এস এম সুলতানের নামেই সবাই নড়াইলকে চিনে থাকে। ছোটবেলা থেকেই মহান ব্যাক্তিত্বের অধিকারী এই মানুষটির পুরো নাম শেখ মোহাম্মাদ সুলতান। ১৯২৩ সালের ১০ই আগস্ট তিনি জন্মগ্রহন করেন এবং ১৯৯৪ সালের ১০ই অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। এই স্মৃতি জাদুঘরে একটি আর্ট গ্যালারি রয়েছে যেখানে এস এম সুলতানের আঁকা চিত্রকর্মগুলো রাখা আছে। জাদুঘরের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলার বেশীরভাগ জুড়েই রয়েছে শিল্পীর আঁকা চিত্রকর্ম। এস এম সুলতান সবসময় তাঁর কাজগুলো সংরক্ষণ করা নিয়ে চিন্তা করতেন। এস এম সুলতান একটি নৌকায় করে চিত্রানদীতে প্রমোদ ভ্রমনে যেতেন। এই জাদুঘরের বাইরে নদীর পাশেই সেই নৌকাটি রাখা আছে।
খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলায় এস এম সুলতান স্মৃতি জাদুঘর অবস্থিত। নড়াইলে পৌঁছে ভ্যান অথবা রিকশায় করে এই জাদুঘরে আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে সরাসরি সড়কপথে নড়াইলে পৌছাতে পারবেন। তবে রাজধানী থেকে সরাসরি আকাশপথে এবং নদীপথে নড়াইলে যাওয়ার ব্যবস্থা নেই। তাই বাসে করে এই জেলায় পৌঁছানো সবচেয়ে সুবিধাজনক মধ্যম। ঢাকা থেকে নড়াইলে চলাচলকারী বাসগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। হানিফ এন্টারপ্রাইজ
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ৮০১১৭৯
২। ঈগলপরিবহন
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ০৪৪৯৪৪১৩৬৭৩
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/- টাকা
৩। সাদ সুপার ডিলাক্স পরিবহন
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ০১৭২৭৫২১৪১৪
ভাড়াঃ প্রায় ৩১০/-টাকা
নড়াইলে উন্নতমানের থাকার ব্যবস্থার অভাব রয়েছে এবং এই সেক্টরে জেলাটির উন্নয়ন সাধন করা প্রয়োজন। তবে, এখানকার কিছু হোটেল সম্পর্কে তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। সম্রাট আবাসিক হোটেল
যোগাযোগঃ ০১১৯৮০৫২৭৮৯
২। মডার্ন আবাসিক হোটেল
যোগাযোগঃ ০১৯১৭৮৩৫০২৮
৩। সার্কিট হাউজ
যোগাযোগঃ ০৪৮১-৬২২৬৮
জাদুঘরটি দেখার পাশাপাশি চিত্রা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
জাদুঘরে খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। তাই আপনাকে আশেপাশে হোটেল অথবা রেস্টুরেন্ট খুঁজে নিতে হবে।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!