কুমিল্লায় দুটি প্রধান নদী রয়েছে। একটি হল মেঘনা নদী এবং অপরটি গোমতী নদী। শুকনা মৌসুমে গোমতী নদীতে পানির স্তর খুবই কম থাকে। তবে গোমতী নদীতে সাঁতার কাটলে আপনি বুঝতে পারবেন যে নদীতে পানির প্রবাহ মোটেই কম নয়।
কুমিল্লার ওয়ার সিমেট্রি থেকে গোমতী নদীর পাড় মাত্র ১৫/- টাকা রিকশা ভাড়ার পথ অথবা আধা কিলোমিটার হাঁটাপথ। নদীটি কুমিল্লা শহরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের যেকোনো স্থান থেকে আপনি এই নদী দেখতে যেতে পারবেন।
কুমিল্লার সাথে সারাদেশের রয়েছে চমৎকার পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে কুমিল্লায় যাওয়া যায়। কুমিল্লায় একটি বিমানবন্দর থাকলেও বর্তমানে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে না।
ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ৯৭ কিলোমিটার। আপনি বাসে করে সড়কপথে কুমিল্লায় পৌছাতে পারবেন। আপনার সুবিধার্থে কুমিল্লায় চলাচলকারী বাসগুলো সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
১। উপকুল রয়্যাল
কমলাপুর বাসস্ট্যান্ড
যোগাযোগঃ ০১৯৮১-০০২৯৩২, ০১৯৮১-০০২৯৪২
২। তিশা
সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড
যোগাযোগঃ ০১৭৩১-২১৭৩২২
৩। বিআরটিসি
কমলাপুর বাসস্ট্যান্ড
যোগাযোগঃ ০১৭৭০-৪৯৩৭৭৫
৪। প্রাইম সার্ভিস
হ্যাচেল রোড
যোগাযোগঃ ০২-৯৫৫৪৪৯৬
সকাল ৬:১৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রতি ১৫ মিনিটে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়।
বাস ভাড়াঃ প্রায় ২২০/-টাকা
ঢাকা থেকে চট্রগ্রামগামী ট্রেনে করে কুমিল্লায় পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রেন কুমিল্লা হয়ে চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কুমিল্লায় যাওয়ার জন্য ট্রেনের মধ্যে রয়েছেঃ
মহানগর প্রভাতি
ছাড়ার সময়: সকাল ৭:৪০ মিনিট
পৌঁছানোর সময়ঃ দুপুর ২৩০ মিনিট
ট্রেনে করে প্রায় আড়াই ঘণ্টায় কুমিল্লায় পৌঁছে যাবেন।
আপনার সুবিধার্থে কুমিল্লায় থাকার জন্য কিছু হোটেল ও গেস্টহাউজ সম্পর্কে নিম্নে তথ্য প্রদান করা হলঃ
১। আশিক রেসিডেনসিয়াল রেস্ট হাউজ
ঠিকানাঃ ১৮৬, নজরুল এভিনিউ কুমিল্লা
যোগাযোগঃ ৬৮৭৮১
২। হোটেল আবেদিন
ঠিকানাঃ স্টেশন রোড কুমিল্লা
যোগাযোগঃ ৭৬০১৪
৩।হোটেল নুরজাহান
ঠিকানাঃ ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, কুমিল্লা
যোগাযোগঃ ৬৮৭৩৭
৪। হোটেল সোনালি
ঠিকানাঃ কান্দিরপাড় চত্বর, কুমিল্লা
যোগাযোগঃ ৬৩১৮৮
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!