রাজা কেশব রায়ের বসতভিটা

ধরন: প্রাসাদ
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

রাজা কেশব রায়ের বসতভিটা নড়াইল জেলায় অবস্থিত। এখানে অবস্থিত প্রাসাদটি যুবরাজ কেশব রায়ের শাসনকালে নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি একজন মহান রাজা ছিলেন যিনি গরিবদের সহায়তা করতেন। রাজপ্রাসাদের নকশা আপনাকে অবাক করবে। প্রাসাদের অভ্যন্তরীণ নকশাও বেশ নজরকাড়া এবং এখানে বেশ দামী আসবাব রয়েছে। বিশাল এলাকার উপর অবস্থিত রাজপ্রাসাদের চারপাশে প্রচুর গাছ এবং বসার জন্য স্থান রয়েছে। এখানকার প্রাচীন বৃক্ষগুলো দেখে সেগুলোর সৌন্দর্য শুধু উপভোগই করবেন না বরং গাছগুলোর বয়স সম্পর্কেও ধারনা পেয়ে যাবেন।

খুলনা বিভাগে অবস্থিত নড়াইল জেলার উত্তরে মাগুরা জেলা, দক্ষিনে খুলনা জেলা, পূর্বে ফরিদপুর জেলা এবং গোপালগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে যশোর জেলা অবস্থিত। নড়াইল জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ মধুমতি নদী, নবগঙ্গা নদী, ভৈরব নদী, চিত্রা নদী, এবং কাজলা নদী। ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে প্রায় ৫ ঘণ্টায় আপনি নড়াইলে পৌছাতে পারবেন। সড়কের অবস্থা খুবই ভাল হওয়ায় যাত্রাপথে আপনার মোটেও কষ্ট হবে না বরং আপনি পুরো যাত্রাপথই উপভোগ করবেন। ঢাকা ছাড়াও খুলনা অথবা রাজশাহী থেকেও আপনি নড়াইলে আসতে পারবেন তবে এই ক্ষেত্রে আপনার সময় বেশি লাগবে।


কিভাবে যাবেন

কিভাবে পৌঁছাবেন: নড়াইল জেলা

ঢাকা থেকে সরাসরি সড়কপথে নড়াইলে পৌছাতে পারবেন। তবে রাজধানী থেকে সরাসরি আকাশপথে এবং নদীপথে নড়াইলে যাওয়ার ব্যবস্থা নেই। তাই বাসে করে এই জেলায় পৌঁছানো সবচেয়ে সুবিধাজনক মধ্যম। ঢাকা থেকে নড়াইলে চলাচলকারী বাসগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। হানিফ এন্টারপ্রাইজ
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ৮০১১৭৯

২। ঈগলপরিবহন
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ০৪৪৯৪৪১৩৬৭৩
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/- টাকা

৩। সাদ সুপার ডিলাক্স পরিবহন
গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ০১৭২৭৫২১৪১৪
ভাড়াঃ প্রায় ৩১০/-টাকা

কোথায় থাকবেন

নড়াইলে উন্নতমানের থাকার ব্যবস্থার অভাব রয়েছে এবং এই সেক্টরে জেলাটির উন্নয়ন সাধন করা প্রয়োজন। তবে, এখানকার কিছু হোটেল সম্পর্কে তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ

১। সম্রাট আবাসিক হোটেল
যোগাযোগঃ ০১১৯৮০৫২৭৮৯

২। মডার্ন আবাসিক হোটেল
যোগাযোগঃ ০১৯১৭৮৩৫০২৮

৩। সার্কিট হাউজ
যোগাযোগঃ ০৪৮১-৬২২৬৮

কি করবেন

১। এখানে একটি মন্দির দেখতে পাবেন। সম্ভবত এখানকার অধিবাসীরা হিন্দু ছিল এবং তাঁরা এই মন্দিরে প্রার্থনা করতো
২। আপনি শহরে অবস্থিত সুলতান কমপ্লেক্সে যেতে পারেন।
৩। প্রাসাদের পাশেই অবস্থিত লেকে হাঁটতে পারেন।

খাবার সুবিধা

রাজপ্রাসাদে খাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় আপনাকে আশেপাশে খাওয়ার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট খুঁজে নিতে হবে। এছাড়া আপনি সাথে করে খাবার ও পানি নিয়ে যেতে পারেন।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন