পচাদীঘি এবং ঘোড়াদীঘি

ধরন: হ্রদ
সহযোগিতায়: ,Nough Eez ,Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাছে এই পচাদীঘি এবং ঘোড়াদীঘি দুটোরই ধর্মীয় এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। এই দীঘির কুমিরগুলোকে স্পর্শ করলেও এগুলো আপনার ক্ষতি করবে না। এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন তাদের ইচ্ছা পূরণের জন্য এবং সেজন্য তারা অনেক উপহারও প্রদান করেন। ইচ্ছাপূরণের ব্যাপারে এখানে আগতদের বিশ্বাস এতটাই দৃঢ় যে তাদের অনেকের ইচ্ছা ইতিমধ্যেই পূর্ণ হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই এখানে মেলা বসে যেখানে অনেক কিছু পাওয়া যায়।


কিভাবে যাবেন

বাগেরহাটে পৌঁছে সিএনজি অটোরিকশা অথবা বাসে করে আপনি এখানে আসতে পারবেন।

কিভাবে পৌঁছাবেন: বাগেরহাট জেলা

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে বাগেরহাটে পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাগেরহাটে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছঃ
১। মেঘনা পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৭১৭৩৮৮৫৫৩
ভাড়াঃ ৩৫০/-টাকা

২। শাকুরা পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১০১০৪৫০
ভাড়াঃ প্রায় ৫০০/-টাকা

৩। পর্যটক পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১১৩১০৭৮
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/-টাকা

৪। সোহাগ পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৮৬৭৯৩০২
ভাড়াঃ ৩৮০/- টাকা

প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা মধ্যে তিনটি লঞ্চ এবং একটি স্টিমার ঢাকার সদরঘাট থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। হুলারহাটে পৌঁছে আপনাকে বাসে করে অথবা ভাড়া গাড়িতে করে সড়কপথে পিরোজপুর হয়ে বাগেরহাটে পৌছাতে হবে।
ঢাকার সদরঘাট থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটের উদ্দেশ্যে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
• আল-খালাদি
• পার্বত
• ফারহানা
• টিপু
ছাড়ার সময়ঃ বিকাল ৫টা
পৌছানোর সময়ঃ সকাল ৯টা
ভাড়াঃ
রেগুলারঃ ১৮০/-টাকা
সিঙ্গেল কেবিনঃ ৫০০/-টাকা
ডবল কেবিনঃ ৮০০/-টাকা

বর্তমানে রাজধানী ঢাকার সাথে বাগেরহাটের আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। তবে, বাগেরহাটে একটি বিমানবন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে। সুতরাং, অদুর ভবিষ্যতেই ঢাকা ও বাগেরহাটের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়।

কোথায় থাকবেন

বাগেরহাটে থাকার জন্য খুব বেশি হোটেল নেই। তবে এখানে রেল রোডে অবস্থিত মমতাজ হোটেলে থাকতে পারেন। এই হোটেলটিতে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান মোটামোটি ভাল এবং খরচও একটু বেশি। এছাড়া এই হোটেলের আশেপাশে থাকার জন্য আরো কিছু হোটেল রয়েছে।

কি করবেন

দীঘি দুটোর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এই দীঘি দুটো অনেক বছর আগে খনন করা হলেও এখনো দেখতে আগের মতই আছে।

খাবার সুবিধা

এখানে আশে পাশে খাওয়ার জন্য হোটেল ও রেস্টুরেন্ট পাবেন। তবে আপনি সাথে করে খাবার রাখতেও পারেন।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন