নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা
আকর্ষণ সমূহ
তথ্য
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নাম করনের সঠিক তথ্য জানা না গেলেও বৃটিশ শাসন আমল থেকেই প্রাচ্যের ডান্ডি নারায়ণগঞ্জ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে আসছিল। তৎকালীণ নারায়ণগঞ্জ মহকুমার অন্তর্গত ০৩ (তিন) টি পুলিশ ষ্টেশন, নারায়ণগঞ্জ সদর, ফতুল্লা , সিদ্ধিরগঞ্জকে নিয়েই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সৃষ্টি যা ১৯৮৬ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর তারিখে গঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী- বন্দর ও প্রাচ্যের ডান্ডি বলে পরিচিত। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ১৬ কিঃমিঃ দূরে ঢাকা শহরের উপকন্ঠে ২৩.৩৩ এবং ২৩.৫৭ অক্ষাংশে এবং ৯০.২৬ এবং ৯০.৪৫ দ্রাঘিমাংসে অবস্থিত। উত্তরে ও পশ্চিমে ঢাকা জেলা, দক্ষিনে মুন্সীগঞ্জ ও পূর্বে শীতলক্ষ্যা নদী। পশ্চিম সীমানার কিছু অঞ্চল দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদী এবং দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলে ধলেশ্বরী নদী প্রবাহিত হচ্ছে। এ উপজেলা ঢাকার সন্নিকটে অবস্থিত একটি বর্ধিষ্ণু শিল্পাঞ্চল। এ উপজেলার উপর দিয়ে ঢাকা - চট্টগ্রাম, ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ মহাসড়ক ও ঢাকা মুন্সিগঞ্জ মহাসড়ক অতিক্রম করেছে। এ উপজেলায় ছোট বড় দুই সহস্রাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ০৭ টি ইউনিয়ন ও ০১ টি সিটি কর্পোরেশন (আংশিক) নিয়ে এ উপজেলা গঠিত। এ উপজেলার নামকরণ সম্পর্কে মতান্তর আছে। বহুল প্রচলিত জনশ্রুতি আছে যে, নবাবী আমলে মুর্শীদাবাদ থেকে নেপথে ঢাকা যাতায়াত কালে নবাব বা তাদের অধীনস্থ কর্মচারী- সৈন্যসামন্ত এখানে তাবু ফেলে বিশ্রাম গ্রহন করত। তাছাড়া কিছু কিছু কর্মচারী খাজনা আদায়ের জন্য এ এলাকায় বসবাস করত। ফলে ধীরে ধীরে জনবসতি বৃদ্ধি পেলে গঞ্জ গড়ে উঠে।
Where to stay০১। হোটেল মেহেরান মোঃ রিয়াজ উদ্দিন সনাতন পাললেন রোড, নারায়ণগঞ্জ। ০২। হোটেল সোনালী মোঃ গিয়াস উদ্দিন ১নং রেলগেট সনাতন পাল রোড, নারায়ণগঞ্জ ০৩। হোটেল নারায়ণগঞ্জ মোঃ সেলিম মিয়া ১নং সিরাজউদ্দৌলা রোড, নারায়নগঞ্জ ০৪। হোটেল সুগন্ধা মোঃ হাসান জহির লিয়াকত সুপার মার্কেট,১২/২০ দিগু বাবুর বাজার,নারায়ণগঞ্জ ০৫। হোটেল মীনা মোঃ আফতাব হোসেন ১৬ মহিম গাঙ্গুলী রোড,টানবাজার, নারায়নগঞ্জ ০৬। হোটেল সুরমা বাবুল মিয়া ১৭ নং শহীদ সোহরাওয়াদী রোড, নারায়নগঞ্জ ০৭। হোটেল রুপায়ন শাহাদাৎ হোসেন ৬ নং এস,এস রোড, নারায়ণগঞ্জ।
How to goনারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সড়ক, নৌ ও রেলপথে যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে সড়ক পথে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে খুব সহজে যাতায়াত করা যায়। তাছাড়া এ উপজেলার দুই দিকে রয়েছে শীতলক্ষা ও বুড়িগঙ্গা নদী। ফলে নদী পথে যাতায়াত ব্যবস্থাও খুব সহজ। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ উপজেলার বুক চিরে একটি রেল পথ রয়েছে। যে রেল পথ দিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ গামী রেল চলাচল করে। ফলে খুব সহজে রেল পথেও যাতায়াত করা যায়।