Rajshahi District
আকর্ষণ সমূহ
তথ্য
আধুনিক রাজশাহী প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরে অবস্থিত। সুফি সাধক হযরত শাহ মখদুমের মাজারে রক্ষিত তথ্যমতে ১৬৩৪ সালে এই শহর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৮শ শতকে ডাচরা এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এখানে বাণিজ্য করত। ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশ রাজের শাসনকালে রাজশাহী মিউনিসিপালটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রাচীন বাংলায় রাজশাহী জেলা ছিল পুণ্ড্র অঞ্চলের অংশ। বিজয় সেনের (যিনি শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিন পূর্ব এশিয়াতে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন) রাজধানী রাজশাহী শহরের ১৪ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগীয় সময়ে এই অঞ্চলের নাম ছিল “রামপুর বোয়ালিয়া”। বর্তমান “রাজশাহী” নামের উৎপত্তি নিয়ে গবেষকদের মাঝে বিতর্ক আছে। রাজশাহীতে অনেক মহারাজা, রাজা ও জমিদাররা শাসন করেছেন। তাই বলা হয়ে থাকে “রাজ” শব্দটি এসেছে হিন্দু রাজ, মহারাজা থেকে এবং “শাহী” শব্দটি এসেছে পারস্য ভাষা থেকে। দুইটি শব্দের অর্থই হল রাজা অথবা রাজত্ব। ব্রিটিশ রাজের শাসনকালে “বেউলিয়া” নামে পরিচিত রাজশাহী ছিল পূর্ব বাংলা এবং আসামের অধীনে প্রশাসনিক সদর দফতর। সেসময়কার কৃষি বিভাগের উৎসাহে রাজশাহীকে মূলত রেশম ব্যাবসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এখানকার বেশিরভাগ সরকারি ভবন ১২ জুন ১৮৯৭ সালের ভুমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
Where to stayরাজশাহীতে থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল আছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ ১। পর্যটন মোটেল। ২। হোটেল আল হাসিব, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া ৩। হোটেল মুন, সাহেববাজার বোয়ালিয়া ৪। হোটেল রাডার ৫। হোটেল হক্’স ইন,বোয়ালিয়া, রাজশাহী ৬। হোটেল জমজম, হেটমোটা, বোয়ালিয়া ৭। হোটেল প্রিন্স, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া ৮। হোটেল সৈকত, লক্ষ্মীপুর,রাজশাহী ৯। ইসলামী আবাসিক হোটেল, লক্ষ্মীপুর, রাজপাড়া ১০। হোটেল সুকন্যা ইন্টারন্যাশনাল, সমবায় সুপার মার্কেট। ১১। হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল,গনকপাড়া ১২। হোটেল স্কাই,মোলপাড়া, বোয়ালিয়া ১৩। হোটেল হ্যাভেন, শারইল বাজার, বোয়ালিয়া ১৪। হোটেল এলিগেনট, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া
How to goঢাকা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব ২৬১ কিলোমিটার। রাজশাহীতে যোগাযোগ ব্যাবস্থা খুবই উন্নত। এখান থেকে সারা দেশে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশ পথে যাতায়াত করা যায়। রাজশাহী শহরে চলাচলের জন্য আপনি রিকশা ট্যাক্সি ক্যাব, অটো রিকশা, ও ঘোড়ার গাড়ি পাবেন। রাজশাহীতে দুটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল আছে যেখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের উদ্দেশে এসি এবং নন এসি বাস চলাচল করে। রাজশাহী থেকে সড়ক পথে ঢাকা পৌছাতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের সদর দফতর এই জেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে রাজশাহীতে “সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস”, “পদ্মা এক্সপ্রেস” ও “ধুমকেতু এক্সপ্রেস” চলাচল করে। এছাড়াও রাজশাহী থেকে খুলনা ও দেশের অন্যান্য প্রান্তে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল ট্রেন চলাচল করে। ইসলামী সাধক হযরত শাহ মখদুম (রঃ) এর নামে নামকরন করা বিমানবন্দরটি রাজশাহী শহর থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত। এখানে ঢাকা এবং সৈয়দপুর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল করে।
১। গ্রীন লাইন(ভলভো), সকাল ৮:৩০ মিনিট, বিকাল ৩:১৫ মিনিট,
রাত ১১:৩০ মিনিট
২। হানিফ এন্টারপ্রাইজ ভোর ৪:৩০ মিনিট থেকে রাত ১১:৩০মিনিট পর্যন্ত
(প্রতি ৩০ মিনিট পরপর )
৩। শ্যামলী পরিবহন ভোর ৫ টা থেকে রাত ১২ টা
(প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর )
৪। মডার্ন এন্টারপ্রাইজ ভোর ৬ টা থেকে রাত ১২ টা
(প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর )