১৬) বিছানাকান্দি:


10410793_10205865808218505_7613722895639363442_n-626x365

ফটো ক্রেডিটঃ Arifgraphy

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তম ইউনিয়নে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত একটি গ্রামের নাম বিছানাকান্দি। বাগান এবং পাহাড়ের নজরকাড়া সৌন্দর্যের মাঝে অবস্থিত প্রকৃতির এই অপরূপ লীলাভূমির উভয় প্রান্ত থেকে খাসিয়া পাহাড় এসে যুক্ত হয়েছে। এখানে ঝর্ণার পাশাপাশি বর্ষাকালে কালো মেঘ পাহাড়গুলোকে আচ্ছাদিত করে ফেলে। এছাড়া এখানে ভোলাগঞ্জ অভিমুখে বয়ে গিয়েছে পিইয়াইন নদীর একটি শাখা।

আর জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/bisanakandi


১৫) পান-থু-মাই:


Panthumai-PC-Shabbir-Ahmed_2-626x365

ফটো ক্রেডিটঃ Shabbir Ahmed

পান-থু-মাই (সীমান্তের একটি অপরূপ গ্রাম) গ্রামটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়গুলোর সামনে এই গ্রামটিকে অপরূপ দেখায়। এই গ্রামে প্রচুর আবাদি জমি রয়েছে। মেঘালয় থেকে বয়ে আসা খালের সমন্বয়ে গঠিত পিয়াইন নদী এ গ্রামের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/pangthumai-village


১৪) টাঙ্গুয়ার হাওড়:


Neel-Somudro1-626x365

ফটো ক্রেডিটঃ Neel Somudro

টাঙ্গুয়ার হাওর বা টাঙ্গুয়া হাওড়, বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওড়। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হাওড় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি। স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওড়টি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার (RAMSAR) স্থান, প্রথমটি সুন্দরবন। টাঙ্গুয়া হাওড় নামে পরিচিত টাঙ্গুয়ার হাওড় এদেশের অন্যতম জলাভূমি যেটি আন্তর্জাতিকভাবেও বহুলভাবে সমাদৃত।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/tanguar-haor


১৩) স্বরূপকাঠি/ বরিশালের ভাসমান বাজারঃ


IMG_8504-626x365

অনেকেই হয়ত জানেন না বর্ষায় বাংলাদেশে একটি ভাসমান বাজার বসে, যেটি দেখতে অন্যান্য দেশ থেকে প্রচুর পর্যটক এসে থাকেন প্রতি বছর। পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি আটঘর কুড়িয়ানা বাজার, পেয়ারার জন্য বিখ্যাত এই অঞ্চল। স্বরূপকাঠি সারসিনা দরবার শরীফের জন্য ও বিখ্যাত।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/floating-markets-in-barisal


১২) লালন আখরা/ লালন উৎসবঃ 


Shrine-of-Lalon-Fakir2-626x365

খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলার রেলস্টেশনের কাছে লালন ফকিরের আখড়া অবস্থিত। তিনি ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক নেতা, একজন জাদুকরি কবি, একজন সংস্কারক এবং বাউল গানের রচয়িতা, শাইজির অনুসারী। প্রতি বছর কুষ্টিয়ার লালনের আখড়ায় লালন উৎসব পালিত হয় যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাউল এবং লালনের ভক্তরা একত্র হন।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/the-shrine-of-lalon-fakir


১১) কান্তজীউ মন্দির:


kantaji-temple-Shahnoor-Habib1-626x365

ফটো ক্রেডিটঃ Shahnoor Habib

কান্তনগর মন্দির নামে পরিচিত কান্তজীউ মন্দিরটি অপরূপ সুন্দর দিনাজপুরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। এই মন্দিরটির তাক লাগানো কারুকাজ আপনাকে মুগ্ধ করে দিবে। খ্রিষ্টপূর্ব ১৭০৪ থেকে ১৭৫২ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের জনপ্রিয় মহারাজা প্রাণনাথ ও তাঁর দত্তক নেয়া পুত্র রামনাথ এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন। বাংলাদেশে ইট ও টেরাকোটার কাজের সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরন হয়ে আছে কান্তজীউ মন্দিরটি। মুঘল আমলের শেষার্ধের মন্দিরগুলোর সাথে সাদৃশ্য এই মন্দিরটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো অপরূপ নকশার কাজের মধ্যে খোদাই করা অসংখ্য টেরাকোটার টুকরো।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/kantaji-temple


১০) পুঠিয়া মন্দির:


puthia-temple21-626x365

এখানে বেশ কিছু প্রাচীন হিন্দু মন্দির আছে। হিন্দু জমিদার রাজারা এবং পুঠিয়া পরিবার মন্দির গুলো নির্মাণে সম্পৃক্ত ছিল। টেরাকোটায় নির্মিত মন্দিরটিতে বিভিন্ন প্রাণী ও অন্যান্য স্থাপত্য খোদাই করা আছে। এছাড়াও এখানে একটি লেক ও বাগান আছে। এছাড়াও এখানে আছে পঞ্চরত গোবিন্দ মন্দির, ভুবেনে শ্বরশিব মন্দির, জগন্নাথ মন্দির ইত্যাদি। কাছাকাছি স্থানে এতগুলো মন্দির থাকায় এঁকে অনেক জায়গায় ‘টেম্পল সিটি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/puthia-temple


০৯) বালিয়াটি জমিদারবাড়ি:


Baliati-Palace-1-626x365

রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫ মাইল উত্তর পশ্চিমে এবং মানিকগঞ্জ জেলা সদর থেকে ৫ মাইল পূর্বে সাটুরিয়া উপজেলায় বিখ্যাত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি অবস্থিত। বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি প্রায় ২০০ বছর পুরাতন। এই জমিদার বাড়িটির উত্তরে এক সময় গাজীখালী নদী প্রবাহিত হত। ১৬০০০ বর্গমিটার আয়তনের বিশাল এই জমিদার বাড়িটিতে প্রায় ২০০টি কক্ষ রয়েছে। জমিদার বাড়িকে ঘিরে থাকা সুউচ্চ প্রাচীরে তিনটি চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর ফটক রয়েছে।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/baliati-palace


০৮) বগা লেকঃ


Boga-Lake-626x365

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর প্রাকৃতিক লেক বগা লেককে বগাকাইন লেক ও বলা হয়ে থাকে। বান্দরবানের রুমা সদর উপজেলা থেকে এই লেকটি ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। নীলপানির এই লেকটির সৃষ্টির পেছনে বেশকিছু কল্পকাহিনী রয়েছে। বেশীরভাগ পর্যটক শীতকালে বগা লেকে বেড়াতে আসেন। বগা লেকের পাশে আদিবাসী বম ও খুমি সম্প্রদায়ের দেখা মিলবে। বগা লেকের ভিতরে ও বাইরে ছড়িয়ে থাকা বিশালাকারের পাথর অবাক করবে আপনাকে। লেকের পাশে ক্যাম্প ফায়ারের আয়োজন করে এক অবিশ্বাস্য এবং মনজুড়ানো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/boga-lake


০৭) বড় পাথর


nafa4

ফটো ক্রেডিটঃ Discover-bd.com

থানছি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের সাঙ্গু নদীতে বড় পাথরের অবস্থান। সাঙ্গু নদী দিয়ে রেমাক্রি ইউনিয়নে যাওয়ার মাঝপথে বিশাল আকৃতির বড় বড় পাথরের মিলনক্ষেত্র চোখে পড়বে। এ পাথরের ফাঁক দিয়ে নৌকা নিয়ে পাড়ি দিতে হয়। থানচি থেকে ওখানে পৌঁছাতে আপনার সময় লাগবে ঘন্টা খানেকের মতো। বান্দরবানের থানচি ইউনিয়নের মধ্যে পরে তিন্দু, রেমাক্রি। পাথুরে নদীর পাশ ঘেষে গেছে এই জায়গাগুলি। এখানে সাঙ্গু নদীর তলদেশে পাথর আর পাথর। যেন পাথরের রাজ্য। ছোট আর মাঝারি পাথরের ওপর শ্যাওলার আধিপত্য। এ নদীরই উজানের দিকে একটি এলাকার নাম তিন্দু। তিন্দু মাতৃতান্ত্রিক মারমা ও মুরংদের আবাসস্থল। এখানে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার উপজাতি বসবাস করে। তিন্দু থেকে বড় পাথর ঘণ্টাখানেকের পথ। ভয়ংকর খরস্রোতা বাঁক আর সৃষ্টির রহস্যের বড় পাথর, এখানে প্রতিবছর অনেক লোক মারা যায় তাই এই অঞ্চলের অধিবাসীরা এইসব পাথরের পুজা করেন।

বান্দরবন সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/location/bandarban-district/


০৬) আমিয়াখুম


Amiakhum-Waterfall-626x365

আমিয়াখুম জলপ্রপাত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জলপ্রপাতের মধ্যে একটি এবং ভ্রমণের জন্য চমৎকার একটি জায়গা। প্রত্যেকর অন্তত একবার হলেও বান্দরবানের এই ঝর্ণাটি দেখার জন্য সফর পরিকল্পনা করা উচিত। আমিয়াখুন বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানচি উপজেলায়  অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ-মিয়ানমার বর্ডারের কাছাকাছি।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/amiakhum-waterfall


০৫) মহাস্থানগড়


Mahasthangar_Gokul_Medh_Bogra_Bangladesh

মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ অত্র এলাকার প্রাচীন রাজধানী পুন্ড্রনগরের। সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী। এ ধবংসাবশেষ বগুড়া জেলা শহরের ১৩ কিঃমিঃ উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। প্রত্নতাত্বিকনিদর্শন হতে জানা যায় যে, কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্তরাজাগণের রাজধানী ছিল। দূর্গের বাইরে উত্তর ,পশ্চিম , দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিম ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে এখনও বিভিন্ন ধরণের বহু প্রাচীন নিদের্শনরয়েছে যা উপ-শহরের সাক্ষ্য বহন করে। উল্লেখ্য, বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন। প্রখ্যাত বৃটিশ প্রত্নতত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে মহাস্থান গড়ের ধ্বংসাবশেষকে ফুয়েন সাঙ বর্ণিত পুন্ডু নগর হিসেবে সনাক্ত করেন।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/mahasthangarh/


০৪) নিঝুম দীপ


nijhum_dwip18

ফটো ক্রেডিটঃ  travelobd.com

নিঝুম দ্বীপে সর্বপ্রথম মহিষ ও গবাদিপশু নিয়ে বসতি স্থাপনকারী সাহসী জনৈক ওসমানের নামে এই দ্বীপের নাম ছিল চর ওসমান। পরবর্তীতে সরকারের উচ্চপদে আসীন কর্মকর্তারা এই দ্বীপের নাম পরিবর্তন করেন। তবে, এখনও নথিপত্রে নিঝুম দ্বীপ চর ওসমান নামেই পরিচিত।  পর্যটকদের বেড়ানোর জন্য (বিশেষ করে শীতকালে) এই দ্বীপটি একটি আদর্শ স্থান।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/nijhum-dip


০৩) নৌকা বাইচঃ


boat-race-bangladesh-culture

ফটো ক্রেডিটঃ  thedailylifenews.com

নদীমাতৃক বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আনন্দ আয়োজন, উৎসব ও খেলাধুলা সবকিছুতেই নদী ও নৌকার সরব আনাগোনা। হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সংস্করণ বাংলাদেশের নৌকা বাইচ। এভাবে একসময় বিভিন্ন নৌযানের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। মুসলিম যুগের নবাব-বাদশাহদের আমলে নৌকা বাইচ বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেকে মনে করেন, নবাব বাদশাহদের নৌ বাহিনী থেকেই নৌকা বাইচের গোড়াপত্তন হয়। পূর্ববঙ্গের ভাটি অঞ্চলের রাজ্য জয় ও রাজ্য রক্ষার অন্যতম কৌশল ছিল নৌ শক্তি। বাংলার বার ভূঁইয়ারা নৌ বলেই মুঘলদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বাবুর খালে প্রতি বছর লক্ষী পূজার পরদিন থেকে ৩ দিন ব্যাপী চলে। ব্রাক্ষনবাড়িয়ার সরাইলে আরেকটা হয়। এছাড়া বাংলা লিংক ও সিলেটে নৌকা বাইচের আয়োজন করে। সাধারনত প্রতি বছর বর্ষার মওসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়। তবে সেপ্টেম্বর মাসের কোন এক সময়ে মুন্সীগঞ্জ, বিক্রমপুরে নৌকা বাইচের আয়োজন হয়।

