বাগেরহাট জেলা

তথ্য

Description

১৮৬৩ সালে যশোরের একটি মহাকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় বাগেরহাটকে। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি খুলনা বিভাগের একটি জেলা হিসেবে উন্নীত হয় বাগেরহাট। ৫৮৮২.১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বাগেরহাট জেলায় নয়টি উপজেলা, তিনটি পৌরসভা, এবং ৭৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। খান জাহান আলী হলেন এই জেলার স্থপতি। ১৪২৯ সালে গুটিকয়েক সৈন্য নিয়ে খান জাহান আলী বাগেরহাটে আসেন এবং বাগেরহাট, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বরিশালকে নিয়ে খলিফাবাদ পরগণা গঠন করেন। এই অঞ্চলের প্রধান প্রশাসনিক দফতর ছিল ষাট গম্বুজ মসজিদে। খান জাহান আলী তাঁর শাসনামলে একটি তাকশাল, বহু মসজিদ এবং লেক নির্মাণ করিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর মহারাজা প্রতাপাদিত্য ক্ষমতায় আসেন। দুটি বিশাল নদী ব্রহ্মপুত্র এবং গঙ্গার মিলনস্থানে অবস্থতি বাগেরহাটে রয়েছে বেশকিছু চমৎকার প্রাচীন স্থাপনা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। বেশকিছু মসজিদের অবস্থানের কারনে এই জেলাকে বলা হয়ে থাকে মসজিদের শহর। ১৫শ শতকে নির্মিত বাগেরহাটের মসজিদগুলো অপরূপ স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন। ১৪৫৯ সালে নির্মিত এই জেলার ষাট গম্বুজ মসজিদটি দেশের অন্যতম অনন্য একটি স্থাপত্যশৈলী। নয়নাভিরাম প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এবং অনন্য নকশার কারনে ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাগেরহাট জেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রুভ ফরেস্ট সুন্দরবন। এছাড়া বাগেরহাটে আরো বেশকিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

Where to stay

বাগেরহাটে থাকার জন্য খুব বেশি হোটেল নেই। তবে এখানে রেল রোডে অবস্থিত মমতাজ হোটেলে থাকতে পারেন। এই হোটেলটিতে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান মোটামোটি ভাল এবং খরচও একটু বেশি। এছাড়া এই হোটেলের আশেপাশে থাকার জন্য আরো কিছু হোটেল রয়েছে।

How to go

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে বাগেরহাটে পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাগেরহাটে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছঃ
১। মেঘনা পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৭১৭৩৮৮৫৫৩
ভাড়াঃ ৩৫০/-টাকা

২। শাকুরা পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১০১০৪৫০
ভাড়াঃ প্রায় ৫০০/-টাকা

৩। পর্যটক পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১১৩১০৭৮
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/-টাকা

৪। সোহাগ পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৮৬৭৯৩০২
ভাড়াঃ ৩৮০/- টাকা

প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা মধ্যে তিনটি লঞ্চ এবং একটি স্টিমার ঢাকার সদরঘাট থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। হুলারহাটে পৌঁছে আপনাকে বাসে করে অথবা ভাড়া গাড়িতে করে সড়কপথে পিরোজপুর হয়ে বাগেরহাটে পৌছাতে হবে।
ঢাকার সদরঘাট থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটের উদ্দেশ্যে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
• আল-খালাদি
• পার্বত
• ফারহানা
• টিপু
ছাড়ার সময়ঃ বিকাল ৫টা
পৌছানোর সময়ঃ সকাল ৯টা
ভাড়াঃ
রেগুলারঃ ১৮০/-টাকা
সিঙ্গেল কেবিনঃ ৫০০/-টাকা
ডবল কেবিনঃ ৮০০/-টাকা

বর্তমানে রাজধানী ঢাকার সাথে বাগেরহাটের আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। তবে, বাগেরহাটে একটি বিমানবন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে। সুতরাং, অদুর ভবিষ্যতেই ঢাকা ও বাগেরহাটের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়।

ভ্রমন প্যাকেজ

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন