এই ঝর্ণার পানি প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে চমৎকার শব্দ করে সারাবছর সাঙ্গু নদীতে পড়ে থাকে। রিজুক ঝর্ণার পানি মুক্তার মত চকচকে যা প্রকৃতির সৌন্দর্যের এক অনন্য নিদর্শন। বিভিন্ন রকমের গাছ ও উদ্ভিদ রয়েছে এই ঝর্নাটিকে ঘিরে। বছরের যে কোন সময় এই ঝর্ণাটি দেখতে যেতে পারেন তবে বর্ষাকালে এখানে আসলে রিজুক ঝর্ণার সৌন্দর্য সত্যিকার অর্থে উপভোগ করতে পারবেন। রিজুক ঝর্ণায় আসলে আপনি নিঃসন্দেহে একজন প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে উঠবেন।
ঢাকা থেকে কিভাবে বান্দরবানে পৌছাবেন জানতে এখানে ক্লিক করুন আপনাকে বান্দরবান থেকে চান্দেরগাড়ি অথবা ব্যক্তিগত গাড়িতে করে রুমায় পৌছাতে হবে। রুমা থেকে রিজুক ঝর্ণায় পৌছাতে আপনাকে ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া করতে হবে যেটিকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ‘রিসংসং’। এই নৌকায় ভ্রমন করতে আপনাকে ৮০০/- টাকা ভাড়া দিতে হবে।
ঢাকার সাথে বান্দরবানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি বান্দরবানে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে বান্দরবানের মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। এস আলম সার্ভিসেস লিমিটেড
যোগাযোগঃ ০৩৪১-৬২৯০২
২। শ্যামলী পরিবহন
যোগাযোগঃ ০৪৪৩৪৪৯৯৩৪
৩। সাউদিয়া পরিবহন
আরামবাগ কাউণ্টার, যোগাযোগঃ +৮৮-০২-৭১০২৪৬৫
গাবতলি কাউণ্টার, যোগাযোগঃ +৮৮-০২-৮০১৮৪৪৫
ঢাকার সাথে বান্দরবানে আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। তবে ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে আকাশপথে গিয়ে সেখান থেকে বাস অথবা ব্যাক্তিগত গাড়িতে করে বান্দরবানে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, নভো এয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রিজেণ্ট এয়ারওয়েজ, ইউইস বাংলা এয়ারওয়েজ।
বান্দরবানে থাকার জন্য হোটেল ও গেস্টহাউজগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। হিলসাইড রিসোর্ট
ঠিকানাঃ চিম্বুক সড়ক, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০১৭৩০০৪৫০৮৩, ০২-৯৮৮৬৯৮৩
২। হোটেল গ্রিনহিল
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, বান্দরবান-৪৬০০
যোগাযোগঃ +৮৮০১৮৫৬৬৯৯৯১০, +৮৮০১৮৫৬৬৯৯৯১১
৩। হোটেল পূরবী
ঠিকানাঃ ভিআইপি রোড, বান্দরবান সদর, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০১৮২৩-৩৪৬৩৮৩, ০৩৬১-৬২৫৩১
৪। হোটেল পাহাড়িকা
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০৩৬১-৬২১৫৫
১। বান্দরবানে আসলে এখানকার আদিবাসীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য কিনতে পারেন যেমনঃ হাতে বোনা কাপড়, গৃহস্থলীর কাজের জন্য বিভিন্ন পণ্য ইত্যাদি।
২। ঝর্ণার সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
৩। ছবি তুলতে পারেন।
রিজুক ঝর্ণায় থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। তাই এখানে দীর্ঘসময় থাকতে চাইলে রুমা বাজার থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং খাবার নিয়ে যাওয়াই ভাল।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!