খাগড়াছড়িতে পৌঁছানোর একাধিক উপায় রয়েছ। ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িতে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ শান্তি, সাউদিয়া, এস আলম, শ্যামলী, ঈগল ইত্যাদি। এসব বাসে প্রায় ৫২০/- টাকা ভাড়ায় ৭ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে পৌছাতে পারবেন। সেইন্ট মারটিন পরিবহন (দিনে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস চলাচল করে) ব্যাতিত ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িতে কোন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস চলাচল করে না।
এছাড়া ঢাকা থেকে চট্রগ্রামগামী বাসে করে অথবা চট্রগ্রাম থেকে বাসে করে খাগড়াছড়িতে যেতে পারবেন। তবে, ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে খাগড়াছড়িতে যাওয়াই ভালো। ঢাকা থেকে পানছড়িতে শুধুমাত্র শান্তি পরিবহন চলাচল করে।
খাগড়াছড়ি থেকে পানছড়ি উপজেলায় বাসে অথবা ব্যাক্তিগত গাড়িতে করে যেতে পারবেন। পানছড়ি থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে বৌদ্ধ মূর্তিতে পৌছাতে পারবেন।
ঢাকা থেকে শ্যামলী , হানিফ ও অন্যান্য পরিবহনের বাসে খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন । ভাড়া নিবে ৫২০ টাকা । শান্তি পরিবহনের বাস দীঘিনালা যায় । ভাড়া ৫৮০ টাকা । এছাড়া BRTC ও সেন্টমার্টিন্স পরিবহনের এসি বাস খাগড়াছড়ি যায়। যোগাযোগঃ
১। সেন্টমার্টিন্স পরিবহন – আরামবাগঃ ০১৭৬২৬৯১৩৪১ , ০১৭৬২৬৯১৩৪০ । খাগড়াছড়িঃ ০১৭৬২৬৯১৩৫৮ ।
২। শ্যামলী পরিবহন – আরামবাগঃ ০২-৭১৯৪২৯১ । কল্যাণপুরঃ ৯০০৩৩৩১ , ৮০৩৪২৭৫ । আসাদগেটঃ ৮১২৪৮৮১ , ৯১২৪৫৪ । দামপাড়া (চট্টগ্রাম) ০১৭১১৩৭১৪০৫ , ০১৭১১৩৭৭২৪৯।
৩। শান্তি পরিবহন- ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির ভাড়া ৫২০ টাকা, দিঘিনালা ৫৮০ টাকা, পানছড়ি ৫৮০ টাকা, মেরুন ৬০০ টাকা, মাইনী ও মারিস্যা ৬৫০ টাকা। সায়দাবাদ থেকে সকাল ৮ টায় একটি গাড়ি খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। রাত ১০ টা থেকে ১১.১৫ পর্যন্ত চারটি গাড়ি যায়। রাত ১০ টার গাড়ি পানছড়ি যায়। রাত ১০.৪৫ এর গাড়ি মাইনী। রাত ১১.১৫ গাড়ি মারিস্যা যায়। সব গুলো গাড়িই সায়দাবাদের সময়ের ১ ঘন্টা আগে গাবতলী থেকে ছেড়ে আসে। সায়দাবাদ – ০১১৯১২১৩৪৩৮। আরামবাগ ( ঢাকা ) – ০১১৯০৯৯৪০০৭ । অক্সিজেন(চট্টগ্রাম) – ০১৮১৭৭১৫৫৫২ ।
চট্টগ্রাম থেকেও খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন । BRTC এসি বাস কদমতলী (চট্টগ্রাম): ০১৬৮২৩৮৫১২৫ । খাগড়াছড়িঃ ০১৫৫৭৪০২৫০৭ ।
১। পর্যটন মোটেলঃ এটি শহরে ঢুকতেই চেঙ্গী নদী পার হলেই পরবে। মোটেলের সব কক্ষই ২ বিছানার। ভাড়াঃ এসি ২১০০ টাকা, নন এসি ১৩০০ টাকা। মোটেলের অভ্যন্তরে মাটিতে বাংলাদেশের মানচিত্র বানানো আছে। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫।
২। গিরি থেবারঃ এটি খাগড়াছড়ি শহরের কাছে খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে অবস্থিত। এখানে সিভিল ব্যক্তিরাও থাকতে পারে। সব রুমই শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত। যার মধ্যে ২ টি ভি আই পি রুম, প্রতিটির ভাড়া ৩০৫০ টাকা। ডাবল রুম ভাড়া ২০৫০ টাকা। একটি সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা। যোগাযোগ : কর্পোরেল রায়হান- ০১৮৫৯০২৫৬৯৪।
৩। হোটেল ইকো ছড়ি ইনঃ খাগড়াপুর ক্যান্টর্মেন্ট এর পাশে পাহাড়ী পরিবেশে অবস্থিত। এটি রিসোর্ট টাইপের হোটেল। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫।
৪। হোটেল শৈল সুবর্নঃ ০৩৭১-৬১৪৩৬ , ০১১৯০৭৭৬৮১২।
৫। হোটেল জেরিনঃ ০৩৭১-৬১০৭১।
৬। হোটেল লবিয়তঃ ০৩৭১-৬১২২০, ০১৫৫৬৫৭৫৭৪৬ , ০১১৯৯২৪৪৭৩০।
৭। হোটেল শিল্পীঃ ০৩৭১-৬১৭৯৫।
খাগড়াছড়িতে বেড়াতে আসলে আপনি এখান থেকে বিভিন্ন ধরনের স্থানীয়ভাবে তৈরি সামগ্রী কিনতে পারেন যেমনঃ গৃহস্থলীর কাজের জন্য বিভিন্ন হাতে তৈরি পণ্য, স্থানীয় আদিবাসীদের হাতে বোনা কাপড় ইত্যাদি।
খাগড়াছড়িতে খাওয়ার জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এখানে কম দামে খাওয়ার জন্য সেরা রেস্টুরেন্ট হল ‘সিস্টেম রেস্টুরেন্ট’। এই রেস্টুরেন্টে অবশ্যই বাঁশ ভাজার স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
শান্তিপুর আরণ্য কুঠিরে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় আপনাকে সাথে করে খাবার ও পানি নিয়ে যেতে হবে।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!