বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএফআরআই) একটি স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৪ সালে দেশে মৎস্য গবেষণা পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং পরিচালনা করার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং অবকাঠামো নির্মাণের পরিপ্রক্ষিতে ১৯৮৬ সাল থেকে কর্মকাণ্ড আরম্ভ করে এই প্রতিষ্ঠানটি।
এই ইন্সটিটিউটের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ সবরকম জলজ প্রাণীর উন্নয়ন এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষণা পরিচালনা করা, স্বল্প খরচে পরিবেশ বান্ধব এবং অধিক জনবলের প্রয়োজন হয় না এমন মৎস্য প্রজনন এবং ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রণয়ন করা, অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলজ প্রাণীর (যেমনঃ চিংড়ি) জন্য কৌশল প্রণয়ন করা এবং প্রশিক্ষন ও বিন্যাসের মাধ্যমে কৌশলগতভাবে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা।
বাংলাদেশে মৎস্য গবেষণার ক্ষেত্রে সব ধরনের কারিগরি তথ্য লিপিবদ্ধকরনের প্রয়োজনীয়তা পূরণের লক্ষ্যে বি এফআরআই সদর দফতরে একটি পাঠাগার এবং লিপিবদ্ধকরণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানকার পাঠাগারে প্রায় ২৬০০ টি বই এবং ৮৩টি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ রয়েছে।
এই ইন্সটিটিউট বিভিন্ন সময়ে গবেষণার ফলাফল, বার্ষিক প্রতিবেদন, নিউজলেটার, জার্নাল, গবেষণা প্রতিবেদন, বিভিন্ন কনফারেন্স, সেমিনার ও ওয়ার্কসপের ফলাফল, প্রশিক্ষন ম্যানুয়াল, বুকলেট, লিফলেট ও পোস্টার মুদ্রন করে থাকে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এবং দেশী বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে এই ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়া মৎস্য সম্পদের উন্নয়নের জন্য দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রযুক্তির বিস্তারে কাজ করা এনজিওগুলোর সাথেও এই ইন্সটিটিউট নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে।
লিখেছেনঃ [এস এম হুমায়ুন কবির]
অবস্থানঃ এই ইন্সটিটিউটটি চাঁদপুরে প্রায় ১৭.২ হেক্টর এলাকার উপর অবস্থিত। এখানকার নিষ্কাশন অযোগ্য ৩৬টি পুকুরের এক একটির আয়তন ০.১২ হেক্টর থেকে ০.৩৭ হেক্টর পর্যন্ত। এছাড়া এই স্টেশনে একটি রয়েছে একটি হ্যাচারি, গবেষণা কার্যক্রম, জরিপ এবং নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা পরিচালনা করার জন্য সুযোগ সুবিধাসহ একটি জলযান।
এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত। পাকা সড়ক প্রায় ৯৬৪ কিলোমিটার, কাঁচা সড়ক ৭৮৫৮ কিলোমিটার, রেলপথ ১৫৯ কিলোমিটার ও নদী পথ ২২৩ কিলোমিটার। ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা শহর টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা কিশোরগঞ্জ, জামালপুর ও গাজীপুরের সাথে পাকা সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগ রয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ জেলার দূরত্ব সড়ক পথে ১২১ কিমি এবং রেলপথে ১২৩ কিমি। জেলা সদর থেকে পাকা সড়ক পথে উপজেলার এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় সারাবছরই মোটরযান চলাচলের উপযোগী পাকা/কাঁচা রাস্তা রয়েছে। তবে জেলায় প্রবাহিত নদীসমূহের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীগুলো নাব্যতা হারিয়েছে।
ময়মনসিংহ সড়ক বিভাগের আওতাধীন মোট সড়ক পথের দৈর্ঘ্য ৫৪৪ কিলোমিটার। সড়ক পথে ময়মনসিংহ সদর থেকে দেশের সকল জেলায় যাতায়তের সুব্যবস্থা আছে। ময়মনসিংহ শহর থেকে রাজধানী ঢাকার দুরত্ব ১২১ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে সড়ক পথে ময়মনসিংহে আসতে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন পরিবহন সংস্থার মেইল ও লোকাল গাড়িতে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহে পৌঁছা যায়। মহাখালী ছাড়াও কমলাপুর, বিআরটিসি টার্মিনাল থেকে ঢাকা-নেত্রকোনা রুটের গাড়িতেও ময়মনসিংহে আসা যেতে পারে। ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহী-খুলনা-পঞ্চঘর-বগুড়া-রংপুর-সিলেট-জামালপুর-শেরপুর-নেত্রকোনা-কিশোরগঞ্জ-হালুয়াঘাট-গফরগাঁও-ধোবাউড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক পথে যাবার ব্যবস্থা আছে।
ময়মনসিংহের সাথে বিভিন্ন রুটের রেল চলাচলের কার্যক্রম চালু আছে দীর্ঘদিন। দেশের যে সব স্থানে রেলপথে যাতায়ত করা যায় সে গুলো হলোঃ
▫ ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁও-টঙ্গী হয়ে কমলাপুর-ঢাকা।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-ভৈরব হয়ে চট্টগ্রাম।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-ভৈরব-আখাউড়া হয়ে সিলেট যেতে ভৈরব অথবা আখাউড়াতে ট্রেনে বদল করতে হয়।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ-নেত্রকোনা হয়ে মোহনগঞ্জ।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ হয়ে জারিয়া ঝাঞ্জাইল।
▫ ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর হয়ে দেওয়ানগঞ্জ হয়ে বাহাদুরাবাদ ঘাট।
▫ ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর হয়ে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট।
রেলপথে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মোট ৭টি মেইল ট্রেন ময়মনসিংহ আসে। সাতটি ট্রেনের মধ্যে চারটি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস, অন্যগুলো লোকাল। এ ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে টঙ্গী-গফরগাঁও হয়ে ময়মনসিংহ আসে। ৪টির মধ্যে ৩টি তারাকান্দি এবং ১টি নেত্রকোনা-মোহনগঞ্জ যায়। এছাড়া প্রতিদিন ঢাকা থেকে ৩টি লোকাল ট্রেন ময়মনসিংহে আসে। লোকাল ট্রেন ৩টির মধ্যে ১টি ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-গৌরীপুর হয়ে ময়মনসিংহে আসে, অন্য ২টি গফরগাঁও হয়ে ময়মনসিংহে আসে।
১। হোটেল আমিরইন্টারন্যাশনাল
৪৬, ৪৬/এ ষ্টেশন রোড, ময়মনসিংহ
ফোনঃ ০৯১-৫১৫০০, ০৯১-৬৩৩৭৬
০১৭১১১৬৭৯৪৮
ই-মেইলঃhotelamir_2000@yahoo.com
২। হোটেল মোস্তাফিজইন্টারন্যাশনাল
৬/বি গঙ্গাদাস গুহরোড, ফায়ার সার্ভিসের পশ্চিম পাশে, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০৯১-৬৩৮৭০, ০৯১-৬৩৮৭১
৩। হোটেল হেরা ট্রেড সেন্টার
৩৬/বি টাঙ্কপট্টি, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ০১৫৫২৪৭০৭০০
৪। হোটেল খাঁনইন্টারন্যাশনাল
৩৩/এ মহারাজা রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ০৯১-৬৫৯৯৫, ০১৭১৫-২৮১৬৭৮
৫। নিরালা রেষ্ট হাউজ
৬৭ ছোট বাজার, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০৯১-৫৪২৮৫
৬। ঈশা খাঁ হোটেল
গাঙ্গিনারপাড়, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৭২১-১৪৪৯৭৬
৭। হোটেল উত্তরা
গাঙ্গিনারপাড়, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০৯১-৬৪১৮৫, ০১৭১১-৫৭৭৭০৭
৮। রিভার প্যালেস
৩৩৮ তালতলা ডোলাদিয়া, খাগডহর, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০৯১-৬৬১৫০, ০৯১-৬৬১৫১, ০১৭১০৮৫৭০৫৪,
৯। তাজমহল
ষ্টেশন রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৭১৭১৭১৩৩৪
১০। হোটেল বনানী আবাসিক
২৭/এ ছোট বাজার, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৭২৭-৮০৮৬৪৫, ০১৯১২-৭৫৭৩৯১
১১। হোটেল হিলটন আবাসিক
৩১৯ চরপাড়া, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৭১০৩৬৮৫০৯
১২। আল-হেলাল গেষ্ট হাউজআবাসিক
নতুন বাজার, ময়মনসিংহ।
১৩। হোটেল নাইট ষ্টারআবাসিক
১৩/এ পুরোহিত পাড়া, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ০১৭১১৯৩১৮৩৫,
০১১৯১৩৩০১৭২
১৪। হোটেল অবকাশ আবাসিক
এবি গুহ রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ৫৩৮৫৯
১৫। নিউ জাহাঙ্গীর গেষ্টহাউজ আবাসিক
৬২ রামবাবু রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১১৯০২৭৬০২৭
১৬। ঝর্ণা রেষ্ট হাউজআবাসিক
১৪ যাদব লাহিড়ী রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৫৫৮৩০১৯৪৮
১৭। মদিনা গেষ্ট হাউজ আবাসিক
১২ মহারাজা রোড, ময়মনসিংহ।
১৮। মালেক গেষ্ট হাউজ
১৭ জেসি গুহ রোড, ময়মনসিংহ।
১৯। তরুন বোর্ডিং
২৭ দূর্গাবাড়ী রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৭২৪৯০২৪৯৫
২০। নাজমা বোর্ডিং আবাসিক
২৪ এবি গুহ রোড, ময়মনসিংহ।
ফোনঃ ০১৭১২৫৭৯৮৬১
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!