হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণা

ধরন: জলপ্রপাত / ঝর্ণা
সহযোগিতায়: Nayeem ,Lonely Traveler
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণা থেকে পানি সরাসরি গহ্বরে পরে যেখানে রয়েছে সবুজ ঠাণ্ডা পানি। ঝর্ণাটির সামনের জায়গা মাটি দিয়ে অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে আর একারনেই ঝর্ণা থেকে পানি পরার দৃশ্য পুরোপুরি দেখা যায় না। একসময় এই এলাকায় প্রচুর বন্য হরিণ বাস করত। সেসময় ঝর্ণাটি সব মৌসুমেই পানিতে পূর্ণ থাকত এবং হরিণেরা এসে ঝর্ণার পানি পান করত। মানুষ এখান থেকে হরিণ শিকার করত আর তাই এই ঝর্ণার নাম হয়েছে হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণা অথবা হরিণকুণ্ড ঝর্ণা। তবে প্রকৃতির প্রতি মানুষের বৈরি আচরণের কারনে বর্তমানে হরিণদের তেমন একটা দেখা মেলে না।


কিভাবে যাবেন

মাত্র ৩০ মিনিট হেঁটে খুব সহজেই আপনি এই ঝর্ণায় আসতে পারবেন। প্রথমেই আপনাকে মীরসরাই এর ছোট কমলদহ বাজারে আসতে হবে। ঢাকা থেকে সড়কপথে চট্রগ্রামে আসলে আপনি ছোট কমলদহ বাজারে নেমে যেতে পারবেন। ছোট কমলদহ বাজারের জিপিএস অবস্থান হল (২২°৪২’১৯.৩৬”উ, ৯১°৩৬’৪৬.০৩”পু);

এখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় করে পাহাড়ের কাছে আসতে পারবেন। পাহাড়ের কাছে নামার স্থানের জিপিএস অবস্থান হল (২২°৪২’১৭.৪১”উ,৯১°৩৭’৩৩.৬১”পু);

তারপর আপনাকে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হবে এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে ঝর্ণার কাছে পৌছাতে পারবেন। হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণার জিপিএস অবস্থান হল (২২°৪২’৪৬.২৮”উ, ৯১°৩৭’৫০.৫৪”পু);

কিভাবে পৌঁছাবেন: চট্রগ্রাম জেলা

চট্রগ্রাম বিভাগের সাতটি জেলার অন্যতম হল চট্রগ্রাম। এই জেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটি জেলা, দক্ষিনে কক্সবাজার জেলা, পূর্বে বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা এবং বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

ঢাকার সাথে চট্রগ্রামের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। বাসে করে সরাসরি ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে যেতে পারবেন। আপনার সুবিধার্থে ঢাকা ও চট্রগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী কয়েকটি বাস সার্ভিস সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
১। সাউদিয়া পরিবহন
আরামবাগ কাউন্টার, ফোনঃ +৮৮-০২-৭১০২৪৬৫
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ +৮৮-০২-৮০১৮৪৪৫
কলাবাগান কাউণ্টার, ফোনঃ +৮৮-০২-৯১২৪৭৯২

২। এস আলম
ফোনঃ +৮৮-০৩১-৬৩৬৯৯৭, ৬১১৪২৬

৩। হানিফ এন্টারপ্রাইজ
পান্থপথ কাউণ্টার, ফোনঃ ০১৭৩৪০২৬৭০
আরামবাগ কাউণ্টার, ফোনঃ ০১৭১৩৪০২৬৭১
সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ফোনঃ ০১৭১৩৪০২৬৭৩

৪। গ্রিনলাইন পরিবহন
আরামবাগ কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৭১৯২৩০০
ফকিরাপুল কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৭১৯১৯০০

ঢাকা থেকে চট্রগ্রামের আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে এই পথে চলাচলকারী কয়েকটি বিমান সংস্থা সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
১। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ
ফোনঃ ০৯৬০৬৪৪৫৫৬৬, +৮৮০২৮৯৩২৩৩৮, +৮৮০২৮৯৩১৭১২
২। বাংলাদেশ বিমান
ফোনঃ +৮৮-০২-৮৯০১৬৬০, +৮৮-০২-৮৯০১৭৩০-৪৪
৩। নভো এয়ার
ফোনঃ ১৩৬০৩
৪। রিজেণ্ট এয়ারওয়েজ
ফোনঃ ০২৮৯৫৩০০৩ অথবা ১৬২৩৮

ঢাকার সাথে চট্রগ্রামের সরাসরি রেল যোগাযোগও রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে এই পথে চলাচলকারী কয়েকটি ট্রেন সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
১। মহানগর গোধূলি
ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়ঃ বিকাল ৪:৪০ মিনিটে
সাপ্তাহিক বন্ধের দিনঃ রবিবার

২। তুরনা নিশীথা
ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়ঃ রাত ১১:৩০ মিনিটে
কোন সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই।
৩। সুবর্ণ এক্সপ্রেস
ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়ঃ দুপুর ৩:২০ মিনিটে
সাপ্তাহিক বন্ধের দিনঃ শুক্রবার
৪। মহানগর প্রভাতি
ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়ঃ সকাল ৭:৪০ মিনিটে
কোন সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই

কোথায় থাকবেন

চট্রগ্রামে থাকার জন্য বেশকিছু বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে এসব হোটেল সম্পর্কে কিছু তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। হোটেল গোল্ডেন ইন
ঠিকানাঃ ৩৩৬, স্টেশন রোড, চট্রগ্রাম
ফোনঃ ০৩১-৬১১০০৪

২। এশিয়ান এসআর হোটেল
ঠিকানাঃ ২৯১, স্টেশন রোড, চট্রগ্রাম
ফোনঃ ০৩১-২৮৫০৩৪৬-৮

৩। হোটেল পার্ক
ঠিকানাঃ ৬২৭, ডিটি রোড, কদমতলি, চট্রগ্রাম
ফোনঃ ০১৮১৯৩৮৮০১১

৪। হোটেল ল্যান্ডমার্ক
ঠিকানাঃ ৩৭২, শেখ মুজিব সড়ক, আগ্রাবাদ, চট্রগ্রাম
ফোনঃ ০৩১-৮১৩৫৯৮/৭২৭২৯৯

খাবার সুবিধা

এখানে খাওয়ার জন্য মানসম্মত হোটেল খুঁজে পাওয়া একটু কঠিন। তবে, সীতাকুণ্ড বাজার, মীরসরাই বাজার এবং বারৈয়ারহাটের কিছু নিম্নমানের হোটেলে থাকা-খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তবে, এখানে থাকতে না পারলে চট্রগ্রাম শহরেই আপনাকে থাকতে হবে।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন