমন প্যাকেজ

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন