গোপালগঞ্জ জেলা
আকর্ষণ সমূহ
তথ্য
গোপালগঞ্জ জেলায় পাঁচটি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হলঃ গোপালগঞ্জ সদর, কোটালিপাড়া, কাশিয়ানি, মুকসেদপুর এবং টুঙ্গিপাড়া। এই জেলার মূল শহরও গোপালগঞ্জ নামেই পরিচিত। প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হওয়ায় গোপালগঞ্জকে ১৮৭০ সালে কলকাতা গেজেট অনুযায়ী থানায় রুপান্তর করা হয়। ১৯০৯ সালে সদর, কোটালিপাড়া, কাশিয়ানি, মুকসেদপুরকে নিয়ে গোপালগঞ্জ সাব-ডিভিশন গঠন করা হয়। টুঙ্গিপাড়া এসময় সদরের অধীনে ছিল। ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে রুপান্তরিত হবার পূর্বে ফরিদপুর জেলার অধীনে একটি সাব-ডিভিশন ছিল গোপালগঞ্জ। জনাব সুরেশ চন্দ্র সেন ছিলেন গোপালগঞ্জের প্রথম সাব-ডিভিশনাল কর্মকর্তা (এসডিও)। ১৯৮৪ সালে গোপালগঞ্জ সদরকে ভাগ করে টুঙ্গিপাড়াকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়। স্বাধীনতার পর গোপালগঞ্জকে পৌরসভায় উন্নীত করা হয়। পান্না বিশ্বাস ছিলেন এই পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান।
Where to stayগোপালগঞ্জে থাকার জন্য বিভিন্ন হোটেল ও রেস্ট হাউজগুলোর মধ্যে আছেঃ ১। গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজ যোগাযোগঃ ( নেজারত ) ডেপুটি কালেক্টর ফোনঃ ০২-৬৬৮৫২৩৪, ০২-৬৬৮৫৫৬৫ ২। জেলা পরিষদ কটেজ, গোপালগঞ্জ যোগাযোগঃ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ ফোনঃ ০৬৬৮-৬১২০৪ ৩। হোটেল মধুমতি, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ যোগাযোগঃ জনাব শেখ আহমেদ হোসেন মির্জা ফোনঃ ০২-৬৬৫৬৩৪৯ মোবাইলঃ ০১৭১২-৫৬৩২২৭ ৪। হোটেল রানা, চৌরঙ্গী, গোপালগঞ্জ যোগাযোগঃ জনাব সিরাজ উদ্দিন আহমেদ ফোনঃ ০২-৬৬৮৫১৭২ ৫। হোটেল সোহাগ, পোস্ট অফিস সড়ক, গোপালগঞ্জ যোগাযোগঃ জনাব সোহরাব হোসাইন ফোনঃ ০৬৬৮-৬১৭৪০
How to goঢাকা থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গোপালগঞ্জে সড়কপথে মাওয়া ফেরী ঘাট হয়ে যেতে হবে।
ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ
১। মধুমতি পরিবহন
গোপালগঞ্জ থেকে সায়েদাবাদ/গুলিস্তান ভায়া মাওয়া ফেরীঘাট
মোবাইলঃ ০১৭১৬০১৯৯৩৭ ( গোপালগঞ্জ)
০১৭১১৯০০৬১৯ (ঢাকা)
২। টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস
গোপালগঞ্জ থেকে সায়েদাবাদ/গুলিস্তান ভায়া মাওয়া ফেরীঘাট
মোবাইলঃ ০১৭১৬৪৭৯৬৩১ ( গোপালগঞ্জ)
০১৭১৬২১১৬৪২(ঢাকা)
৩। দোলা পরিবহন
গোপালগঞ্জ থেকে সায়েদাবাদ/গুলিস্তান ভায়া মাওয়া ফেরীঘাট
মোবাইলঃ ০১৭১১৩১১৭৫৬ ( গোপালগঞ্জ)
০১৯৯০৩০১৮১(ঢাকা)
৪। কমফোরট লাইন
গোপালগঞ্জ থেকে সায়েদাবাদ/গুলিস্তান ভায়া পাটুরিয়া ফেরীঘাট
মোবাইলঃ ০১৭১৬৪৫৩০৬১