উয়ারি-বটেশ্বর

ধরন: প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা
সহযোগিতায়:
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

দীর্ঘ খননের পর এখানে প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরাতন একটি শহর আবিষ্কৃত হয়। মাটির ৬০০ মিটার গভীরে মাটির তৈরি একটি দেয়াল এবং চারটি উঁচু প্রতিরক্ষামুলক বাঁধ পাওয়া যায়। প্রাচীন প্রতিরক্ষামুলক বাঁধের বেশীরভাগ ধ্বংস হয়ে গেলেও কিছু স্থানে এখনও পাঁচ থেকে সাত ফুট উঁচু দেয়ালের প্রমান পাওয়া যায়। প্রতিরক্ষা দেয়ালটি পরিখা দিয়ে ঘেরা ছিল তবে সময়ের সাথে সাথে পরিখাগুলো ভরাট হয়ে যায় এবং স্থানটি ধানক্ষেতে পরিণত হয়।

উয়ারি-বটেশ্বর দুর্গের পশ্চিম এবং দক্ষিন-পশ্চিম দিকে অসম রাজার গড় নামে পরিচিত ৫.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ, ২০ মিটার প্রশস্ত এবং ১০ মিটার উঁচু একটি মাটির তৈরি দেয়াল রয়েছে। এখন পর্যন্ত পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত উয়ারি-বটেশ্বর শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫০টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো থেকে প্রতীয়মান হয় যে প্রাচীনকালে মানুষেরা বন্যামুক্ত অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল যা থেকে সেসময়ের মানুষের শহরভিত্তিক পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারনার প্রমান পাওয়া যায়। ভারতের উত্তর প্রদেশের আল্লাহবাদ অঞ্চলে এবং বগুড়ার মহাস্থানগড়ে (পুণ্ড্রনগরে) একই ধরনের বসতির নিদর্শন দেখা যায়। উয়ারি বটেশ্বরে আবিষ্কৃত বাকি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো মাটির নীচে রয়েছে। ধারনা করা হয় যে, এই এলাকায় বসবাসকারীরা কৃষির উপর ভিত্তি করে জীবনধারন করেছিল এবং তাঁদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত খাদ্য শস্য এখানে বসবাসকারী ব্যবসায়ী, পাদ্রী এবং রাজ্যের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাহিদা পুরন করত।

সাম্প্রতিক সময়ে খননকালে উয়ারি-বটেশ্বর থেকে বেশকিছু বৌদ্ধ বিহার, প্রাচীন পদ্ম মন্দির, এবং উল্টো পিরামিডের নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়। তবে, স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ না করার কারনে এসব নিদর্শন আবারো মাটির নীচে চাপা পড়েছে।

প্রাচীন এই অঞ্চলের বাসিন্দারা উন্নত প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সাথে পরিচিত ছিল। যেমনঃতারা পাথর কেটে পুতি তৈরি করেছিল। খননের পর এখান থেকে মূল্যবান পাথরের পুতি তৈরির কাচামাল, এবং বিভিন্ন আনুষঙ্গ আবিষ্কৃত হয় এবং এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে হয়ত সেসময় এখানে পুতি এবং তাবিজ তৈরির বড় কোন কারখানা ছিল।

এছাড়া এখানকার অধিবাসীরা বিভিন্ন রাসায়নিক দিয়ে পালিশের কাজও করেছিল। মৃৎশিল্পের কাজ করার সময় উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করা ছাড়াও এখানকার অধিবাসীরা ধাতু গলিয়ে পয়সা তৈরি এবং লোহাকে প্রক্রিয়াজাত করতে পারতো।

উয়ারি-বটেশ্বর এবং অসম রাজার গড়ের অবস্থান থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে এখানকার অধিবাসীদের জ্যামিতিক জ্ঞান শুধু প্রখরই ছিলনা বরং তারা কারিগরি এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞানও ধারন করতেন এবং বেশকিছু কারিগরি কর্মকাণ্ডে তাঁদের শৈল্পিক এবং সৌন্দর্যবোধ ছিল চোখে পরার মত। এখানকার অধিবাসীদের ব্যবহার করা কাল রঙের পলিশ শহরের সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত ছিল।

এখানকার বাসিন্দাদের ব্যবহার করা কালো পলিশের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছিল উপমহাদেশের দ্বিতীয় নগরায়নের সময়কার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে। বলা হয়ে থাকে যে দ্বিতীয় নগরায়নের সময় শাসক এবং ব্যবসায়ীদের চাহিদা মেটাতে এসব কালো পলিশ উৎপাদন করা হত। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর উপস্থিতির কারনে ধারনা করা যায় যে উয়ারি-বটেশ্বর ছিল একটি নদী বন্দর এবং বাণিজ্য কেন্দ্র।

অকীক, ফটিক, জ্যাসপার, কার্নেলিয়ান, এমেথিসট, চালেসদনি প্রভৃতি মূল্যবান রত্ন দিয়ে তৈরি মূল্যবান পাথরের পুতি আবিষ্কারের ফলে ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিন এশিয়া বিষয়ক প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ চক্রবর্তী মনে করেন উয়ারি বটেশ্বর সম্ভবত একটি ‘সুয়ানগর’ অর্থাৎ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল যা দ্বিতীয় শতকের প্রখ্যাত ভুগলবিদ টলেমি উল্লেখ করেছিলেন।

উয়ারি-বটেশ্বরে প্রাপ্ত স্যানডউইচ আকারের কাঁচের পুতি, মসৃণ মৃৎপাত্র, গুলবসান গুদাম, কাল পলিশ, বিভিন্ন ধরনের পুতি, তাবিজ এবং কানের দুল থেকে প্রতীয়মান হয় যে এই অঞ্চলটির সাথে সমসাময়িক ভারতীয় উপমহাদেশের কিছু স্থানের এবং দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া ও ভুমধ্য অঞ্চলের যোগসূত্র ছিল। উয়ারি-বটেশ্বরে ক্যালকোলিথিক সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় প্রমান মেলে কালো ও লাল রঙের বিভিন্ন পণ্য এবং মাটি খুঁড়ে আবাস গড়ার অভ্যাস থেকে। ভারতের মহারাষ্ট্রের ইনামগাঁওয়ে মাটিতে গর্ত করে আবাস গড়ার বেশকিছু নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে এবং জাতিগত প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা থেকে দেখা যায় যে এই অঞ্চলে এখনও গর্ত করে আবাস গড়ার সংস্কৃতি বিরাজমান। অর্ধ-শুস্ক ইনামগাঁওয়ে মাটিতে গর্ত করে আবাস গড়ার প্রমান মিললেও উয়ারি-বটেশ্বরে এরকম চর্চা বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে কেনোনা বর্তমান প্রেক্ষাপটে উয়ারি-বটেশ্বরের মত একটি বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে এ জাতীয় গর্ত করে আবাস গড়া কতটুকুই বা বাস্তবসম্মত ছিল কেননা ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে খোরা গর্তগুলো সহজেই পানিতে ভরে যেতো। প্রত্নতত্ত্বভিত্তিক সাহিত্য থেকে জানা যায় যে প্রায় ১৫০০ অথবা ১০০০ সালের পূর্বে ভারতীয় উপমহাদেশের আবহাওয়া ছিল শুস্ক।

উয়ারি-বটেশ্বরে দুই ধরনের মুষ্টাঘাত চিন্হিত রৌপ্যমুদ্রা আবিষ্কৃত হয়। এক ধরনের মুদ্রা হল জনপদ অথবা মুয়ারন পূর্ববর্তী মুষ্টাঘাত চিন্হিত রৌপ্যমুদ্রা। উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ৬০০ থেকে ৪০০ সাল পর্যন্ত জনপদ নামক মুদ্রার প্রচলন ছিল। জনপদ নামক মুদ্রার আবিষ্কারের ফলে ধারনা করা হয় যে উয়ারি-বটেশ্বর ভারতীয় উপমহাদেশের সদোশা মহাজনপদ রাজ্যের (খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ৬০০ থেকে ৪০০ সাল পর্যন্ত) অংশ ছিল। উয়ারি-বটেশ্বরে সাম্প্রতিক খননকালে ক্যালকোলিথিক সংস্কৃতির মানব সভ্যতার প্রমান পাওয়া যায়।


কিভাবে যাবেন

ঢাকার গুলিস্তান, মহাখালি, বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড, আব্দুল্লাহপুর, টঙ্গী থেকে নরসিংদীর মরজাল পর্যন্ত চলনবিল, বাদশা ও বিআরটিসি এসি বাস চলাচল করে। এসব বাসের ভাড়া প্রায় ১২০/- টাকা থেকে ১৪৫/- টাকা। মরজাল থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে আপনি উয়ারি-বটেশ্বরে পৌছে যেতে পারবেন।

কিভাবে পৌঁছাবেন: নরসিংদী জেলা

নরসিংদী জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত। বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এই জেলা দিয়ে অতিক্রম করেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে এই জেলায় যেতে মাত্র এক ঘণ্টা সময় লাগে। বেশকিছু নদী নরসিংদীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এই জেলার নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থাও বেশ উন্নত। বাংলাদেশের অন্যতম ব্যস্ত দুটি রেলপথ (ঢাকা-চট্রগ্রাম এবং ঢাকা-সিলেট) এই জেলার উপর দিয়ে চলে গিয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন বাস টার্মিনাল থেকে নরসিংদীর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বাস চলাচল করে। যেমনঃ গুলিস্তান থেকে চলাচল করে ন্যাশনাল এক্সপ্রেস (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত)ও বিআরটিসির (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত) বাস। এছাড়া সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে চলাচল করে মনোহরদী পরিবহন, আনা সুপার সার্ভিস, বিআরটিসির বাস এবং মহাখালি বাস টার্মিনাল থেকে পিপিএল, চলনবিল ট্রান্সপোর্ট, আরাবিয়ান ট্রান্সপোর্ট, বাদশা পরিবহনসহ বিভিন্ন বাস চলাচল করে।

ঢাকা থেকে নরসিংদীতে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। ন্যাশনাল পরিবহন
১৮, খাজা সুপার মার্কেট কাউণ্টার, ফোনঃ ৮০২৩০৯২
কল্যাণপুর কাউণ্টার, ফোনঃ ০১৭১৩২২৮২৮৬
কলাবাগান কাউণ্টার, ফোনঃ ৯১৪৩৩৭২
গাবতলি কাউণ্টার (খ-২২), ফোনঃ ৯০০৫৮৪৪

২। আল-মোবারোকা ট্র্যাভেলস
সেকশন# ১১, লেন# ১৫, ব্লক# এ, বাসা# ১৩, মিরপুর, ঢাকা
ফোনঃ ৯০১০৫২৯, ৮০১০৮১৩,৭৫১৫৮৮৮
৩। বিআরটিসি
বিআরটিসি বাস ডিপো, কমলাপুর, ঢাকা
ফোনঃ ৯৩৩৩৮০৩, ৯০০২৫৩১

৪। ঈগল পরিবহন
ঢাকার কাউণ্টারসমূহঃ
গাবতলি বাস টার্মিনাল, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
আরামবাগ কাউণ্টার (নটরডেম কলেজের বিপরীতে)
ফোনঃ ০২-৮০১৭৬৯৮, ৯০১৩২২৪, ৮৩৫৩২০০, ৮৯৫৯৮২০, ৯১১৬৮৩৭, ৭১০১৫০৪, ০১১৯৯২৪৫৭৩৯

৫। খালেক এন্টারপ্রাইজ
ক-২৫৯/বাগবাড়ি (পুরাতন বিউটি সিনেমা হলের সামনে), এশিয়ান হাইওয়ে, গাবতলি, মিরপুর, ফোনঃ ০২-৮০১৫২৬২
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৮০১৫২২৪
মৌচাক বুথঃ ২৩৬, মালিবাগ (ফুজি কালারের পেছনে), ফোনঃ ০২-৯৩৪৫৮০৪

ঢাকা থেকে নরসিংদী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ উন্নত। ঢাকা থেকে সড়কপথে নরসিংদীর দূরত্ব ৫৯.৪ কিলোমিটার। রেলযোগে ঢাকা থেকে নরসিংদী যেতে সময় লাগবে প্রায় দেড় ঘণ্টা। শুধুমাত্র নরসিংদী জেলাতেই রয়েছে ১০টি রেলস্টেশন। ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম ও সিলেটে চলাচলকারী বিভিন্ন ট্রেন নরসিংদীতে যাত্রা বিরতি করে। এছাড়া তিতাস কমিউটার এবং এগারসিন্দুর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে সরাসরি নরসিংদীতে চলাচল করে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য ক্লিক করুন http://bdallinfo.com/trains-from-narsingdi/

কোথায় থাকবেন

নরসিংদীতে থাকার জন্য বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হোটেল, গেস্ট হাউজের মধ্যে রয়েছেঃ
১। নরসিংদী সার্কিট হাউজ (সরকারি)
ফোনঃ ০২৯৪৬২০৮৩, ০১৭৩৫৮৪০২৯৪

২। জেলা পরিষদ পোস্টাল বাংলো (সরকারি)
পোস্টাল বাংলো সড়ক, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬৩৭৬৫
মোবাইলঃ ০১৭১২-৫২১২৭৪

৩। ডাক বাংলো (সরকারি)
সড়ক ও জনপথ বিভাগ, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬৩১৮১

৪। রেস্ট হাউজ (সরকারি)
সিভিল সার্জনের কার্যালয়, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬২২৬০

৫। রেস্ট হাউজ (সরকারি)
এলজিইডি কার্যালয়, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬২২৬০

৬। ইউএমসি জুট মিলস (সরকারি)
কাউরিয়াপাড়া, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬৬৫১

৭। হোটেল নিরালা (আবাসিক)
লাইব্রেরি পট্টি, নরসিংদী মার্কেট, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬৩৩৯৩
মোবাইলঃ ০১৭১১১৯৬৬৯৯

৮। হোটেল আল আরাফাত (আবাসিক)
২১৫/১, সিএন দাবি রোড, বাসস্টেশন, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬৩৩৯৩
মোবাইলঃ ০১৭১২১৩০১৩৯

৯। হোটেল মমতাজ
পাতিলবাড়ি সড়ক, নরসিংদী
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৫২১২০

১০। হোটেল আজিজ (আবাসিক)
পাতিলবাড়ি সড়ক, নরসিংদী
মোবাইলঃ ০১৭১২০৭০২৩১

১১। হোটেল রিয়াজ (আবাসিক)
পাতিলবাড়ি সড়ক, নরসিংদী
ফোনঃ ০২৯৪৬৫১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬০৯০৪৫

১২। হোটেল তানিম (আবাসিক)
পাতিলবাড়ি সড়ক, নরসিংদী
ফোনঃ ৯৪৬৩৯৮২
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৯১৬১৪৩

১৩। হোটেল আল মামুন (আবাসিক)
বাজির মোড়, নরসিংদী
মোবাইলঃ ০১৭১১৩৪১৯৪০

কি করবেন

১। মরজাল থেকে উয়ারি-বটেশ্বর পর্যন্ত লটকন ফলের বাগান এবং অসংখ্য কাঁঠাল গাছ দেখতে দেখতে যেতে পারেন। বাগানের সবুজ সজীবতা আপনার অবশ্যই ভাল লাগবে।

২। উয়ারি-বটেশ্বরে খনন করার সময় (ডিসেম্বর থেকে মার্চ) ভ্রমন করলে এখানে মাটির নীচে অবস্থিত বিশেষ ভবন ও স্থাপনার ছবি তুলতে পারবেন।

৩। এখানকার বাজার থেকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তাজা ফল ও সবজি কিনতে পারেন।

খাবার সুবিধা

নরসিংদীতে খাওয়ার ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন 

ভ্রমণ টিপস

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন