Sundarbans

ধরন: Forest
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

Satkhira region is mainly famous for the Sundarbans. Sundarbans is most large single block of tidal mangrove forest in the world. It lies between the vast Bay of Bengal Ocean and rivers of the Ganges and the Brahmaputra, it spreads across Bangladesh and West Bengal in India. The waters of these rivers mix with the ocean water and so in this part of their flow the rivers are brackish or saline. Water covers the forest-islands twice a day during high tide.

It is considered a World Heritage site by UNESCO. The forest is mostly popular for incredible plants and wildlife. Trees having roots can breathe directly from the air. There are numerous species and it is mostly famous for Royal Bengal tiger. The forest safeguards people of north from cyclones and tsunami waves. Previously, the islanders were allowed to go into the forest to collect firewood, honey, crab and fish but now these activities have been banned by the governments of both Bangladesh and West Bengal.


কিভাবে যাবেন

সাতক্ষীরা থেকে সুন্দরবনের দূরত্ব ৬৬ কিলোমিটার। সাতক্ষীরা থেকে সুন্দরবনে যাওয়ার নির্দেশনা পেতে এখানে ক্লিক করুন http://bit.ly/1he6D8G. ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন এবং লঞ্চে সরাসরি খুলনা যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এসি এবং ননএসি দুধরনের বাসই চলাচল করে। ঢাকা থেকে সোহাগ পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ এবং ঈগল পরিবহন নিয়মিত চলাচল করে খুলনার উদ্দেশ্য। ভোর ৬ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত গাড়ীগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা থেকে সড়ক পথে খুলনা পৌছাতে সময় লাগে ৭ ঘন্টা ৪৫ মিনিট। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন কোম্পানীর লঞ্চ নিয়মিত যাতায়াত করছে খুলনার উদ্দেশ্যে।

কিভাবে পৌঁছাবেন: Khulna District

ঢাকা থেকে সরাসরি সড়কপথে খুলনায় যেতে পারবেন। ঢাকা ও খুলনার মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

১। হানিফ এন্টারপ্রাইজ
গাবতলি টার্মিনাল, ফোনঃ ৮০১৫৩৬৬, ৮০১১৭৫০, ৯০০৩৩৮০
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/-টাকা

২। গ্রিন লাইন (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত):
ফকিরাপুল কাউণ্টার, ফোনঃ ৯৩৫৬৫০৬
সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ফোনঃ ৭৫৫২৭৩৯
কলাবাগান কাউণ্টার, ফোনঃ ৯১১২২৮৭
ভাড়াঃ প্রায় ৬০০/-টাকা

৩। ঈগল পরিবহন:
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ৮০১৭৬৯৮,৮০১৭৩২০, ০৪৪৯৪৪১৩৬৭৩
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/-টাকা

ঢাকার সাথে খুলনার নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা ও খুলনার মধ্যে রকেট স্টিমার প্রতি সোমবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার চলাচল করে।
ফোনঃ ০৪১-৭২৫৭৫৩
ডেকের ভাড়াঃ ১৮০/-টাকা
প্রথম শ্রেণীর কেবিন (দুই আসন বিশিষ্ট), ভাড়াঃ ২৩৮০/-টাকা
প্রথম শ্রেণীর কেবিন (এক আসন বিশিষ্ট), ভাড়াঃ ১১৯০/-টাকা
দ্বিতীয় শ্রেণীর কেবিন (দুই আসন বিশিষ্ট), ভাড়াঃ ১৮৮০/-টাকা
দ্বিতীয় শ্রেণীর কেবিন (এক আসন বিশিষ্ট), ভাড়াঃ ৭২০/-টাকা

ঢাকার সাথে খুলনার রেলপথে যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা ও খুলনার মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
সুন্দরবন এক্সপ্রেসঃ শুক্রবার ব্যাতিত প্রতিদিন চলাচল করে;
ভাড়াঃ ২৩৫/- টাকা থেকে ১০৫৬/- টাকা
চিত্রা এক্সপ্রেস: সোমবার ব্যাতিত প্রতিদিন চলাচল করে;
ভাড়াঃ ২২৫/- টাকা থেকে ৭২০/-টাকা

কোথায় থাকবেন

আপনার সুবিধার্থে খুলনায় থাকার জন্য কিছু হোটেল এবং রেস্টহাউজ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হলঃ
১। সিএসএস রেস্ট হাউজ
যোগাযোগঃ ০৪১-৭২২৩৫৫

২। হোটেল ক্যাসেল সালাম
যোগাযোগঃ ০৪১-৭৩০৭২৫

৩। হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনাল
যোগাযোগঃ ০৪১-৮১৩০৬৭-৯

৪। প্ল্যাটিনাম জুট মিলস লিমিটেড রেস্ট হাউজ, ফোনঃ ০৪১-৭৬২৩৩৫

কি করবেন

ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে আপনি রয়েল বেঙ্গল টাইগার নদীতে সাঁতরে যেতে দেখতে পারেন অথবা কুমিরকে নদীর পাড়ে গা শুকাতে দেখতে পারেন। এছাড়া সুন্দরবনে প্রকৃতির সজীবতায় আপনি সব ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলার সুযোগ পাবেন। পাখিপ্রেমীদের জন্য সুন্দরবন আদর্শ স্থান। এই ম্যানগ্রুভ বনটি এবং এখানকার জীববৈচিত্র্য এখানকার নদীগুলোর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।
সুন্দরবনে ভ্রমণকালে নিম্নের স্থানগুলো ঘুরে দেখতে পারেনঃ
১। তিন কোনা দ্বীপ: এখানে হরিণ ও বাঘ দেখতে পাবেন।

২। হীরণ পয়েন্ট: হীরনপয়েন্টে গিয়ে কাঠের তৈরি ওয়াকওয়ে ধরে বনের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে বানর, হরিণ, গুইসাপ অথবা কুমিরের ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্য দেখা যাবে। হীরণপয়েন্ট ছাড়াও টাইগার পয়েন্ট, বুড়িগোয়ালিনী, হারবাড়িয়া প্রভৃতি এলাকায় ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখাও মিলে যেতে পারে।

৩। কাটকা বিচ: কাটকাতে ৪০ ফুট উচ্চ একটি টাওয়ার আছে যেখান থেকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। একটি সুন্দর সমুদ্র সৈকত আছে এখানে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার হতে ফেরার সময় হেঁটে বীচের সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। কাটকা থেকে কাচিখালী (বাঘের জায়গা) পর্যন্ত প্রচুর ঘাস জন্মে বলে অনেক জীবজন্তুর আনাগোনা রয়েছে। এখানে প্রচুর জীবজন্তও দেখা যায়।

৪। জামতলা সৈকত: জামতলায় রয়েছে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। যেখান থেকে বিস্তীর্ণ ছনক্ষেতে হাজার হাজার হরিণের ছোটাছুটি আবার কখনও রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখা যেতে পারে। কচিখালী আর কটকার ঠিক মধ্যবর্তী স্থানের নাম বাদামতলা। বাদামতলা অত্যন্ত নির্জন এক সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটি জামতলা সৈকত নামেও পরিচিত। সিডরের আঘাতের চিহ্ন এই সবুজে ঘেরা অপরুপ সৌন্দর্যের সৈকতটিতে এখনো দেখা যায়। মংলা থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে কচিখালী। সমুদ্র সৈকতের প্রধান আকর্ষণ। কটকার জামতলা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে কচিখালী সমুদ্র সৈকত হয়ে বন বিভাগের কচিখালী স্টেশন পর্যন্ত হাঁটা পথ। এ পথের পাশে ঘন অরণ্যে বাঘ, হরিণ, শূকর, বিষধর সাপ ইত্যাদির এক ছমছম পরিবেশ যা দুঃসাহসী পর্যটকদের জন্য মনোমুগ্ধকর। এ সৈকতে প্রায়ই বাঘের অনাগোনা দেখা যায়।

৫। মান্দারবাড়িয়া সৈকত: মান্দারবাড়িয়ার একদিকে সুন্দরবন অপরদিকে বঙ্গোপসাগরের মায়াবী জলরাশির অবিশ্রান্ত গর্জন যে কোন মানুষকেই দেবে অনির্বচনীয় আনন্দ। মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত প্রকৃতির অপরূপা সুন্দরবন ও উত্তাল বঙ্গোপসাগরের এক রূপসী কন্যা-যা এখনও কিছুটা অনাবিস্কৃত এবং অস্পর্শিত। এখানে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর থেকে মান্দারবাড়িয়া ৭৫/৮০ কিলোমিটার দুরে। সাতক্ষীরা থেকে বুড়িগোয়ালিনীর দুরত্ব ৭৫ কিলোমিটার। বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর পর্যন্ত গাড়ীতে যাওয়া যায়, তার পরের ৭৫/৮০ কিলোমিটার যেতে হবে ইঞ্জিন চালিত নৌকা বা স্পীড বোটে। এই ৭৫/৮০ কিলোমিটার পথের পুরাটাই সুন্দরবনের বুক চিরে যাওয়া বিভিন্ন নদী।

৬। দুবলার চর: দুবলার চর সুন্দরবনের অন্তর্গত একটি ছোট্ট চর। এই চরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী; সেসব নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দুবলার চর একটু ভেতরে অবস্থিত বিধায় কোনো দশনার্থী সহজে এই চরে প্রবেশ করতে পারে না।

খাবার সুবিধা

আপনি সাথে করে খাবার নিতে পারেন অথবা আশেপাশে খাবার হোটেল এবং রেস্টুরেন্টের খোঁজ করতে পারেন।

ভ্রমণ টিপস

সুন্দরবনে যেতে হলে লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে বিভাগীয় বন কার্যালয় (সার্কিট হাউজ রোড, খুলনা, ফোনঃ ২০৬৬৫, ২১১৭৩) থেকে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার পূর্ব অনুমতি নিতে হবে। প্রয়োজনীয় প্রবেশ মূল্য এবং নৌকার ভাড়া সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কার্যালয়/ফরেস্ট স্টেশনে জমা দিতে হবে। পর্যটন মৌসুমে (অক্টোবর থেকে মার্চ) দলবদ্ধভাবে (অন্তত ১০ জনের জন্য) গাইডসহ সুন্দরবন ভ্রমনের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের প্যাকেজ রয়েছে। বিস্তারিত তথ্যের যোগাযোগ করুনঃ ম্যানেজার (ট্যুরস), বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, ২৩৩, বিমানবন্দর সড়ক, তেজগাঁও, ঢাকা, ফোনঃ ৩২৫১৫৫-৫৯, টেলেক্সঃ ৬৪২২০৬;

ট্যুরিস্ট ভেসেল বা নৌযান ছাড়াও সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে হিরণপয়েন্টের নীলকমল এবং টাইগার পয়েন্টের কচিখালী ও কাটকায় বন বিভাগের রেস্টহাউজে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। যার ফি নীলকমলে দেশি পর্যটকদের জন্য প্রতি কক্ষ তিন হাজার টাকা, চার কক্ষ ১২ হাজার টাকা। কচিখালী প্রতি কক্ষ তিন হাজার টাকা, চার কক্ষ ১০ হাজার টাকা। কটকা প্রতি কক্ষ দুই হাজার টাকা, দুই কক্ষ চার হাজার টাকা। বিদেশিদের ক্ষেত্রে নীলকমলে পাঁচ হাজার ও ২০ হাজার টাকা, কচিখালীতে পাঁচ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা এবং কাটকায় পাঁচ হাজার ও ১০ হাজার টাকা। সুন্দরবনের পাশে সাতক্ষীরা শহরে সাধারণ মানের হোটেল ও শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে এনজিও সুশীলনের রেস্টহাউস ও ডরমেটরিতে একক,পরিবার ও গ্রুপ নিয়ে থাকার সুবিধা রয়েছে। মংলায় আছে পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল,পশুর বন্দরে সাধারণ হোটেল আছে পর্যটকদের থাকার জন্য। খুলনা মহানগরে হোটেল রয়েল, ক্যাসেল সালাম, হোটেল টাইগার গার্ডেন, হোটেল ওয়েস্ট ইন্, হোটেল সিটি ইন, হোটেল মিলিনিয়াম ইত্যাদি মানসম্পন্ন হোটেল ছাড়াও সাধারণ মানের হোটেলে সুন্দরবনে ভ্রমণকারীরা অবস্থান করে থাকেন।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন

অন্যদের ওয়েবসাইট থেকে

  • মন উথালপাতাল করা মাওয়া ঘাট পেরিয়ে এই বাস আপনাদের সর্বোচ্চ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টায় মংলায় পশুর নদের পাড়ে নামিয়ে দেবে

  • ঢাকা হতে বাস যোগে শ্যামনগর উপজেলা হয়ে মুন্সিগঞ্জ বাস ষ্ট্যান্ড অথবা বুড়িগোয়ালিনির নীললডুমুর হতে ফরেষ্ট অফিস হতে পাস গ্রহন করে নৌকা অথবা ট্রলার যোগে সুন্দববনে গমন

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন