নাটোর জেলার অর্ন্তগত বাগাতিপাড়া উপজেলার ২নং জামনগর ইউনিয়নে ছোট্র একটি গ্রাম জামনগর। বর্তমানে এটি মুসলিম অধ্যুষিত হলেও অতি প্রাচীন কাল হতে জামনগর গ্রামটি ছিল হিন্দু অধ্যুষিত। তাদের মধ্যে কামার, কুমার, জেলে, শাওতাল ও শাখারীর বসবাস অন্যতম। প্রায় ২০০ বছর ধরে অদ্যাবধি নিজ নিজ পেশার কার্যক্রম চালিয়ে তারা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কালের বির্বতনে শাখারী ছাড়া অন্যান্য পেশাজীবিদের সংখ্যা দাঁড়িয়ে কোনটা শূন্যের কোটায় এবং কোনটা অতি নগন্য। তাই শাখাশিল্পের নামানুসারে একটি পাড়ার নাম হয়েছে শাখারীপাড়া। বর্তমানে উক্ত গ্রামে শাখারীদের প্রায় ১১০ টি পরিবার সঙ্খ শিল্পের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।
কেউ হাতে ঘসে, কেউ মেশিনের দ্বারা ঘসার কাজ চালিয়ে চুড়ি ও আংটি তৈরী করে দেশের বিভিন্ন জেলায় যেমন রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নওগা সহ দেশের হিন্দু প্রধান এলাকায় ফেরী করে বিক্রি করে যে উপার্জন হয় তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ ও ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালায়। এক জোড়া শাখার চুরি ২০০ টাকা হতে ২০০০/-টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হচ্ছে। হস্তশিল্পের কারুকার্য্য করে বাজারে বা ফেরী করে পুজি গুছিয়ে বাইরোটেশনে পুনরায় শংখ ক্রয় করে মেশিন দিয়ে কাটা এবং চুরি ঘসার কাজ করতে মাস ঘুরে যায়। ২/১ জন এলসির মাধ্যমে শ্রীলংকা থেকে শংখ আমদানী করে।
নাটোর থেকে সিএনজি নিয়ে বাগাতিপাড়ায় জামনগর গ্রামে যেতে পারেন এই শাখাশিল্প দেখার জন্য।
ঢাকা হতে ঢাকা – রাজশাহী পথে সড়ক পথে নাটোর জেলায় নামতে হবে , আবার নাটোর হতে সড়ক পথে বাগাতিপাড়া উপজেলা হেড কোয়ার্টার । অন্যভাবেও পৌছাঁ যায় , যেমন – ঢাকা হতে রাজশাহী সড়ক পথে নাটোর জেলার বনপাড়া তিন রাস্তা মোড়ে নেমে সড়ক পথে কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট হয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলা হেড কোয়ার্টার।
ঢাকা কমলাপুর রেল স্টেশন অথবা বিমান বন্দর স্টেশন হতে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর রেল স্টেশনে নেমে সরক পথে বাগাতিপাড়া উপজেলায় পৌছাঁ যায়। স্থানীয়ভাবে নাটোর রেলস্টেশন হয়ে মালঞ্চি রেলস্টেশনে নেমে উপজেলা হেড কোয়ার্টারে পৌঁছা যায় । আবার রাজশাহী রেলস্তেশন হয়ে লোকমানপুর রেল স্টেশন অথবা আব্দুলপুর স্টেশন হয়েও বাগাতিপাড়া উপজেলা হেড কোয়ার্টারে পৌঁছা যায়।
১। জেলা পরিষদ ডাক বাংলো
ঠিকানাঃ বাগাতিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের বাস ভবন ও উপজেলা পরিষদ মসজিদ সংলগ্ন
১। আপনি অটোরিক্সা বা ভ্যান রিসার্ভ করে নিতে পারেন, কারন জামনগর থেকে আসার সময় কোন যানবাহন না পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।
২। আপনি তমালতলা বাজারে বড়বাঘা মাজার শরিফও ঘুরে দেখতে পারেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!