চর কুকরি মুকরি

ধরন: দ্বীপ
সহযোগিতায়: Nayeem
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিস্তারিত

“দ্বীপ কন্যা” নামে পরিচিত এই চর কুকরি মুকরি হল ভোলার অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান। প্রকৃতিপ্রেমী যেকোনো পর্যটকের কাছে এখানকার ম্যানগ্রুভ জঙ্গল, সাগর এবং বন্যপ্রাণী নিঃসন্দেহে উপভোগ্য। ধারনা করা হয় এই দ্বীপটির উৎপত্তি হয়েছিল চারশ থেকে পাঁচশ বছর পূর্বে।

এই স্পটটি সম্পর্কে আমাদের আরো বিস্তারিত তথ্যের প্রয়োজন। যদি আপনাদের কাছে আরো তথ্য ও ছবি থাকে তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে যোগ করতে পারেন। তথ্য প্রদানকারী হিসেবে আপনার নাম প্রকাশ করা হবে।


কিভাবে যাবেন

ভোলা থেকে চর কুকরিমুকরিতে পৌছাতে আপনাকে ২.৫ ঘণ্টা সড়কপথে যেতে হবে এবং তারপর ৩০ মিনিট নৌকায় চলতে হবে।

কিভাবে পৌঁছাবেন: ভোলা জেলা

বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার একটি হল ভোলা। ভোলার উত্তরে লক্ষ্মীপুর ও বরিশাল জেলা, দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে লক্ষ্মীপুর জেলা, নোয়াখালী জেলা, মেঘনা নদী ও শাহবাজপুর চ্যানেল এবং পশ্চিমে পটুয়াখালী জেলা অবস্থিত।

ঢাকার গাবতলি এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ভোলার উদ্দেশে নিয়মিত বাস ছেড়ে যায়। ভোলায় সড়কপথে যাওয়ার জন্য রয়েছে দুটি পথঃ একটি বরিশাল অতিক্রম করে এবং অপরটি লক্ষ্মীপুরের উপর দিয়ে।

ঢাকা থেকে ভোলায় বেশকিছু লঞ্চ সরাসরি যাতায়াত করে তাই আপনি নদীপথে ভোলা পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে ভোলায় চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
• এমভি ভোলা, ফোনঃ ০৪৯১-৬১২৩৬
• শ্রীনগর, ফোনঃ ০৪৯১-৬২৫২৩
• বালিয়া, ফোনঃ ০১৭১১৯০৫৪৭১
• কর্ণফুলী, ফোনঃ ০৪৯১-৫১৩৫৪
এই লঞ্চগুলো ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিট এবং রাত ৮ টার মধ্যে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং পরদিন ভোর ৬ টা থেকে ৬:৩০ মিনিটের মধ্যে ভোলায় পৌঁছে। এই লঞ্চগুলোতে প্রথম শ্রেণীর ভাড়া ৯০০/- টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ভাড়া ২০০/- টাকা।

কোথায় থাকবেন

ভোলায় থাকার জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা। ভোলা জেলায় একটি সার্কিট হাউজ ছাড়াও প্রতি উপজেলায় রয়েছে উপজেলা পরিষদের অধীনে একটি করে বাংলো। এখানে বেশকিছু বেসরকারি হোটেল ও মোটেলও রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে কিছু হোটেল সম্পর্কে তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ
1. হোটেল আহসান, ফোনঃ ০১১৯১৪২৬৩২২
2. হোটেল জাহান, ফোনঃ ০১৭১৬৮৭৯৯৭৫
3. হোটেল শীষমহল, ফোনঃ ০১৭১৮৩৩৫৩১১
4. হোটেল প্রিন্স, ফোনঃ ০১৭১২৭৬২৩৫৮
5. হোটেল গোল্ডেন প্লাজা, ফোনঃ ০১৭২৬৬৬৭২১৮

কি করবেন

১। এখানে আপনি জঙ্গল সাফারির মাধ্যমে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে পারেন।

২। বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে আপনি চর কুকরিমুকরি বন্যপ্রাণী
অভয়ারণ্যতে রোমাঞ্চকর ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করতে পারেন।

৩। ছবি তুলতে পারেন

খাবার সুবিধা

যদিও দেশী খাবার পাওয়া যায় এমন রেস্টুরেন্ট পাবেন এখানে, তবে খাবারের মান সম্পর্কে উচ্চাশা না রাখাই ভাল।

মানচিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন