এসি কিংবা পাখা নয়, দখিনা হাওয়াই যথেষ্ট

SKS-BG20160323114902

কটেজগুলো দেখতে ঠিক কুঁড়ে ঘরের মতো। একদিকে বিশাল খোলা মাঠ অন্যদিকে পুকুর। পুকুরের উপর ঝুলন্ত বারান্দায় ছুঁই ছুঁই করছে পানি। বারান্দায় পাতা রয়েছে চেয়ার-টেবিল। মন কাড়ে কক্ষের ইন্টেরিয়রও। রুচিশীল সব আধুনিক ফার্নিচারের সমাহার। ভেতরে শোভা পাচ্ছে পাতাবাহারও।

কাচে ঘেরা খোলা জানালা, সরালেই দখিনা মৃদুমন্দ হাওয়া। সকাল সন্ধ্যায় পাখির কলকাকলী, রাতে শেয়ালের ডাক। জানালার কাছে ঝিকিমিকি করবে জোনাকির ঝাঁক। নিস্তব্ধ রাতে কান পাতলে শোনা যাবে ঝিঝি ডাক অথবা পুকুরের পানিতে মাছের লেজের ঝাপটানি।

‌এ সবই উপভোগ করতে পারবেন “এসকেএস ইন্” কটেজের বিছানায় শুয়েই। গাইবান্ধা শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে ছবির মত সুন্দর গ্রাম রাধাকৃষ্ণপুরে অবস্থিত নান্দনিক এই রিসোর্ট।

দরজা ও কাচের দেয়ালের অবস্থান বিপরীত মেরুতে। সে কারণে দরজা খুলে থাই ফিটিংস সরিয়ে দিলে দখিনা হাওয়া কটেজগুলিকে যেন এফোঁড় ওফোঁড় করে দেবে। হু হু বাতাসে যেখানে রুমগুলোর টেবিলে কাগজ বা হালকা জিনিস রাখাই দায় সেখানে এসি কিংবা বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহারের প্রশ্নই অবান্তর। স্নিগ্ধ এই হাওয়ার শীতল পরশে এক নিমিষেই জুড়িয়ে যাবে শরীর-মন।

কটেজের রুমগুলোতে বাতাস অনায়াসে যাতায়াত করতে পারলেও চোরের প্রবেশ কিন্তু সহজ হবে না। থাই ফিটিংসের বাইরে রয়েছে মোটা গ্রিলের দরজা। চাইলেই সার্টারের মতো সরিয়ে রাখা যায়। পুরো রিসোর্ট রয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। রয়েছে দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টার সতর্ক প্রহরা।

বিকেলে কটেজের ঝুল বারান্দায় বসে চায়ে চুমুক দিচ্ছিলাম। কানে ভেসে এলো কোকিলের কুহুতান। সেই শব্দে আনমনেই নীরবতা নেমে আসে। গলার আওয়াজে কোকিল পাছে লজ্জা পেয়ে না যায়। মিনিট খানেক ধরেই সুর তুলে যাচ্ছিল পাখিটি। একটু বিরতি দিয়ে আবার ভেসে আসতে থাকলো সেই সুমধুর আওয়াজ। বসন্তটাকে সার্থক মনে হচ্ছিল তখন।

 

এই খবর সম্পর্কে আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন

সূত্রঃ বাংলা নিউজ ২৪

প্রকাশের তারিখঃ ২৩ মার্চ, ২০১৬

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন