টাঙ্গুয়ার হাওড়ের কাছে একটি শান্ত নদী হল বওলাই নদী। ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে উৎপত্তি হওয়া এ নদীর দুইতীরেই কিছু সুদৃশ্য গাছ রয়েছে যেগুলো পানির নীচেই বেঁচে থাকতে সক্ষম। টাঙ্গুয়ার হাওড় দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এই নদীটি সুরমা নদীতে মিলিত হয়েছে। শীতকালে এই নদী অতিক্রম করেই আপনাকে টাঙ্গুয়ার হাওড়ে যেতে হবে। শীতকালে এখানে নানা প্রজাতির পাখি দেখতে পাওয়া যায় যেমনঃ সাদাবক, পানকৌরি, গাংচিল, মাছরাঙ্গা ইত্যাদি। স্থানীয়দের জন্য এই নদীটি পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম। কখনো কখনো এ নদীর ২-৩ মাইল এলাকায় কোন জনমানব দেখতে পাওয়া যায় না।
আপনি সুনামগঞ্জে সরাসরি শুধুমাত্র সড়কপথে যেতে পারবেন কারন সুনামগঞ্জের সাথে রেলপথে, আকাশপথে এবং নদীপথে সরাসরি কোন যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই।
ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জে চলাচলকারি বাসগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। হানিফ এণ্টারপ্রাইজ:
– আরামবাগ কাউণ্টার, ফোন নং: ০১৭১৩-৪০২৬৭১
– সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ফোন নং: ০১৭১৩-৪০২৬৭৩
২। শ্যামলী পরিবহনঃ
– আরামবাগ কাউণ্টার ঢাকা, ফোন নং: ৭১০২২৯১, ০১৯৩৬২৬০২৩
– সায়েদাবাদ কাউণ্টার ঢাকা, ফোন নং: ০১৭১৮০৭৫৫৪১, ৭৫১১০১৯, ৭৫৫০০৭১
৩। মামুন এণ্টারপ্রাইজ:
– সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে রাত ১২:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় বাস ছেড়ে যায়।
– সায়েদাবাদ কাউণ্টার -০১৭১৮৪৩৮৭৩২, জনপথ মোড়-০১৯১৭৭৭০৬১, ফকিরাপুল- ০১৯১২৮৭৪৬৭
এছাড়াও রেলপথে অথবা আকাশপথে আপনি প্রথমে সিলেটে পৌছাতে পারেন। সিলেট থেকে বাসে করে আপনি সুনামগঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টায় পৌছাতে পারবেন।
সুনামগঞ্জে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ
১। হোটেল নুর, পূর্ব বাজার স্টেশন রোড;
২। হোটেল নুরানী, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন রোড;
৩। হোটেল প্যালেস, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন রোড;
৪। সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট;
১। বওলাই নদী এবং টাঙ্গুয়ার হাওড়ে নৌকা ভাড়া করে চড়তে পারেন আপনি। এখানকার পানি এতটাই স্বচ্ছ ও পরিষ্কার যে নদীর তলদেশ দেখতে পাবেন ।
২। এখানে ছবি তুলতে পারেন ।
৩। এখানকার নানা প্রজাতির পাখিদের বৈচিত্র্য উপভোগ করতে পারেন।
এখানকার বাজারের কাছে অবস্থিত রেস্টুরেন্ট থেকে আপনাকে খাবার জোগাড় করতে হবে। পথের পাশের এসব হোটেলে খেয়ে এদেশের বেশীর ভাগ মানুষই অভ্যস্ত। এখানকার খাবার হোটেলগুলো মানসম্পন্ন না হলেও শ্রীমঙ্গল শহরে আপনি ভাল মানের খাবারের হোটেল পাবেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!