বইপত্রে এই মসজিদটির নাম কিসমত মারিয়া হলেও স্থানীয়রা এই মসজিদটিকে দুর্গাপুর মসজিদ নামেই চেনে। কিসমত গ্রামের পাশেই মারিয়া গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় এই মসজিদটির নাম কিসমত মারিয়া মসজিদ।
এই মসজিদটির ইতিহাস সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। মসজিদের ফটকে অথবা অন্য কোথাও কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি। এমনকি সরকারের কাছেও মসজিদের ইতিহাস সম্পর্কিত কোন কাগজপত্র নেই। আরো দুঃখ জনক হলো স্থানীয়রাও এই মসজিদের ইতিহাস সম্পর্কে কিছু মনে করতে পারেনি যা এক রকম রহস্যই বলা যায়।
তবে, এতোটুকু নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে প্রায় কয়েকশ বছর পূর্বে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিসমত মারিয়া মসজিদের উপরিভাগে তিনটি গম্বুজ রয়েছে এবং মসজিদের চারধারে চারটি কারুকাজসম্পন্ন পিলার রয়েছে। এই মসজিদের পূর্বদিকে প্রবেশের জন্য তিনটি ফটক রয়েছে। প্রায় ২ ফুট থেকে ৩ ফুট উঁচু ভিত্তির উপর নির্মিত এই মসজিদের গম্বুজগুলোর সাথে পুরান ঢাকায় অবস্থিত কারতালাব খানের মসজিদের গম্বুজের মিল রয়েছে।
কিসমত মারিয়া মসজিদের দক্ষিন দিকে একটি ছোট ভবন রয়েছে যেটি আমাদের দেশের একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
১। প্রথমেই রাজশাহী শহর থেকে আপনাকে শিবপুর বাজারে আসতে হবে। লোকাল বাসে করে ২৫ মিনিট থেকে ৩০ মিনিটে মাত্র ১০/- টাকা ভাড়ায় শিবপুর বাজারে চলে আসতে পারবেন। শিবপুর বাজারের জিপিএস অবস্থান হলো (২৪°২২’৫২.৭১”উ, ৮৮°৪৬’১২.৭৯”পু)
২। টেম্পো অথবা ভটভটিতে করে শিবপুর বাজার থেকে আপনাকে পালি গ্রামে আসতে হবে। মাত্র ৫/- টাকা ভাড়ায় আপনি এখানে আসতে পারবেন। পালিগ্রামের জিপিএস অবস্থান হলো (২৪°২৪’৪১.৫২”উ, ৮৮°৪৬’৪৩.৭৫”পু)
৩। পালিগ্রাম থেকে ভ্যানে করে কিসমত মারিয়া মসজিদে চলে আসতে পারবেন। মসজিদে যাওয়া আসা উভয় পথের জন্য ভ্যান ভাড়া করে নেওয়াই ভালো অন্যথায় ফেরার সময় আপনাকে হাঁটতে হতে পারে।
ঢাকা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব ২৬১ কিলোমিটার। রাজশাহীতে যোগাযোগ ব্যাবস্থা খুবই উন্নত। এখান থেকে সারা দেশে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশ পথে যাতায়াত করা যায়। রাজশাহী শহরে চলাচলের জন্য আপনি রিকশা ট্যাক্সি ক্যাব, অটো রিকশা, ও ঘোড়ার গাড়ি পাবেন।
রাজশাহীতে দুটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল আছে যেখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের উদ্দেশে এসি এবং নন এসি বাস চলাচল করে। রাজশাহী থেকে সড়ক পথে ঢাকা পৌছাতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের সদর দফতর এই জেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে রাজশাহীতে “সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস”, “পদ্মা এক্সপ্রেস” ও “ধুমকেতু এক্সপ্রেস” চলাচল করে। এছাড়াও রাজশাহী থেকে খুলনা ও দেশের অন্যান্য প্রান্তে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল ট্রেন চলাচল করে।
ইসলামী সাধক হযরত শাহ মখদুম (রঃ) এর নামে নামকরন করা বিমানবন্দরটি রাজশাহী শহর থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত। এখানে ঢাকা এবং সৈয়দপুর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল করে।
১। গ্রীন লাইন(ভলভো), সকাল ৮:৩০ মিনিট, বিকাল ৩:১৫ মিনিট,
রাত ১১:৩০ মিনিট
২। হানিফ এন্টারপ্রাইজ ভোর ৪:৩০ মিনিট থেকে রাত ১১:৩০মিনিট পর্যন্ত
(প্রতি ৩০ মিনিট পরপর )
৩। শ্যামলী পরিবহন ভোর ৫ টা থেকে রাত ১২ টা
(প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর )
৪। মডার্ন এন্টারপ্রাইজ ভোর ৬ টা থেকে রাত ১২ টা
(প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর )
রাজশাহীতে থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল আছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
১। পর্যটন মোটেল।
২। হোটেল আল হাসিব, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া
৩। হোটেল মুন, সাহেববাজার বোয়ালিয়া
৪। হোটেল রাডার
৫। হোটেল হক্’স ইন,বোয়ালিয়া, রাজশাহী
৬। হোটেল জমজম, হেটমোটা, বোয়ালিয়া
৭। হোটেল প্রিন্স, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া
৮। হোটেল সৈকত, লক্ষ্মীপুর,রাজশাহী
৯। ইসলামী আবাসিক হোটেল, লক্ষ্মীপুর, রাজপাড়া
১০। হোটেল সুকন্যা ইন্টারন্যাশনাল, সমবায় সুপার মার্কেট।
১১। হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল,গনকপাড়া
১২। হোটেল স্কাই,মোলপাড়া, বোয়ালিয়া
১৩। হোটেল হ্যাভেন, শারইল বাজার, বোয়ালিয়া
১৪। হোটেল এলিগেনট, গনকপাড়া, বোয়ালিয়া
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!