রুমানাপাড়া একটি আদিবাসীদের গ্রাম যেখান থেকে রুমা খালের উৎপত্তি হয়েছে। এখানে বেশকিছু ