Chandpur District
আকর্ষণ সমূহ
তথ্য
চাঁদপুরের রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মজাদার খাবার এবং শিহরন জাগানিয়া প্রাচীন ইতিহাস। ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ, প্রসিদ্ধ সংস্কৃতি ছাড়াও এই জেলায় রয়েছে নজরকারা ভৌগলিক সৌন্দর্য, মজাদার খাবার, এবং বন্ধুবৎসল সাধারন মানুষ। সুতরাং বলা যায় বেড়াতে যাওয়ার জন্য চাঁদপুর একটি চমৎকার স্থান। সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যে ভরপুর একটি জেলার নাম হলো চাঁদপুর। প্রাচীন মসজিদ এবং স্মৃতিস্তম্ভের জন্য এই জেলার রয়েছে বিশেষ খ্যাতি। ১৮৭৮ সালে মহাকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় চাঁদপুরকে। ১৯৮৪ সালে পূর্ণ জেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় চাঁদপুরকে। ১৭০৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জেলায় রয়েছে আটটি উপজেলা, সাতটি পৌরসভা এবং সাতাশিটি ইউনিয়ন।
Where to stayচাঁদপুরে থাকার জন্য ছোট হোটেল থাকলেও সেগুলো মোটেও মানসম্মত নয়। আপনার সুবিধার্থে এই জেলায় থাকার জন্য কিছু হোটেল সম্পর্কে তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ ১। ভাই ভাই আবাসিক হোটেল; ঠিকানাঃ তালতলী বাসস্টেশন, চাঁদপুর; ২। হোটেল সকিনা ঠিকানাঃ নতুন বাজার, চাঁদপুর; ৩। হোটেল অতিথি ঠিকানাঃ ম্যাটারনিটি রোড, চাঁদপুর;
How to goঢাকা ও চাঁদপুরের মধ্যে নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি লঞ্চে করে চাঁদপুরে পৌছাতে পারবেন। আপনার সুবিধার্থে ঢাকা ও চাঁদপুরের মধ্যে চলাচলকারী কয়েকটি লঞ্চ সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলোঃ
১। এম ভি সোনার তরী, ছাড়ার সময়ঃ সন্ধ্যা ৭:২০ মিনিট;
২। এম ভি মেঘনার রানী, ছাড়ার সময়ঃ রাত ৮টা;
৩। এম ভি ঝাণ্ডা, ছাড়ার সময়ঃ রাত ৮টা;
৪। এম ভি মিতালী, ছাড়ার সময়ঃ রাত ৯:৪০ মিনিট;
৫। এম ভি ময়ুর-২, ছাড়ার সময়ঃ দপুর ১:৩০ মিনিট;
ঢাকা ও চাঁদপুরের মধ্যে ভোর ৫টা থেকে সকাল ১১টার মধ্যে মেঘনা এক্সপ্রেস, সাগরিকা এক্সপ্রেস এবং চাদপুর কমিউটার ট্রেন চলাচল করে।