প্রায় ৩শত বছর পূর্বে নির্মিত এই প্রাসাদে জন্মগ্রহন করেন বাংলার বাঘ নামে খ্যাত শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক। প্রায় ১০০ একর জমির ওপর স্থাপিত এই প্রাসাদে মূল ফটকের পাশাপাশি রয়েছে বেশকটি পুকুর, ফুলের বাগান, এবং তিনটি মুঘল আমলে নির্মিত ভবন। অল্প বয়সে পিতৃহারা শেরে বাংলা এই প্রাসাদে থাকাকালীন মাদ্রাসার মক্তবে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা সম্পাদন করেন। তিনি এখানকার একটি পুকুরে সাঁতার কাটতেন যেটির সীমানা পাথরে বাধাই করা ছিল। শুধু শৈশব নয়, এখানে শেরে বাংলা তাঁর পেশাগত জীবনেরও একটি উল্লেখযোগ্য সময় কাটিয়েছেন।
ঝালকাঠি শহর থেকে আপনি সহজেই বাস, ইজি বাইক অথবা টেম্পোতে করে রাজাপুর সাটুরিয়ার প্রাসাদে পৌছাতে পারেন।
বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বরিশাল বিভাগের একটি জেলা হল ঝালকাঠি। ঝালকাঠির উত্তরে বরিশাল জেলা, দক্ষিনে বরগুনা জেলা, পূর্বে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা এবং পশ্চিমে পিরোজপুর জেলা অবস্থিত।
ঢাকা ও ঝালকাঠির মধ্য চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। সুগন্ধা পরিবহন-ঝালকাঠি থেকে ছাড়ার সময়: সকাল ৭:৪৫ মিনিট, সকাল ৮:৪৫ মিনিট, সকাল ৯:৪৫ মিনিট এবং সকাল ১০:৩০ মিনিট। ফোনঃ-০১৭৩৯০২৫৮১৫ (ঝালকাঠি)
২। দ্রুতি পরিবহন- ঝালকাঠি থেকে ছাড়ার সময়: সকাল ৮টা, সকাল ৮:৩০ মিনিট, দুপুর ৩টা, রাত ৯টা, এবং রাত ১০টা,
ফোনঃ ০১৭১২৬১৭৪৩৫, ০১৬৭৪০০৫৭৯৯ (ঝালকাঠি)
৩। হানিফ পরিবহন – ঝালকাঠি থেকে ছাড়ার সময়: – সকাল ৭:৩০ মিনিট, সকাল ৮:৪৫ মিনিট, সকাল ১০টা, সকাল ১১:৪৫ মিনিট, এবং রাত ১০টা, ফোনঃ -০১৭১২১৫৪১১৫, ০১৭১৬৪২২৫৫০ (ঝালকাঠি), ০১৭১৩০১৪৯৫৭২, ০২-৮০৫৬৩৬৬ (ঢাকা)
ঢাকা থেকে ঝালকাঠিতে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। এমভি টিপু- ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে, ঝালকাঠিতে পৌঁছে পরদিন ভোর ৫ টা থেকে সকাল ৭ টার মধ্যে, ঝালকাঠি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ৬ টায় এবং ঢাকায় পৌঁছে পরদিন ভোর ৫ টা থেকে সকাল ৭ টার মধ্যে, ভাড়াঃ ডেকে-১৩০/- টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ৮০০/- টাকা, ডবল কেবিন ১৫০০/- টাকা। ফোনঃ ০১৭২১৯৭৮৬৫২
২। সুন্দরবন- এমভি টিপু এবং এই লঞ্চটির ভাড়া এবং যাতায়াতের সময়সূচী এক। এই লঞ্চটি মাসের জোড় তারিখে ঝালকাঠি থেকে ছেড়ে আসে এবং মাসের বেজোড় তারিখে ঢাকা থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ ০১৭১২৮১১০৯২
ঢাকা থেকে ঝালকাঠিতে চলাচলকারী স্টিমারগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। টি এস মাসুদঃ ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতি সোম এবং বৃহস্পতিবার ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ৬ টায় এবং ঝালকাঠিতে পৌঁছে পরদিন ভোর ৫ টা থেকে সকাল ৮ টার মধ্যে, ঝালকাঠি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য প্রতি মঙ্গলবার এবং শুক্রবার ছেড়ে যায় বিকাল ৪টায় এবং ঢাকায় পৌঁছে পরদিন ভোর ৫ টা থেকে সকাল ৮ টার মধ্যে, ভাড়াঃ ডেকে-১০০/- টাকা, সিঙ্গেল কেবিন (প্রথম শ্রেণী)-৬৫৫/- টাকা, ডবল কেবিন (প্রথম শ্রেণী)-১৩১০/- টাকা, সিঙ্গেল কেবিন (দ্বিতীয় শ্রেণী)- ৩৯৫/- টাকা, ডবল কেবিন (দ্বিতীয় শ্রেণী)-৭৯০/- টাকা।
২। টি এস অস্ত্রিচঃ টিএস মাসুদ এবং এই স্টিমারটির ভাড়া এবং যাতায়াতের সময়সূচী এক। শুধুমাত্র টিএস অস্ত্রিচ প্রতি বুধবার এবং শনিবার ঝালকাঠি থেকে ছেড়ে আসে এবং প্রতি মঙ্গলবার এবং শুক্রবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়।
৩। টি এস লেপচা – এই স্টিমারটির ভাড়া এবং যাতায়াতের সময়সূচী টিএস মাসুদ এবং টিএস অস্ত্রিচের মতই। শুধুমাত্র টিএস লেপচা প্রতি সোমবার এবং বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি থেকে ছেড়ে আসে এবং প্রতি রবিবার এবং বুধবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়।
ঝালকাঠিতে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে কয়েকটি হোটেল সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউজ- কালীবাড়ি রোড, ঝালকাঠি, ফোনঃ ০৪৯৮-৬২২১২
হালিমা বোর্ডিং-এমডি আজিজ সদর রোড, চৌমাথা, ঝালকাঠি, ফোনঃ ০৪৯৮-৬২২৮৬
আরাফাত বোর্ডিং, ফোনঃ ০৪৯৮-৬৩৫৮৯
ঝালকাঠিতে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে কয়েকটি হোটেল সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
1. ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউজ- কালীবাড়ি রোড, ঝালকাঠি, ফোনঃ ০৪৯৮-৬২২১২
2. হালিমা বোর্ডিং-এমডি আজিজ সদর রোড, চৌমাথা, ঝালকাঠি, ফোনঃ ০৪৯৮-৬২২৮৬
3. আরাফাত বোর্ডিং, ফোনঃ ০৪৯৮-৬৩৫৮৯
আপনি ঐতিহাসিক এই প্রাসাদটি এবং চারপাশে ঘুরে দেখতে পারেন আর ছবি তুলতে পারেন।
মহাসড়কের পাশে এবং স্থানীয় বাজারে আপনি কিছু রেস্টুরেন্ট এবং খাওয়ার হোটেল পাবেন যেখানে দেশী খাবার পাওয়া যায়। তবে, এসব হোটেল ও রেস্টুরেন্টের খাবারের মান নিয়ে আপনার উচ্চাশা না করাই ভাল।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!