পুঠিয়া মন্দির

ধরন: মন্দির
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

এখানে বেশকিছু প্রাচীন হিন্দু মন্দির আছে। হিন্দু জমিদার রাজারা এবং পুঠিয়া পরিবার মন্দিরগুলো নির্মাণে সম্পৃক্ত ছিল। তেরাকোটায় নির্মিত মন্দিরটিতে বিভিন্ন প্রাণী ও অন্যান্য স্থাপত্য খোদাই করা আছে। মন্দির কমপ্লেক্সে আছে রাজবাড়ি এবং দলমাছা। এছাড়াও এখানে একটি লেক ও বাগান আছে। এছাড়াও এখানে আছেঃ

পঞ্চরত গোবিন্দ মন্দিরঃ ঈশ্বর কৃষ্ণর প্রতি উৎসর্গ করা আঠারোশ শতাব্দীতে নির্মিত পুঠিয়ার একটি মন্দির এটি।

ভুবেনেশ্বর শিব মন্দিরঃ রানি ভবানি এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন ১৮২৩ সালে যেটি শিব মন্দিরগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।

জগন্নাথ মন্দিরঃ হিন্দু ধর্মের ঈশ্বর জগন্নাথের প্রতি উৎসর্গ করা মন্দির এটি।


কিভাবে যাবেন

রাজশাহী মূল শহর থেকে মন্দিরটি প্রায় ২৭. ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রাজশাহী থেকে আপনি বাস অথবা সিএনজি অটো রিকশা নিয়ে এখানে পৌছাতে পারেন। রাজশাহী থেকে পুঠিয়ার দিক নির্দেশনা পেতে ক্লিক করুন http://bit.ly/1ntO6fW

কিভাবে পৌঁছাবেন: রাজশাহী জেলা

ঢাকা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব ২৬১ কিলোমিটার। রাজশাহীতে যোগাযোগ ব্যাবস্থা খুবই উন্নত। এখান থেকে সারা দেশে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশ পথে যাতায়াত করা যায়। রাজশাহী শহরে চলাচলের জন্য আপনি রিকশা ট্যাক্সি ক্যাব, অটো রিকশা, ও ঘোড়ার গাড়ি পাবেন।
রাজশাহীতে দুটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল আছে যেখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের উদ্দেশে এসি এবং নন এসি বাস চলাচল করে। রাজশাহী থেকে সড়ক পথে ঢাকা পৌছাতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের সদর দফতর এই জেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে রাজশাহীতে “সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস”, “পদ্মা এক্সপ্রেস” ও “ধুমকেতু এক্সপ্রেস” চলাচল করে। এছাড়াও রাজশাহী থেকে খুলনা ও দেশের অন্যান্য প্রান্তে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল ট্রেন চলাচল করে।
ইসলামী সাধক হযরত শাহ মখদুম (রঃ) এর নামে নামকরন করা বিমানবন্দরটি রাজশাহী শহর থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত। এখানে ঢাকা এবং সৈয়দপুর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল করে।

১। গ্রীন লাইন(ভলভো), সকাল ৮:৩০ মিনিট, বিকাল ৩:১৫ মিনিট,
রাত ১১:৩০ মিনিট

২। হানিফ এন্টারপ্রাইজ ভোর ৪:৩০ মিনিট থেকে রাত ১১:৩০মিনিট পর্যন্ত
(প্রতি ৩০ মিনিট পরপর )

৩। শ্যামলী পরিবহন ভোর ৫ টা থেকে রাত ১২ টা
(প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর )

৪। মডার্ন এন্টারপ্রাইজ ভোর ৬ টা থেকে রাত ১২ টা
(প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর )

কোথায় থাকবেন

রাজশাহীতে থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল আছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
১। পর্যটন মোটেল।
২। হোটেল আল হাসিব, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া
৩। হোটেল মুন, সাহেববাজার বোয়ালিয়া
৪। হোটেল রাডার
৫। হোটেল হক্’স ইন,বোয়ালিয়া, রাজশাহী
৬। হোটেল জমজম, হেটমোটা, বোয়ালিয়া
৭। হোটেল প্রিন্স, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া
৮। হোটেল সৈকত, লক্ষ্মীপুর,রাজশাহী
৯। ইসলামী আবাসিক হোটেল, লক্ষ্মীপুর, রাজপাড়া
১০। হোটেল সুকন্যা ইন্টারন্যাশনাল, সমবায় সুপার মার্কেট।
১১। হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল,গনকপাড়া
১২। হোটেল স্কাই,মোলপাড়া, বোয়ালিয়া
১৩। হোটেল হ্যাভেন, শারইল বাজার, বোয়ালিয়া
১৪। হোটেল এলিগেনট, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া

কি করবেন

• মন্দিরের সংগ্রহ দেখতে পারেন।
• ছবি তুলতে পারেন।
• স্থাপত্যের ছাত্র ছাত্রীদের জন্যে আদর্শ স্থান কেননা তারা মন্দিরের নকশা থেকে শিখতে পারবে।

খাবার সুবিধা

এখানে খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। আপনি আশেপাশে খাবার রেস্টুরেন্ট অথবা ফাস্ট ফুডের দোকান খুঁজতে পারেন অথবা সাথে করে খাবার নিয়ে যেতে পারেন।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন

অন্যদের ওয়েবসাইট থেকে

  • The Puthia Raj family was established by a holy man named Bhatsacharya, who lived in the 16th century.

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন