ভোলা জেলার মনপুরা থানার একটি ইউনিয়ন হল ঢালচর। মেঘনা নদীদ্বারা পরিবেষ্টিত এই দ্বীপের পূর্বপ্রান্ত ভাঙ্গনের কারনে দিন দিন বিলীন হওয়ার পথে। প্রায় ১৩০০০ মানুষ অধ্যুষিত এই দ্বীপটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মারাত্মক শিকার হয়েছে।
এই স্পটটি সম্পর্কে আমাদের আরো বিস্তারিত তথ্যের প্রয়োজন। যদি আপনাদের কাছে আরো তথ্য ও ছবি থাকে তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে যোগ করতে পারেন। তথ্য প্রদানকারী হিসেবে আপনার নাম প্রকাশ করা হবে।
ঢালচর থেকে নিকটবর্তী ঘাট কচ্ছপিয়া চরফ্যাশন থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার (২২ মাইল) দূরে অবস্থিত।
বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার একটি হল ভোলা। ভোলার উত্তরে লক্ষ্মীপুর ও বরিশাল জেলা, দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে লক্ষ্মীপুর জেলা, নোয়াখালী জেলা, মেঘনা নদী ও শাহবাজপুর চ্যানেল এবং পশ্চিমে পটুয়াখালী জেলা অবস্থিত।
ঢাকার গাবতলি এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ভোলার উদ্দেশে নিয়মিত বাস ছেড়ে যায়। ভোলায় সড়কপথে যাওয়ার জন্য রয়েছে দুটি পথঃ একটি বরিশাল অতিক্রম করে এবং অপরটি লক্ষ্মীপুরের উপর দিয়ে।
ঢাকা থেকে ভোলায় বেশকিছু লঞ্চ সরাসরি যাতায়াত করে তাই আপনি নদীপথে ভোলা পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে ভোলায় চলাচলকারী লঞ্চগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
• এমভি ভোলা, ফোনঃ ০৪৯১-৬১২৩৬
• শ্রীনগর, ফোনঃ ০৪৯১-৬২৫২৩
• বালিয়া, ফোনঃ ০১৭১১৯০৫৪৭১
• কর্ণফুলী, ফোনঃ ০৪৯১-৫১৩৫৪
এই লঞ্চগুলো ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিট এবং রাত ৮ টার মধ্যে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং পরদিন ভোর ৬ টা থেকে ৬:৩০ মিনিটের মধ্যে ভোলায় পৌঁছে। এই লঞ্চগুলোতে প্রথম শ্রেণীর ভাড়া ৯০০/- টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ভাড়া ২০০/- টাকা।
ভোলায় থাকার জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা। ভোলা জেলায় একটি সার্কিট হাউজ ছাড়াও প্রতি উপজেলায় রয়েছে উপজেলা পরিষদের অধীনে একটি করে বাংলো। এখানে বেশকিছু বেসরকারি হোটেল ও মোটেলও রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে কিছু হোটেল সম্পর্কে তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ
1. হোটেল আহসান, ফোনঃ ০১১৯১৪২৬৩২২
2. হোটেল জাহান, ফোনঃ ০১৭১৬৮৭৯৯৭৫
3. হোটেল শীষমহল, ফোনঃ ০১৭১৮৩৩৫৩১১
4. হোটেল প্রিন্স, ফোনঃ ০১৭১২৭৬২৩৫৮
5. হোটেল গোল্ডেন প্লাজা, ফোনঃ ০১৭২৬৬৬৭২১৮
ভোলায় খাওয়ার ব্যাবস্থা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!