শৈলপ্রপাত

ধরন: জলপ্রপাত / ঝর্ণা
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

বান্দরবান শহর থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে থানচিমুখী সড়কে শৈলপ্রপাত নামক এই ঝর্ণাটি অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঝর্ণাগুলোর মধ্যে শৈলপ্রপাত অন্যতম যেটি দেখতে প্রচুর পর্যটক এসে থাকে। বর্ষাকালে এই ঝর্ণায় পানির প্রবাহ তীব্র আকার ধারন করে। শৈলপ্রপাতের পানি স্বচ্ছ এবং ঠাণ্ডা। এই ঝর্ণার পানি ব্যবহার করতে পারার কারনে শৈলপ্রপাতের কাছে কয়েকটি গ্রাম গড়ে উঠেছে। স্থানীয়রা এই ঝর্ণার পানি পান করা এবং গৃহস্থলীর কাজে ব্যবহার করে। স্থানীয়দের তৈরি হস্তশিল্প সামগ্রী, হাতে তৈরি পোশাক এবং বিভিন্ন খাদ্য বাজারজাতকরনের জন্য শৈলপ্রপাতের কাছে একটি ছোট বাজার গড়ে উঠেছে।


কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে কিভাবে বান্দরবানে পৌছাবেন জানতে এখানে ক্লিক করুন। বান্দরবান শহর থেকে ব্যাক্তিগত গাড়ি অথবা অটোরিকশায় করে আপনি এখানে আসতে পারবেন।

কিভাবে পৌঁছাবেন: বান্দরবান জেলা

ঢাকার সাথে বান্দরবানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি বান্দরবানে যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে বান্দরবানের মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। এস আলম সার্ভিসেস লিমিটেড
যোগাযোগঃ ০৩৪১-৬২৯০২
২। শ্যামলী পরিবহন
যোগাযোগঃ ০৪৪৩৪৪৯৯৩৪
৩। সাউদিয়া পরিবহন
আরামবাগ কাউণ্টার, যোগাযোগঃ +৮৮-০২-৭১০২৪৬৫
গাবতলি কাউণ্টার, যোগাযোগঃ +৮৮-০২-৮০১৮৪৪৫

ঢাকার সাথে বান্দরবানে আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। তবে ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে আকাশপথে গিয়ে সেখান থেকে বাস অথবা ব্যাক্তিগত গাড়িতে করে বান্দরবানে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, নভো এয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রিজেণ্ট এয়ারওয়েজ, ইউইস বাংলা এয়ারওয়েজ।

কোথায় থাকবেন

বান্দরবানে থাকার জন্য হোটেল ও গেস্টহাউজগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। হিলসাইড রিসোর্ট
ঠিকানাঃ চিম্বুক সড়ক, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০১৭৩০০৪৫০৮৩, ০২-৯৮৮৬৯৮৩
২। হোটেল গ্রিনহিল
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, বান্দরবান-৪৬০০
যোগাযোগঃ +৮৮০১৮৫৬৬৯৯৯১০, +৮৮০১৮৫৬৬৯৯৯১১
৩। হোটেল পূরবী
ঠিকানাঃ ভিআইপি রোড, বান্দরবান সদর, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০১৮২৩-৩৪৬৩৮৩, ০৩৬১-৬২৫৩১
৪। হোটেল পাহাড়িকা
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০৩৬১-৬২১৫৫

কি করবেন

আপনি এখানে সন্ধ্যাবেলা সূর্যাস্ত এবং রাতেরবেলা চাঁদের মনোরম আলো উপভোগ করতে পারবেন। শীতকালে পুরো সকাল শৈলপ্রপাত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে।

খাবার সুবিধা

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন

অন্যদের ওয়েবসাইট থেকে

  • প্রায় মাইলখানে পথ পাড়ি দিয়ে নেমে আসা ঝরণাটার নাম শৈল প্রপাত, এখানকার বৈশিস্ট্য হলো ১২ মাস পানি মিলে

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন