ক্ষুদ্র বুনন শিল্পের জন্য বালিয়া ভাকুটিয়া গ্রামের সুখ্যাতি রয়েছে। এখানে শাড়ি, লুঙ্গি, গামছাসহ বিভিন্ন ধরনের কাপড় তৈরি করা হয়। এছাড়া ঝাপা বাউর এবং খাজুরা বাউর নদী দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকায় রামপুর গ্রামকে অনেকটা দ্বীপের মত দেখায়। এ কারনে এই গ্রামটি একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। এছাড়া এই অঞ্চলে দিয়ে কপোতক্ষ নদী প্রবাহিত হয়েছে।
দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় যশোরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ উন্নত। আপনি মোটরচালিত বাহনে করে মাত্র ৩০ মিনিটেই এই জেলার যেকোনো উপজেলায় যেতে পারবেন। এখানকার মানুষ দীর্ঘপথে যাত্রার জন্য বাস এবং ট্রেন ব্যবহার করলেও কাছাকাছি যাতায়াতের জন্য রিকশা এবং মানবচালিত বিভিন্ন বাহন ব্যবহার করে। এছাড়া পণ্য পরিবহনের জন্য এই অঞ্চলে ‘নসিমন’ নামক একটি বাহন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
ঢাকার গাবতলি থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়। আপনার সুবিধার্থে এসব বাস সম্পর্কে কিছু তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। হানিফ এন্টারপ্রাইজ
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ৮০১৬০৪০, ৮০১১৭৫৯
ভাড়াঃ প্রায় ২৮০/- টাকা
২। সোহাগ পরিবহন
গাবতলি বুকিং বুথ, ফোনঃ ৮০১১৯৯৮, ৮০১২১৪৮
ভাড়াঃ প্রায় ২৮০/- টাকা
৩। ঈগল পরিবহন
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ৮০১৭৬৯৮, ৮০১৭৩২০
ঢাকা থেকে আকাশপথে যশোরে যাওয়া যায়। ঢাকা ও যশোরের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
• ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ
৩৯২৫/- টাকা থেকে টিকেটের দাম আরম্ভ
• রিজেণ্ট এয়ারওয়েজ
৩৮০০/- টাকা থেকে টিকেটের দাম আরম্ভ
• নভো এয়ার লিমিটেড
৫৪০০/- টাকা থেকে টিকেটের দাম আরম্ভ হলেও এখানে ডিসকাউণ্টে ৪৮০০/-টাকা এবং ৪৩০০/- টাকায় টিকেট পাবেন। এছাড়া, ৪০০০/- টাকায় বিশেষ টিকেট পাবেন।
ঢাকা থেকে প্রতিদিন দুপুর ১২:৩০ মিনিটে আন্তঃনগর ট্রেন যশোরের পথে ছেড়ে যায়। এছাড়া খুলনাগামী ট্রেনে উঠেও যশোরে নেমে যেতে পারেন।
প্রথম শ্রেণীর ভাড়াঃ প্রায় ৮৫/- টাকা।
সাধারণ শ্রেণীর ভাড়াঃ ৩৫/- টাকা।
যশোরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের হোটেল পাবেন। এসব রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনার সুবিধার্থে প্রদান করা হলঃ
• বাঁচতে শেখা (এনজিও এবং গেস্টহাউজ), ফোনঃ +৮৮০৪২১৬৮৮৫
• হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল, ফোনঃ +৮৮০৪২১৬৭৪৭৮
• হোটেল ম্যাগপাই, ফোনঃ +৮৮০৪২১৬৮৭২২
• হোটেল মিড টাউন, ফোনঃ +৮৮০১৭১১৯৪০১৬০
• গ্র্যান্ড হোটেল, ফোনঃ +৮৮০৪২১৭৩০৩৮
• হোটেল আর এস, ফোনঃ +৮৮-৪২১৬১৮৮১
1. ঝাপা বাওড় এবং খাজুরা বাওড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
2. কপোতক্ষ নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
আপনি এখানে অবস্থিত একটি ছোট মার্কেটে যেতে পারেন এবং এখান থেকে স্থানীয়ভাবে তৈরি নানা ধরনের সামগ্রী কিনতে পারবেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!