মাথুরাপুর মন্দিরকে স্থানীয়রা বলে থাকেন দেউল। দেউলটি দেখতে চাইলে আপনাকে মধুখালী থানায় পৌছাতে হবে। দেয়ালে টেরাকোটার কাজ করা এই দেউলটি উচ্চতা প্রায় ৯০ ফুট। দেউলের বাইরের দেয়ালের গায়ে কাদা দিয়ে তৈরি কিছু মূর্তি খচিত আছে। চন্দনা নদী দেউলের খুব কাছেই অবস্থিত। চাইলে আপনিও নদীর তীর থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
ঢাকার গাবতলি বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন বাস সার্ভিস ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে চলাচল করে থাকে। এসব বাস সার্ভিসের মধ্যে রয়েছেঃ আজমেরি এণ্টারপ্রাইজ, আনন্দ পরিবহন, সূর্যমুখী পরিবহন ইত্যাদি। এসব বাসে ভ্রমন করতে কমবেশি ১৪০/- টাকা থেকে ১৫০/- টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হবে আপনাকে। তবে আজমেরি এণ্টারপ্রাইজে ভ্রমন করলে আপনাকে লঞ্চে করে পদ্মানদী পার হতে হবে যার অর্থ হল নদীর ওপারে গিয়ে আপনাকে বাস বদলাতে হবে।
দেউলটি দেখতে আসতে চাইলে আপনাকে মধুখালী থানায় পৌছাতে হবে। ফরিদপুর থেকে আসলে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে করে মধুখালীতে পৌছাতে পারবেন। এছাড়া মাগুরা এবং ঝিনাইদহ জেলায় যাতায়াতকারী বাসেও চড়তে পারেন। প্রায় ৪০ মিনিটে ২০/- টাকা ভাড়ায় আপনি মধুখালী বাজারে পৌছাতে পারবেন। সেখান থেকে রিকশায় করে আপনি দেউলে পৌছাতে পারবেন। দেউলের আশেপাশে রিকশা পেতে সমস্যা হতে পারে তাই মধুখালী বাজার থেকে যাওয়া আসার জন্য রিকশা ভাড়া করাই শ্রেয়। দেউল দেখতে প্রায় ১০ মিনিট লাগতে পারে। সবমিলিয়ে আপনাকে প্রায় ৩০/- টাকা রিকশা ভাড়া দিতে হবে।
বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে ঢাকা বিভাগের অধীনে অবস্থিত একটি জেলার নাম ফরিদপুর। ২০৭২.৭২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জেলার উত্তর ও পূর্বে পদ্মা নদী এবং নদীর ওপারে মানিকগঞ্জ, ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা অবস্থিত। এছাড়া, ফরিদপুর জেলার পূর্বে মাদারীপুর জেলা, দক্ষিনে গোপালগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে রাজবাড়ি, নড়াইল এবং মাগুরা জেলা অবস্থিত। ঢাকা থেকে টঙ্গী এবং বাইপাইল হয়ে নদী অতিক্রম করে সড়কপথে ফরিদপুরে পৌছাতে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। সড়কপথে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের দূরত্ব ১৩৮ কিলোমিটার।
ঢাকা থেকে ফরিদপুরে এবং ফরিদপুর থেকে ঢাকায় চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। নাবিল পরিবহন
ঠিকানাঃ ১৫/১, পুরাতন গাবতলি, মিরপুর, ঢাকা-১২১৮
ফোনঃ ০২-৯০০৭০৩৬, ০২-৯০১১১৪৩
২। গোল্ডলাইন এবং আজমিরি এন্টারপ্রাইজ (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত; ফরিদপুর-ঢাকা)
ফোনঃ ০৬৩১-৬৬৯৮৮
মোবাইলঃ ০১৭৫৫৫২২২০০, ০১৭৩৩২০৮৮৭
৩। জাকের এন্টারপ্রাইজ (নন এসি বাস সার্ভিস; ফরিদপুর-ঢাকা)
ফোনঃ ০১৭১২৪২৪১৩৪
৪। সাউদিয়া পরিবহন( ফরিদপুর-ঢাকা)
ফোনঃ ০৬৩১-৬৩৬৪৪
মোবাইলঃ ০১৯১৬১৩৬৫৩১, ০১৭১৭৬০৫৫৭৬
ফরিদপুরে থাকার জন্য হোটেল ও গেস্ট হাউজগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। হোটেল র্যাফেলস ইন
বেসরকারি এই হোটেলে ৩২টি কক্ষ রয়েছে
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
ফোনঃ ০৬৩১-৬১১০৬
২। হোটেল লাক্সারি (আবাসিক)
বেসরকারি এই হোটেলে ৬৫টি কক্ষ রয়েছে
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
ফোনঃ ০৬৩১-৬২৬২৩
৩। হোটেল পদ্মা (আবাসিক)
বেসরকারি এই হোটেলে ৪৫টি কক্ষ রয়েছে
মুজিব সড়ক, ফরিদপুর
ফোনঃ ০৬৩১-৬২৬৮৫
৪। হোটেল পার্ক প্যালেস (আবাসিক)
বেসরকারি এই হোটেলে ৩৮টি কক্ষ রয়েছে
ফোনঃ ০১৫৫৬৩২৭০৬৭
৫। হোটেল শ্যামলী (আবাসিক)
বেসরকারি এই হোটেলে ১৩টি কক্ষ রয়েছে
মুজিব সড়ক, ফরিদপুর
ফোনঃ ০৬৩১-৬৪৫৩৮
৬। হোটেল জোনাকি (আবাসিক)
বেসরকারি এই হোটেলে ৪৪টি কক্ষ রয়েছে
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
ফোনঃ ০৬৩১-৬৪১৬৮
৭। আঞ্চলিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট গেস্ট হাউজ
প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
সরকারি এই গেস্ট হাউজে নন এসি কক্ষের ভাড়া ১০০/- টাকা
ফোনঃ ০৬৩২৩৫৬৩২৯
মধুখালীতে খাওয়ার জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। ফরিদপুর জেলায় কোথায় খাবেন সেটি জানতে এখানে ক্লিক করুন ।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!