নয় গম্বুজ মসজিদ

ধরন: মসজিদ / ঈদগাহ
সহযোগিতায়:
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

খান জাহান আলীর মাজারের অর্ধেক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে ঠাকুরদীঘির পশ্চিম তীরে নয় গম্বুজ মসজিদ অবস্থিত। এই মসজিদটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের অধীনে একটি সংরক্ষিত নিদর্শন। মসজিদটির উত্তর, দক্ষিন এবং পূর্বদিকে লম্বা আয়াতক্ষেত্রাকার কাঠামোর মধ্যে তিনটি ধনুকআকারের ফটক রয়েছে। নয়গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের পশ্চিম দিকের দেয়ালে তিনটি অর্ধ গোলাকার মিহরাব রয়েছে যেগুলোর মধ্যে মাঝখানের মিহরাবটি বড় এবং পশ্চিমদিকে হেলানো। খাঁজকাটা মিহরাবগুলোতে টেরাকোটার উপর আয়াতক্ষেত্রাকার কাঠামোর মধ্যে ফুল ও পাতার নকশা রয়েছে এবং মিহরাবের মাঝখানে শিকল ও ঘণ্টার নকশা রয়েছে। মসজিদের খিলানের শীর্ষে বুটির নকশা এবং খিলান, ছাদ ও দেয়ালের মধ্যবর্তী স্থানে গোলাপের নকশা রয়েছে। নয়গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের অবশিষ্ট তিনটি দেয়ালের প্রতিটিতে দুটি করে খিলান রয়েছে। মসজিদটির কোণায় অবস্থিত টাওয়ারগুলো গোলাকার এবং এগুলোতে আট স্তরের ঢালাই রয়েছে।


কিভাবে যাবেন

বাগেরহাটে পৌঁছে সিএনজি অটোরিকশা অথবা বাসে করে এই মসজিদে পৌছাতে পারবেন।

কিভাবে পৌঁছাবেন: বাগেরহাট জেলা

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে বাগেরহাটে পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাগেরহাটে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছঃ
১। মেঘনা পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৭১৭৩৮৮৫৫৩
ভাড়াঃ ৩৫০/-টাকা

২। শাকুরা পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১০১০৪৫০
ভাড়াঃ প্রায় ৫০০/-টাকা

৩। পর্যটক পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১১৩১০৭৮
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/-টাকা

৪। সোহাগ পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৮৬৭৯৩০২
ভাড়াঃ ৩৮০/- টাকা

প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা মধ্যে তিনটি লঞ্চ এবং একটি স্টিমার ঢাকার সদরঘাট থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। হুলারহাটে পৌঁছে আপনাকে বাসে করে অথবা ভাড়া গাড়িতে করে সড়কপথে পিরোজপুর হয়ে বাগেরহাটে পৌছাতে হবে।
ঢাকার সদরঘাট থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটের উদ্দেশ্যে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
• আল-খালাদি
• পার্বত
• ফারহানা
• টিপু
ছাড়ার সময়ঃ বিকাল ৫টা
পৌছানোর সময়ঃ সকাল ৯টা
ভাড়াঃ
রেগুলারঃ ১৮০/-টাকা
সিঙ্গেল কেবিনঃ ৫০০/-টাকা
ডবল কেবিনঃ ৮০০/-টাকা

বর্তমানে রাজধানী ঢাকার সাথে বাগেরহাটের আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। তবে, বাগেরহাটে একটি বিমানবন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে। সুতরাং, অদুর ভবিষ্যতেই ঢাকা ও বাগেরহাটের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়।

কোথায় থাকবেন

বাগেরহাটে থাকার জন্য খুব বেশি হোটেল নেই। তবে এখানে রেল রোডে অবস্থিত মমতাজ হোটেলে থাকতে পারেন। এই হোটেলটিতে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান মোটামোটি ভাল এবং খরচও একটু বেশি। এছাড়া এই হোটেলের আশেপাশে থাকার জন্য আরো কিছু হোটেল রয়েছে।

কি করবেন

মসজিদটির বাঁকানো কার্নিশ এটিকে দর্শনীয় করে তুলেছে। পুরো মসজিদকে ঘিরে থাকা দুইস্তরের কার্নিশে লঞ্জেন্সের নকশা রয়েছে এবং দুটি কার্নিশের মধ্যবর্তীস্থানের কিছু জায়গায় বর্গাকার কাঠামোতে নকশার কাজ রয়েছে। মসজিদটির কোণায় অবস্থিত টাওয়ারগুলোর ঢালাইয়ের স্তরে লজেন্স, বটিকা এবং পাতার নকশা রয়েছে।

খাবার সুবিধা

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন