বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় ইসলামিক স্থাপনা হলো বুড়িরহাট মসজিদ। মসজিদটি এতটাই সুন্দর যে আপনি নিজ চোখে না দেখলে তা বিশ্বাস করতে পারবেন না। শরিয়তপুরের একটি স্বীকৃত হাট (বাজার) হলো এই বুড়িরহাট। এখানে জন্মেছিলেন বিখ্যাত শিল্পী দাভদা চক্রবর্তী।
[এই স্পটটির জন্য আমাদের আরো বেশি তথ্য প্রয়োজন। আপনার কাছে যদি আরো তথ্য ও ছবি থাকে তাহলে আমদেরকে পাঠিয়ে এই স্পটটিকে আরো বেশি সমৃদ্ধ করতে পারেন]
ঢাকা থেকে ২০৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শরীয়তপুরে সড়কপথে পৌছাতে প্রায় ৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময় লাগবে। ঢাকা থেকে শরীয়তপুরের পথে দিনের ২৪ ঘণ্টাই বাস চলাচল করে।
ঢাকা থেকে মাওয়াঘাটের উদ্দেশ্যে বিআরটিসি, প্রচেষ্টা, ইলিশ, গুনগুন, আজমেরি সহ বেশকিছু বাস চলাচল করে। ঢাকার গুলিস্তানে বিআরটিসির কাউন্টার অবস্থিত এবং মাওয়া যেতে খরচ পরবে ৭০/- টাকা। উত্তরা এবং রামপুরা থেকে ১০০/- টাকা ভাড়ায় আপনি প্রচেষ্টা নামক বাসে মাওয়া যেতে পারবেন। এছাড়া যাত্রাবাড়ি থেকে ৮০/- টাকা ভাড়ায় আপনি ইলিশ, গুনগুন, এবং আজমেরি নামক বাসে করে মাওয়াঘাটে যেতে পারবেন। মাওয়াঘাট থেকে ফেরী, স্পীডবোট, লঞ্চ অথবা ট্রলারে আপনাকে কাওড়াকান্দি অথবা মাঝিকান্দিতে পৌছাতে হবে। এখান থেকে ৮০/- টাকা থেকে ১০০/- টাকা ভাড়ায় লোকাল বাসে করে আপনি শরীয়তপুরে পৌছাতে পারবেন। এছাড়া ৫০০/- টাকা থেকে ১০০০/- টাকা ভাড়ায় আপনি ট্যাক্সিতেও শরীয়তপুরে পৌছাতে পারবেন।
বলা যায় ১৯৯২ সাল পর্যন্ত শরীয়তপুর জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটেও ভাল ছিল না। যে কারনে জেলায় মাত্র ৩ কিলোমিটার সড়ক ছিল। তবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হয়। পূর্বে দেশের অন্যান্য স্থান থেকে শরীয়তপুরে প্রধানত নদীপথে আসতে হত। তবে, ধীরে ধীরে জেলার সাথে দেশের অন্যান্য স্থানের সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকা থেকে শরীয়তপুরে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। গ্লোরি এক্সপ্রেস লিমিটেড
ছাড়ার সময়ঃ সকাল ৯:৩০ মিনিট।
ভাড়াঃ ১৩০/- টাকা
ফোনঃ ০১৯১৩০৬১৫১৫ (আনোয়ার)
ফেরিঘাটঃ
কাঁঠালবাড়ি থেকে মাওয়া ঘাট-
প্রথম ফেরিঃ সকাল ৯:৩০ মিনিট
দ্বিতীয় ফেরিঃ দুপুর ১টা
তৃতীয় ফেরিঃ বিকাল ৪টা
চতুর্থ ফেরিঃরাত ৮টা
ঢাকার সদরঘাট থেকে শরীয়তপুরে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। প্রিন্স অফ আওলাদ
রুটঃ সদরঘাট থেকে শরীয়তপুরের
ছাড়ার সময়ঃ প্রতিদিন রাত ৯টা
২। স্বর্ণদ্বীপ-৭
রুটঃ সদরঘাট থেকে শরীয়তপুরের
ছাড়ার সময়ঃ প্রতিদিন রাত ৯টা
শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউজগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। নুর হোটেল ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক)
প্রযত্নেঃ মোঃ লোকমান হোসাইন (প্রোপ্রাইটর)
ঠিকানাঃ পোস্টঃ পালং, উপজেলাঃ শরীয়তপুর সদর, জেলাঃ শরীয়তপুর;
ফোনঃ ০৬০১-৬১৪৬১
২। চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ (আবাসিক)
প্রযত্নেঃ মাহবুবুর রাহমান ভুঁইয়া(প্রোপ্রাইটর)
ঠিকানাঃ পোস্টঃ পালং, উপজেলাঃ শরীয়তপুর সদর, জেলাঃ শরীয়তপুর;
ফোনঃ ০৬০১-৬১২৫৬
৩। হোটেল শের আলী (আবাসিক)
প্রযত্নেঃ মোঃ শের আলী সর্দার(প্রোপ্রাইটর)
ঠিকানাঃ গ্রামঃ করালতলী, পোস্টঃ ভেদরগঞ্জ, উপজেলাঃ ভেদরগঞ্জ, জেলাঃ শরীয়তপুর;
ফোনঃ ০১৭১১২৪৪৩৭৩
আপনি যদি ভোজনরসিক হয়ে থাকেন তবে শরীয়তপুর আপনার জন্য আদর্শ স্থান কারন এখানে আপনি নানান পদের বিশেষ বিশেষ খাবার খেতে পারবেন যেগুলো খাঁটি উপাদানে প্রস্তুতকৃত। তবে ভোজন রসিক না হলেও আপনি যদি এখানে কিছুদিন অবস্থান করেন তবে এখানকার সুস্বাদু এবং জিভে জল আনা খাবারের কারনে আপনি ভোজন রসিক হয়ে যাবেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!