ভোলা জেলা

তথ্য

Description

প্রাচীন গঙ্গানদীর একটি বদ্বীপ হল ভোলা। ৩৪০৩.৪৮ কিলোমিটার আয়তনের এই জেলাটি ১৮৪৫ সালে নোয়াখালীর উপ-বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং ১৮৬৯ সালে বরিশালের উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৮৭৬ সালে দৌলতখান থেকে ভোলায় প্রশাসনিক রাজধানী স্থানান্তরিত হয়। ১৯৮৪ সালে ভোলাকে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এই জেলার রয়েছে বিচিত্র সংস্কৃতি। মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর তীরে রয়েছে জেলেপল্লী। প্রতিবছর মাছ ধরার মৌসুমে এই জেলেপল্লীতে উৎসব শুরু হয়। তখন এখানকার নারী ও শিশুরা আঞ্চলিক গান গায় এবং রঙ্গিন সুতা দিয়ে মাছধরার জাল বোনে। এই জেলার বেশকিছু পুরনো জমিদার বাড়ির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল দৌলতখানের কালা রায়ের জমিদারবাড়ি কারন এই জমিদারবাড়িতে পেশাদার সঙ্গীতশিল্পীরা বিনোদনের জন্য সঙ্গীত পরিবেশন করত। অন্যান্য জমিদারবাড়িগুলোর মধ্যে আছেঃ মানিক মিয়ার জমিদারবাড়ি, কুতুব মিয়ার জমিদারবাড়ি, দেউলা তালুকদারের জমিদারবাড়ি, পরান তালুকদারের জমিদারবাড়ি, ইত্যাদি।

Where to stay

ভোলায় থাকার জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা। ভোলা জেলায় একটি সার্কিট হাউজ ছাড়াও প্রতি উপজেলায় রয়েছে উপজেলা পরিষদের অধীনে একটি করে বাংলো। এখানে বেশকিছু বেসরকারি হোটেল ও মোটেলও রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে কিছু হোটেল সম্পর্কে তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ 1. হোটেল আহসান, ফোনঃ ০১১৯১৪২৬৩২২ 2. হোটেল জাহান, ফোনঃ ০১৭১৬৮৭৯৯৭৫ 3. হোটেল শীষমহল, ফোনঃ ০১৭১৮৩৩৫৩১১ 4. হোটেল প্রিন্স, ফোনঃ ০১৭১২৭৬২৩৫৮ 5. হোটেল গোল্ডেন প্লাজা, ফোনঃ ০১৭২৬৬৬৭২১৮

How to go

বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার একটি হল ভোলা। ভোলার উত্তরে লক্ষ্মীপুর ও বরিশাল জেলা, দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে লক্ষ্মীপুর জেলা, নোয়াখালী জেলা, মেঘনা নদী ও শাহবাজপুর চ্যানেল এবং পশ্চিমে পটুয়াখালী জেলা অবস্থিত।

ঢাকার গাবতলি এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ভোলার উদ্দেশে নিয়মিত বাস ছেড়ে যায়। ভোলায় সড়কপথে যাওয়ার জন্য রয়েছে দুটি পথঃ একটি বরিশাল অতিক্রম করে এবং অপরটি লক্ষ্মীপুরের উপর দিয়ে।

ঢাকা থেকে ভোলায় বেশকিছু লঞ্চ সরাসরি যাতায়াত করে তাই আপনি নদীপথে ভোলা পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে ভোলায় চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
• এমভি ভোলা, ফোনঃ ০৪৯১-৬১২৩৬
• শ্রীনগর, ফোনঃ ০৪৯১-৬২৫২৩
• বালিয়া, ফোনঃ ০১৭১১৯০৫৪৭১
• কর্ণফুলী, ফোনঃ ০৪৯১-৫১৩৫৪
এই লঞ্চগুলো ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিট এবং রাত ৮ টার মধ্যে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং পরদিন ভোর ৬ টা থেকে ৬:৩০ মিনিটের মধ্যে ভোলায় পৌঁছে। এই লঞ্চগুলোতে প্রথম শ্রেণীর ভাড়া ৯০০/- টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ভাড়া ২০০/- টাকা।

ভ্রমন প্যাকেজ

কথা বলুন

এই মুহূর্তে অনলাইনে না থাকায় আমরা দুঃখিত! কিন্তু আপনি আমাদের ই-মেইল পাঠাতে পারেন। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব।

আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!

ENTER ক্লিক করুন