বধ্যভূমি এবং গনকবর

ধরন: সমাধিক্ষেত্র
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

এই বধ্যভূমি ও গনকবর জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় অবস্থিত। বধ্যভূমিটি অবস্থিত আক্কেলপুর সদর উপজেলার নিকটবর্তী আমুত্ত গ্রামের মাঠে। ১৯৭১ সালে ২২ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে এখানে নিহত হন। শহীদদের স্মরণে এখানে একটি সৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে।

গনকবরটি অবস্থিত আক্কেলপুর উপজেলার পশ্চিম আমুত্ত মৌজাতে। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে আক্কেলপুর উপজেলার রয়েছে বিরাট অবদান। এখান থেকে ৩৮৫ জন মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশ নেন। এখানকার অনেক মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হন। পশ্চিম আমুত্ত মৌজাতে দুইটি গনকবর আছে। বিজয় দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে অনেক মানুষ এখানে আসেন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে।

 


কিভাবে যাবেন

আক্কেলপুর উপজেলার দিক নির্দেশনা পেতে এখানে ক্লিক করুন http://bit.ly/1le2Huh

কিভাবে পৌঁছাবেন: জয়পুরহাট জেলা

ঢাকা থেকে প্রায় ২৫৭.১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জেলায় আপনি বাস অথবা ট্রেনে যেতে পারেন।

এস আর ট্রাভেলসঃ
কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড (কাউন্টার-১):০২-৮০১৩৭৯৩, ০২-৮০১৯৩১২, ০১৭১১-৩৯৪৮০১
আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ডঃ ০১৭১১-৯৪৪০২৩
গাবতলি বাস টার্মিনালঃ ০২-৮০১১২২৬
বিজয় নগর, কাকরাইলঃ ০২-৯৩৫২১১৮
মহাখালি বাস টার্মিনালঃ ০২-৮৮৩৪৮৩৩, ০১৫৫২-৩১৫৮৩১

জয়পুরহাটে ৮টি রেল স্টেশন আছে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন হল ১৮৮৪ সালে ইংরেজ আমলে প্রতিষ্ঠিত জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশন। ঢাকা থেকে সরাসরি কোন ট্রেন জয়পুরহাটে চলাচল করে না তবে দিনাজপুরে চলাচলকারী আন্তঃ নগর ট্রেনে উঠে আপনি জয়পুরহাটে নেমে যেতে পারেন।
দ্রুতযান এক্সপ্রেস
ট্রেন নং: ৭৫৭
ট্রেনের রুট: ঢাকা- দিনাজপুর-ঢাকা
যাত্রাকালীন স্টেশন: ঢাকা
ছাড়ার সময়: সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিট
গন্তব্য: দিনাজপুর
পৌঁছানোর সময়: ভোর ৫:১০ মিনিট
সময় লাগবে: ৯ ঘণ্টা ২০ মিনিট

ট্রেন নং: ৭৫৮
ট্রেনের রুট: দিনাজপুর-ঢাকা-দিনাজপুর
যাত্রাকালীন স্টেশন: দিনাজপুর
ছাড়ার সময়: সকাল ৮:৩০ মিনিট
গন্তব্য: ঢাকা
পৌঁছানোর সময়: সন্ধ্যা ৬:১০ মিনিট
সময় লাগবে: ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট

ট্রেনের সুযোগ সুবিধা সমূহঃ
• ⇒ নামাজের ব্যাবস্থা আছে।
• ⇒ আপনি সরকার নির্ধারিত দামে খাবার ও পানীয় পাবেন।
• ⇒ পাবলিক টয়লেট আছে।
• ⇒ বুকলেট ও ম্যাগাজিন পাবেন পড়ার জন্য অবশ্য আপনাকে এসব কিনতে হবে।
• ⇒ প্রয়োজনে এক বগি থেকে অন্য বগিতে হাঁটার ব্যাবস্থা আছে।
• ⇒ সরকারি রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান করবে।
• ⇒ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা খুবই কম।
• ⇒আপনি চাইলে বিলাসিতা অথবা সাশ্রয় করে ভ্রমন করতে পারবেন।
• ⇒ আপনি ট্রেনের জানালা দিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
• ⇒ অন্য যেকোনো পরিবহনের চেয়ে সাশ্রয়ী।

কোথায় থাকবেন

জয়পুরহাটে আপনি নিম্মে বর্ণিত হোটেলগুলোতে উঠতে পারেনঃ
১। পৃথিবী হোটেল, থানা রোড, জয়পুরহাট।
২। হোটেল সৌরভ ইন্টারন্যাশনাল, থানা রোড, জয়পুরহাট।

কি করবেন

1. গনকবরে দোয়া করতে পারেন।
2. গনকবরে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন।

খাবার সুবিধা

আপনি কাছাকাছি রেস্টুরেন্ট অথবা ফাস্ট ফুডের দোকান খুঁজতে পারেন অথবা সাথে করে খাবার নিয়ে যেতে পারেন।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন