কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ

ধরন: মসজিদ / ঈদগাহ
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

বরিশাল সদরের উত্তর কড়াপুর গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত। বরিশাল জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ হলো কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ। মনে করা হয়ে থাকে ১৮শ শতকে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। সাম্প্রতিককালে কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদটি রঙ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটির মেরামত কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এ কারনে এই মসজিদটির প্রাচীন বৈশিষ্ট্যগুলো পুরোপুরি বিলীন হয়ে গিয়েছে।

উঁচু বেসম্যাণ্টের উপর এই কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। নীচতলায় বেসম্যাণ্টের অভ্যন্তরে কয়েকটি কক্ষ রয়েছে যেগুলো মসজিদের নিকটে অবস্থিত মাদ্রাসার ছাত্রদের থাকার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। মসজিদে প্রবেশ করার জন্য দোতলায় একটি প্রশস্ত সিঁড়ি রয়েছে।

আয়াতক্ষেত্রাকার এই মসজিদটির উপরিভাগে তিনটি ছোট আকারের গম্বুজ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে মাঝখানের গম্বুজটি অন্য দুটি গম্বুজের চেয়ে আকারে কিছুটা বড়। কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদের সামনের দেয়ালে চারটি মিনার এবং পেছনের দেয়ালে চারটি মিনার সমেত মোট আটটি মিনার রয়েছে। এছাড়া সামনের এবং পেছনের দেয়ালের মধ্যবর্তী স্থানে কয়েকটি ছোট মিনার রয়েছে। মসজিদের উপরিভাগ এবং সবগুলো মিনারে ব্যাপকভাবে কারুকাজ করা হয়েছে। কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদের পূর্বদিকে একটি বিশালাকারের পুকুর রয়েছে।


কিভাবে যাবেন

আপনি বাসে করে অথবা লঞ্চে করে বরিশালে পৌছাতে পারবেন। তবে, লঞ্চে ভ্রমন করাই সর্বাধিক নিরাপদ এবং আরামদায়ক। লঞ্চের কেবিনে আপনি রাতের বেলা ঘুমাতেও পারবেন। ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন রাতে বেশকিছু লঞ্চ যেমনঃ পারাবত-২, বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
বরিশাল শহর থেকে ব্যাটারি চালিত বাহনে করে উত্তর কড়াপুর গ্রামে পৌছাতে পারবেন। নবগ্রাম রোড দিয়ে খুব সহজেই এই গ্রামে চলে আসতে পারবেন। তাই ব্যাটারি চালিত বাহনের চালককে এই পথ দিয়ে যেতে বলতে পারেন। এই মসজিদটির জিপিএস অবস্থান হলো (২২°৪৩’২৬.৭২”উ, ৯০°১৭’২০.১০”পু)। খুব সহজেই মসজিদে পৌঁছানোর জন্য মসজিদের জিপিএস অবস্থানটি আপনার সাথে থাকা মানচিত্রে রেখে দিন।

কিভাবে পৌঁছাবেন: বরিশাল জেলা

বরিশাল জেলাটি বাংলাদেশের দক্ষিনে অবস্থিত। ঢাকার সাথে বরিশালের সড়কপথে, নদীপথে এবং আকাশ পথে যোগাযোগের ব্যবস্থা আছে।

ঢাকা থেকে বরিশালে সড়কপথে আপনি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন। প্রতিদিন ভোর ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে বেশকিছু বাস বরিশালের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বেশীরভাগ বাস পাটুরিয়া ঘাট অতিক্রম করে বরিশালে যায় আবার কিছু কিছু বাস মাওয়া ঘাট অতিক্রম করে বরিশালে যায়। ঢাকা থেকে আগত বাসগুলো বরিশালের নখুলাবাদ বাস স্ট্যান্ডে থেমে থাকে।
ঢাকা থেকে বরিশালে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে আছেঃ
শাকুরা পরিবহন, ফোনঃ ০১১৯০৬৫৮৭৭২, ০১৭২৯৫৫৬৬৭৭
ঈগল পরিবহন, ফোনঃ ০২-৯০০৬৭০০
হানিফ পরিবহন, ফোনঃ ০১৭১৩০৪৯৫৫৯
ভাড়াঃ
এসি বাসের ভাড়াঃ ৭০০/- টাকা
নন এসি বাসের ভাড়াঃ ৫০০/- টাকা
লোকাল বাসের ভাড়াঃ ২৫০ টাকা থেকে ৩০০/- টাকা।

ঢাকা থেকে বরিশালে যাওয়ার জন্য লঞ্চ হল সবচেয়ে আরামদায়ক এবং নিরাপদ মাধ্যম। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বেশ কিছু লঞ্চ প্রতিদিন বরিশালের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আপনার সুবিধার্থে লঞ্চ সম্পর্কিত কিছু তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ
লঞ্চের নামঃ সুরভি, সুন্দরবন, কীর্তনখোলা, কালাম খান ইত্যাদি।
এই লঞ্চগুলো রাত ৮ টায় সদরঘাট ছেড়ে যায় এবং ৮ থেকে ১০ ঘণ্টায় বরিশালে পৌঁছে যায়।
ভাড়াঃ
সিঙ্গেল কেবিনঃ ৮৫০/- টাকা।
ডবল কেবিনঃ ১৬০০/- টাকা।
ডেকে ভ্রমন করলে খরচ পরবে ২৫০/- টাকা।

বরিশালের সাথে রাজধানী ঢাকার রয়েছে আকাশপথে যোগাযোগ। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রিজেনট এয়ারওয়েজসহ বেশ কিছু সংস্থা ঢাকা ও বরিশালের মধ্যে দ্বিমুখী ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

কোথায় থাকবেন

বরিশালে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রয়েছে। কিছু হোটেলের তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ

হোটেল প্যারাডাইজ টু ইন্টারন্যাশনাল, ফোনঃ +৮৮-০১৭১৭০৭২৬৮৬, +৮৮-০১৭২৪৮৫৩৫৯০
হোটেল গ্র্যান্ড প্লাজা, ফোনঃ +৮৮-০১৭১১৩৫৭৩১৮, +৮৮-০১৯১৭৪৫৮০৮৮
হোটেল এথেনা ইন্টারন্যাশনাল, ফোনঃ +৮৮-০৪৩১-৬৫১০৯, +৮৮-০৪৩১-৬৫২৩৩
হোটেল হক ইন্টারন্যাশনাল, ফোনঃ +৮৮-০১৭১৮৫৮৭৬৯৮

খাবার সুবিধা

বরিশালে কোথায় খাবেন সেটি জানতে এখানে ক্লিক করুন  

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন