পাথরঘাটা লিলাভুমির পাশে একটি নীচু পাথরের আসন আছে। এটি পীরের আসন হিসেবে পরিচিত। তিনি বক্তব্য দেওয়ার পূর্বে এই পাথরের উপর বসতেন। চৈত্র মাসের প্রথম সোমবার মাজারে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হত। মিলাদের কিছুদিন পর সেখানে মেলা বসত যেটিতে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলমান জড়ো হত। এই মেলাটি পাথরঘাটার মেলা বলে পরিচিত ছিল। এখানে অনেক পাথর পরে থাকতে দেখা যায়। কথায় আছে যে পীর সাহেব অলৌকিকভাবে নদী তলদেশ থেকে পাথরগুলো এনেছিলেন। মাজারের পাশ দিয়ে মৃতপ্রায় তুলশিগঙ্গা নদী বয়ে চলেছে যা দেখতে অনেকটা খালের মত। নদীটিতে স্রোতের অবস্থা এতটাই করুন যে নদীটি যেকোনো দিন মরে যেতে পারে। আপনি এখানে ভ্রমণকালে নদীটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এছাড়াও জায়গাটির আশেপাশে কিছু বিশালাকার বয়স্ক রেইন ট্রি আছে।
নিমাই পীরের দরগা জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে জয়পুরহাট কিভাবে যাবেন ইতিমধ্যেই উল্ল্যেখ করা হয়েছে। পাঁচবিবি উপজেলায় যাওয়ার দিকনির্দেশনা পেতে ক্লিক করুন
ঢাকা থেকে প্রায় ২৫৭.১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জেলায় আপনি বাস অথবা ট্রেনে যেতে পারেন।
এস আর ট্রাভেলসঃ
কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড (কাউন্টার-১):০২-৮০১৩৭৯৩, ০২-৮০১৯৩১২, ০১৭১১-৩৯৪৮০১
আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ডঃ ০১৭১১-৯৪৪০২৩
গাবতলি বাস টার্মিনালঃ ০২-৮০১১২২৬
বিজয় নগর, কাকরাইলঃ ০২-৯৩৫২১১৮
মহাখালি বাস টার্মিনালঃ ০২-৮৮৩৪৮৩৩, ০১৫৫২-৩১৫৮৩১
জয়পুরহাটে ৮টি রেল স্টেশন আছে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন হল ১৮৮৪ সালে ইংরেজ আমলে প্রতিষ্ঠিত জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশন। ঢাকা থেকে সরাসরি কোন ট্রেন জয়পুরহাটে চলাচল করে না তবে দিনাজপুরে চলাচলকারী আন্তঃ নগর ট্রেনে উঠে আপনি জয়পুরহাটে নেমে যেতে পারেন।
দ্রুতযান এক্সপ্রেস
ট্রেন নং: ৭৫৭
ট্রেনের রুট: ঢাকা- দিনাজপুর-ঢাকা
যাত্রাকালীন স্টেশন: ঢাকা
ছাড়ার সময়: সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিট
গন্তব্য: দিনাজপুর
পৌঁছানোর সময়: ভোর ৫:১০ মিনিট
সময় লাগবে: ৯ ঘণ্টা ২০ মিনিট
ট্রেন নং: ৭৫৮
ট্রেনের রুট: দিনাজপুর-ঢাকা-দিনাজপুর
যাত্রাকালীন স্টেশন: দিনাজপুর
ছাড়ার সময়: সকাল ৮:৩০ মিনিট
গন্তব্য: ঢাকা
পৌঁছানোর সময়: সন্ধ্যা ৬:১০ মিনিট
সময় লাগবে: ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
ট্রেনের সুযোগ সুবিধা সমূহঃ
• ⇒ নামাজের ব্যাবস্থা আছে।
• ⇒ আপনি সরকার নির্ধারিত দামে খাবার ও পানীয় পাবেন।
• ⇒ পাবলিক টয়লেট আছে।
• ⇒ বুকলেট ও ম্যাগাজিন পাবেন পড়ার জন্য অবশ্য আপনাকে এসব কিনতে হবে।
• ⇒ প্রয়োজনে এক বগি থেকে অন্য বগিতে হাঁটার ব্যাবস্থা আছে।
• ⇒ সরকারি রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান করবে।
• ⇒ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা খুবই কম।
• ⇒আপনি চাইলে বিলাসিতা অথবা সাশ্রয় করে ভ্রমন করতে পারবেন।
• ⇒ আপনি ট্রেনের জানালা দিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
• ⇒ অন্য যেকোনো পরিবহনের চেয়ে সাশ্রয়ী।
জয়পুরহাটে আপনি নিম্মে বর্ণিত হোটেলগুলোতে উঠতে পারেনঃ
১। পৃথিবী হোটেল, থানা রোড, জয়পুরহাট।
২। হোটেল সৌরভ ইন্টারন্যাশনাল, থানা রোড, জয়পুরহাট।
১. ছবি তুলতে পারেন।
২. সেখানকার পাথরগুলো দেখতে পারেন।
আপনি কাছাকাছি খাবার জন্য রেস্টুরেন্ট অথবা ফাস্টফুডের দোকানের খোঁজ করতে পারেন। আপনি সাথে করে খাবার নিয়েও যেতে পারেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!