সিরাজগঞ্জের যমুনা ইকো পার্ক দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পরে আছে, অথচ যা কিনা হতে পারতো দেশি বিদেশী পর্যটকদের জন্য একটি লোভনীয় স্থান। ঢাকা থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত পার্কটিতে আছে ৫০ প্রজাতিরও অধিক কাঠগাছ, ফল ও ঔষধি বৃক্ষ এবং একটি চিড়িয়াখানা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং অতিথিরা মনে করেন প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা এবং প্রচারণার অভাবে পার্কটি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারছেনা।
এই জেলার অধীনে যমুনা সেতুর পশ্চিমে সয়েদাবাদে ৬০০ একর জমির ওপর স্থাপিত বঙ্গবন্ধু যমুনা ইকো পার্কটি জনগনের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০০৮ সালে। কিন্তু কত্পক্ষের যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে পার্কটি পর্যটক আকৃষ্ট করতে পারছে না। সম্প্রতি এই প্রতিবেদক পার্কটিতে গিয়ে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন পর্যটক দেখতে পান এবং দেখেন পার্কটি অনেকই অবহেলিত অবস্থায় পরে রয়েছে। পার্কটিতে চারটি খাঁচা সমেত একটি ছোট চিড়িয়াখানা আছে। যেখানে মাত্র দুইটি রুগ্ন সজারু, কিছু বানর এবং খরগোশ কোনমতে থাকতে পারে।
উন্মুক্ত করার সময় পার্কটিতে সাতটি চিত্রা হরিন অবমুক্ত করা হয় এবং পাঁচ বছরে তাঁদের সংখ্যা চারগুন বেড়ে যায়। যেহেতো পার্কে কোন পুকুর খনন করা হয়নি তাই খাবার পানির তীব্র সঙ্কটে প্রাণীগুলো কষ্ট পাচ্ছে বলে সূত্রে জানা যায়। পার্কের বন্যপ্রাণী দেখাশোনার কাজে নিয়োজিত ইব্রাহিম খলিল জানান পার্কে দুইটি ময়ুর ছিল কিন্তু কয়েক মাস পূর্বে ময়ূরগুলো অসুস্থ হয়ে পরায় তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ইব্রাহিম খলিল বলেন “পর্যটকদের মধ্যে অনেকেই বিশেষ করে শিশুরা পশুপাখি দেখতে ভালবাসে তাই এই জাতীয় আরও প্রাণী চিড়িয়াখানায় আনা যেতে পারে এবং যথাযথভাবে দেখভাল করলে সরকারও এখান থেকে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় করতে পারে”।
সূত্র: মির্জা শাকিল, দি ডেইলি স্টার, টাঙ্গাইল।
প্রকাশকালঃ শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৩।
আপনি ইকো পার্কে সরাসরি যাওয়ার জন্য বাস অথবা প্রাইভেট কার (যেটি নেওয়াই ভাল) নিতে পারেন।
বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে লৌহজং নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলার নাম টাঙ্গাইল। ঢাকা বিভাগে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলার উত্তরে জামালপুর জেলা, দক্ষিনে ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলা, পূর্বে ময়মনসিংহ এবং গাজীপুর জেলা এবং পশ্চিমে সিরাজগঞ্জ জেলা অবস্থিত। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল প্রায় ৮৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে কালিয়াকৈর এবং টঙ্গী হয়ে টাঙ্গাইলে পৌছাতে প্রায় ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট সময় লাগবে।
১। নিরালা পরিবহন ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে উভয়পথে নন-এসি চেয়ার কোচ পরিচালনা করছে।
নিরালা পরিবহনের ঢাকা কাউণ্টার:
আব্দুল্লাহপুর বোর্ড বাজার বাস কাউণ্টার
মোবাইলঃ০১৭১১৫৯৫৭৭৬
ঢাকা থেকে বাস ছাড়ার স্থান সমূহ:
• মহাখালি
• আজমপুর
• আবদুল্লাহপুর
ঢাকা থেকে পরিবহনের ভাড়াঃ
ঢাকা থেকে বাসে করে টাঙ্গাইলে যেতে প্রায় ১৫০/- টাকা খরচ হবে।
২। ধলেশ্বরী সিটিং সার্ভিস
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে চলাচল করে
ভোর ৫:৩০ মিনিট থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বাস ছেড়ে যায়।
ভাড়াঃ ৯০/- টাকা
ধরনঃ চেয়ার কোচ
ঠিকানাঃ মহাখালি কাউণ্টার, মহাখালি ঢাকা
৩। আল-রাফি পরিবহন
ঠিকানাঃ সায়েদাবাদ কাউণ্টার
ফোনঃ ০১১৯৫৩৭৪৩৬১, ০১৭১১৩৫৭১৮২
বিবিধ:
• আপনাকে অবশ্যই যাত্রার অন্তত ১৫ মিনিট পূর্বে বাসস্ট্যান্ডে পৌছাতে হবে।
• যাত্রীরা কোনভাবেই তাঁদের সাথে কোনরকম অবৈধ জিনিস বহন করতে পারবেন না।
• বাসে ধূমপান করা নিষেধ।
• বাসস্ট্যান্ডে দেরিতে আসার কারনে বাস ছেড়ে দিলে টিকেটের দাম ফেরত দেওয়া হবে না।
টাঙ্গাইলে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে। এসবের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ
১। পলাশ হাউজ/ নাইট গন্ধা রেসিডেনসিয়াল হোটেল
মসজিদ রোড, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৩১৫৪
২। আল ফয়সাল হোটেল রেসিডেনসিয়াল
মসজিদ রোড, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৩৯১৮
৩। হোটেল সাগর রেসিডেনসিয়াল
নিউ মার্কেট রোড, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৪৩০৮
৪। আফরিন হোটেল
মসজিদ রোড, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৯১৬৭৮২৩৮৯
৫। এস এস রেস্ট হাউজ
আকুরাতাকুর পাড়া, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৫১৮০
৬।পল্লী বিদ্যুৎ রেস্ট হাউজ
টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৩৩৯০
৭।এলজিইডি রেস্ট হাউজ(সরকারি)
টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৪২৬১
৮। সুগন্ধা হোটেল
পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৬৭৪-৩৪৬৮১৫
৯। নিরালা হোটেল
নিরালা মোড়, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৬১৩৬৩
১০। পিয়াসি হোটেল
নিরালা মোড়, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৭১১-৩৫২৪৯৩
১১। হোটেল কিছুক্ষন
নিরালা মোড়, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২১-৫৫২১৯
১২। হোটেল আদিত্য(আবাসিক)
মধুপুর, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৭১৬-৭৯৬০৬৫
১৩। হোটেল ড্রিম টাচ (আবাসিক)
মধুপুর, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৭১৭২১৮৭৯৯
১৪। শালবন রেসিডেনসিয়াল হোটেল
মধুপুর, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৭১৩৪৬২১০৩
১৫। ইসলামিয়া গেস্ট হাউজ
মধুপুর, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১৯১৭৫৬৬২৩৪
১৬। ভাই ভাই গেস্ট হাউজ
মধুপুর, টাঙ্গাইল
মোবাইলঃ ০১১৯০৯৭৫৫৩৯
১৭। যমুনা রিসোর্ট লিমিটেড
কালীহাতি, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০৯২৩৯-৭৬০৩২-৪
ফ্যাক্সঃ ০৯২৩৯-৭৬০৩২৫
১৮। এলেঙ্গা রিসোর্ট লিমিটেড রেসিডেনসিয়াল হোটেলস
এলেঙ্গা, কালীহাতি, টাঙ্গাইল
ফোনঃ ০২-৯৮৮৪৩২২
ফ্যাক্সঃ ০২-৯৮৮১২৯০
এটি একটি পিকনিক স্পট যেখানে শিশুদের জন্য মিনি চিড়িয়াখানা আছে। সেইসাথে আপনি নদী এবং পার্কের আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
এখানে ভ্রমণকালে আপনাকে সাথে করে খাবার রাখতে হবে।
দয়া করে নিশ্চিত হউন যে আপনার সাথে পর্যাপ্ত খাবার ও পানি আছে। গ্রীষ্ম ও শীতকাল হল এখানে বেড়াতে আসার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সময়। অবশ্য গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলে প্রচণ্ড গরমের জন্য আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!