বাংলাদেশের নদী সম্পর্কে জানতেঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places_type/river/


০২) পানাম নগর:


SAM_01611-626x365

পানাম নগর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁতে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহর। বড় নগর, খাস নগর, পানাম নগর -প্রাচীন সোনারগাঁর এই তিন নগরের মধ্যে পানাম ছিলো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। এখানে কয়েক শতাব্দী পুরনো অনেক ভবন রয়েছে, যা বাংলার বার ভূইয়াঁদের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত। সোনারগাঁর ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নগরী গড়ে ওঠে। পানামের টিকে থাকা বাড়িগুলোর মধ্যে ৫২টি বাড়ি উল্লেখযোগ্য। বাড়িগুলোর স্থাপত্যে ঔপনিবেশিকতা ছাড়াও মুঘল, গ্রিক এবং গান্ধারা স্থাপত্যশৈলীর সাথে স্থানীয় কারিগরদের শিল্পকুশলতার অপূর্ব সংমিশ্রণ দেখা যায়। প্রতিটি বাড়িই ব্যবহারোপযোগিতা, কারুকাজ, রঙের ব্যবহার, এবং নির্মাণকৌশলের দিক দিয়ে উদ্ভাবনী কুশলতায় ভরপুর।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/panam-nagar


০১) বুদ্ধ ধাতু জাদি:


Buddha-Dhatu-Jadi91-626x365

বুদ্ধ ধাতু জাদি যা বান্দরবন স্বর্ণ মন্দির নামে সুপরিচিত, বাংলাদেশের বান্দরবন শহরের বালাঘাটা এলাকায় অবস্থিত। ধাতু বলতে কোন পবিত্র ব্যক্তির ব্যবহৃত বস্তুকে বোঝায়। এই বৌদ্ধ মন্দিরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশে সর্বাপেক্ষা বড় হীনযান বৌদ্ধ মন্দির। বৌদ্ধ মন্দির স্থানীয়দের কাছে কিয়াং নামে পরিচিত। বুদ্ধ জাদি পাই কিয়াং চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবন জেলায় অবস্থিত। বান্দরবন জেলায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুই পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং এবং কেওক্রাডং অবস্থিত। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত মন্দিরটি বালাঘাট থেকে ৪ কিমি এবং বান্দরবন জিরো পয়েন্ট থেকে ১০ কিমি দূরে অবস্থিত। এই পাহাড়ে একটি লেক আছে। লেকের নাম দেবতা পুকুর দেবতা পুকুরটি সাড়ে ৩শত ফুট উচুতে হলে ও সব মৌসুমেই পানি থাকে। বৌদ্ধ ভানে-দের মতে, এটা দেবতার পুকুর তাই এখানে সব সময় পানি থাকে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল বুদ্ধ ধাতু জাদি ক্যাং। এই জাদিটি এখন শুধু বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের তীর্থ স্থানই নয় বরং দেশী বিদেশী পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় স্পটে পরিণত হয়েছে। এটি স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত পেলেও এটি স্বর্ণ নির্মিত নয়। মূলত সোনালী রঙের জন্যেই এটির নাম হয়েছে স্বর্ণমন্দির।

আরো জানতে ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/places/buddha-dhatu-jadi


অপূর্ব সাজেক ভ্রমন করুন অফরোডের সাথে [ব্যাকপ্যাকারদের জন্য]

Sajek-valley1-600x450

ভিজিট করুনঃ http://offroadbangladesh.com/bangla/off-package/trip-to-beautiful-sajek-for-backpackers-2

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন