পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার আমাদের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন নিদর্শন যেটিকে ১৯৮৫ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এখানে ছিল বাংলা এবং মাগাধায় পাল আমলে নির্মিত বৌদ্ধবিহার। বরেন্দি মাগাধার রাজা বিক্রমশিলা এই বৌদ্ধবিহার নির্মাণে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন। এটি একটি ৯২০ ফিট দীর্ঘ বিশাল চারকোণা স্থাপনা যেখানে মোট ১৭৭ টি কক্ষ আছে এবং যেখানে প্রবেশের পথ উত্তর দিকে অবস্থিত। বৌদ্ধ বিহার থেকে পুণ্যস্থান পর্যন্ত পথে দেয়ালের সারি আছে এবং মাঝের পুণ্যস্থানটি ৩ টি স্তরে মাটি থেকে ৭০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।
এটি নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে সড়কপথে পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারের দূরত্ব ২৮২ কিলোমিটার। বাস/ত্যাক্সি/ব্যাক্তিগত গাড়িতে পাহাড়পুর যেতে সময় পরবে ৬.৫ ঘণ্টা এবং ঢাকা থেকে পাহাড়পুরের রুট হবে এমনঃ ঢাকা-সাভার-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-যমুনাসেতু-বগুড়া-নওগাঁ-বদল্গাছি-পাহাড়পুর। এখানে আসতে হলে প্রথমে নওগাঁ পৌঁছে সেখানে থাকার ব্যাবস্থা করতে হবে অথবা বদলগাছি পৌঁছে সেখানকার ডাক বাংলোতে থাকার ব্যাবস্থা করতে হবে।
ঢাকা থেকে নওগাঁর দূরত্ব প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে নওগাঁয় বেশ কিছু বাস চলাচল করে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
ঢাকা থেকে এস আর ট্র্যাভেলসের এসি ও নন এসি বাস নিয়মিত নওগাঁয় যাতায়াত করে।
ঢাকায় এস আর ট্র্যাভেলস এর কাউনটারগুলো হলঃ
১। কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড (কাউনটার-১), ফোনঃ ০২-৮০১৩৭৯৩, ০২-৮০১৯৩১২, ০১৭১১-৩৯৪৮০১
২। আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ড, ফোনঃ ০১৭১১-৯৪৪০২৩
৩।গাবতলি বাস টার্মিনাল, ফোনঃ ০২-৮০১১২২৬
৪।বিজয় নগর, কাকরাইল, ফোনঃ ০২-৯৩৫২১১৮
৫।মহাখালি বাস টার্মিনাল, ফোনঃ ০২-৮৮৩৪৮৩৩, ০১৫৫২-৩১৫৮৩১
৬। কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড (কাউনটার-১), ফোনঃ ০২ ৮০৬০৮৭৬
নওগাঁয় থাকার জন্য বেশকিছু হোটেলের ঠিকানা নিম্নে দেওয়া হলঃ
১। হোটেল আগমনী, মুক্তির মোড়, নওগাঁ, ম্যানেজারঃ মোঃ সালাউদ্দিন পারভেজ, ফোনঃ ০৭৪১-৬৩৩৫১
২। হোটেল অবকাশ-শান্তাহার রোড, নওগাঁ, ম্যানেজারঃ মোঃ আব্দুল আজিজ চৌধুরী, ফোনঃ ০৭৪১-৬২৩৫৬
৩। আফসার গেস্ট হাউস-সদর হাসপাতাল রোড, নওগাঁ, ম্যানেজারঃ মোঃ খায়রুল আলম এডভোকেট, ফোনঃ ০৭৪১-৬৩১৫৩
1. পাহাড়পুর বিহারের স্থাপত্যশৈলী প্রত্যক্ষ করতে পারেন।
2. ঐতিহাসিক স্থানটির ছবি তুলতে পারেন।
3. দলবদ্ধভাবে এসে এখানে পিকনিক করতে পারেন।
পাহাড়পুরের গেস্ট হাউজে খাওয়ার ব্যাবস্থা আছে। নওগাঁ থেকে আসলে আপনার সাথে করে খাবার নিয়ে আসাই ভাল যদিও আশে পাশে কিছু খাবারের দোকান এবং রেস্টুরেন্ট আছে।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!