ইছামতি নদীর তীরে একটি পরিত্যাক্ত ভবন দেখতে পাবেন তবে কোন শিলালিপি না থাকায় এই ভবনটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে, ভবনের স্থাপত্যশৈলী দেখে বোঝা যায় এটি ছিল একটি জমিদার বাড়ি। এই ভবনটির অভ্যন্তরে বেশকয়েকটি কক্ষ রয়েছে। জমিদারবাড়ির সামনের দিকটি এখনও মজবুত থাকলেও পেছনের দিকটি বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
এখনও ভবনটির চারপাশে একটি পুকুরসহ বেশকিছু খালি জায়গা রয়েছে। জমিদারবাড়ির দক্ষিন-পশ্চিম কোনায় একটি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। মসজিদটির নির্মাণের ব্যাপারেও কিছু জানা যায়নি। যদি জমিদারবাড়ি এবং মসজিদের মালিক একই ব্যাক্তি হয়ে থাকেন তবে ধরে নেওয়া যায় যে তিনি ছিলেন একজন মুসলিম। ধারনা করা হয়ে থাকে যে গ্রামতির নাম বক্তনগর হয়েছে বখতনগর শব্দ থেকে। এমনও হতে পারে যে, বখত নামক কোন মুসলিম ব্যাক্তির নামে গ্রামটির নামকরণ করা হয়েছে।
এখানে অবস্থিত মসজিদটি ছোট এবং তিনগম্বুজ বিশিষ্ট। তবে মাঝখানের গম্বুজটি অন্য দুটি গম্বুজের চেয়ে বড়। মসজিদের মূল প্রবেশ পথের উপরে আরবীতে লেখা শিলালিপি দেখা যায়। মসজিদের দক্ষিনে একটি পুকুর এবং পূর্বদিকে একটি কবরস্থান রয়েছে।
১। ঢাকার গুলিস্তান এবং ফুলবাড়িয়া থেকে বান্দুরা, এন মল্লিক, দ্রুত নামে বিভিন্ন বাসে চড়তে পারেন। এসব বাসে চড়লে ভাড়া পরবে ৭০/- টাকা।
২। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বান্দুরা বাজারে পৌঁছে যাবেন। বান্দুরা বাজারের জিপিএস অবস্থান হল (২৩°৩৯’২৮.৮২”উ, ৯০°৬’৩১.৭৬”পু).
৩।বান্দুরা বাজার থেকে বারুয়াখালী বাসে করে পৌছাতে প্রায় ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিট সময় লাগবে। এছাড়া টমটমে করে যেতে ২০/- টাকা ভাড়া লাগবে এবং সময় লাগবে ৩০ মিনিটের বেশি।
৪। বারুয়াখালী বাজারে আপনাকে ইছামতি নদী অতিক্রম করতে হবে। এরপর আপনি দেখতে পাবেন জমিদারবাড়ি এবং প্রাচীন মসজিদ। জমিদারবাড়ি এবং প্রাচীন মসজিদের জিপিএস অবস্থান হল (২৩°৪০’৫৭.৯০”উ, ৯০°৪’৭.৮৫”পু).
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!