টেংরাগিরির বন

ধরন: বন ও বন্যপ্রাণী
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

৫৬৬১ হেক্টর জমির ওপর অবস্থিত টেংরাগিরির বনে দুইটি অংশ আছে, একটি অংশ হল কুয়াকাটা এবং অপরটি টেংরাগিরি। এই ম্যানগ্রুভ বনে অনেক রকমের গাছপালা ও প্রাণী রয়েছে। গাছের মধ্যে আছে যেমনঃ কেওড়া গাছ, গেওয়া গাছ, বিন গাছ, সুন্দরী গাছ, কাকরা গাছ, গোরান গাছ, হেন্তাল গাছ ইত্যাদি। প্রাণীদের মধ্যে আছে হরিন, বানর, সাপ, কাঁকড়া, শূকর এছাড়াও এখানে অনেক প্রজাতির পাখিও আছে যেমনঃ করালি, হাঁস, বালি, বনবক, গাংচিল ইত্যাদি।


কিভাবে যাবেন

টেংরাগিরি রিজার্ভ ফরেস্ট বরগুনা জেলার তালতটিতে অবস্থিত। কুয়াকাটা থেকে এখানে পৌঁছান সহজ কারন কুয়াকাটা সৈকত থেকে এখানে পৌছাতে মাত্র ৩০ মিনিট-৪০ মিনিট সময় লাগে।

কিভাবে পৌঁছাবেন: বরগুনা জেলা

ঢাকা থেকে বরগুনায় চলাচলকারি বাসগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। আবদুল্লাহ পরিবহন, ফোনঃ ০১৭০০৬২৫৮০৯, ০১৯১২৪২৮৭৯০, ০১৯২৮১৩৭১৪২, ০১৭১৪৬৬২৭৩২ (সায়েদাবাদ কাউনটার), ০১৯১৫৮৪৪৫২৬, ০১৯১৪৪২৪৬৮৭ (বরগুনা সদর কাউনটার)
২। শাকুরা পরিবহন, ফোনঃ ০১১৯০৬৫৮৭৭২ (গাবতলি কাউনটার), ০১৭২৫০৬০০৩৩ (সায়েদাবাদ কাউনটার)
এই বাসগুলোর ভাড়া ৩০০/- টাকা থেকে ৫০০/- টাকার মধ্যে।

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন বিকাল ৫ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে বেশকিছু লঞ্চ বরগুনার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বরগুনা থেকে কিছু লঞ্চ সকাল ১০:৩০ মিনিটে এবং দুপুর ৩ টায় ঢাকায় এসে পৌঁছে।

ঢাকা থেকে বরগুনা যাবার পথে আপনি বরিশাল পর্যন্ত আকাশ পথে যেতে পারেন। ঢাকা থেকে বরিশালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এবং রি রিজনট এয়ারওয়েজসহ বেশ কিছু সংস্থা দ্বিমুখী ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

কোথায় থাকবেন

বরগুনায় থাকার জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে কিছু হোটেল ও রেস্ট হাউজের তথ্য নিম্নে দেওয়া হলঃ
১। জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ (ফোনঃ ০৪৪৮-৬৪১০)
২। খামারবাড়ি রেস্ট হাউজ (ফোনঃ ০৪৪৮-৬৪৪৯)
৩। পানি উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজ (ফোনঃ ০৪৪৮-৬৫৫১)
৪। এভাগ্র সার্ভিস সেন্টার (ফোনঃ ০৪৪৮-৬৭০৮)
৫। গণপূর্ত অধিদফতর (ফোনঃ ০৪৪৮-৬৫০৫)
৬। ইলাজি ডি রেস্ট হাউজ (ফোনঃ ০৪৪৮-৬০৫৪)
৭। সিয়ারাপি রেস্ট হাউজ (ফোনঃ ০৪৪৮-৬০৫১)
৮। হোটেল আলম, ফোনঃ ০৪৪৮-৬২২৩৪
৯। বরগুনা রেস্ট হাউজ, ফোনঃ ০১৭১৮৫৮৮৮৫৬
১০। হোটেল তাজবিন, ফোনঃ ০৪৪৮-৬২৫০৩

কি করবেন

এই বনে আসলে আপনি সাপ, শূকর, হরিন, বানর এমনকি সুন্দরী গাছসহ অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ দেখতে পাবেন। এসবের ছবিও তুলতে পাড়েণ। তাছাড়া, এখান থেকে আপনি নদীর সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন।

খাবার সুবিধা

এখানে কিছু মোটেল, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে আপনি স্থানীয় প্রণালীতে প্রস্তুত করা খাবার পাবেন। তবে খাবারের মান সম্পর্কে খুব বেশী আশা না করাই ভাল।

ভ্রমণ টিপস

 

 

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন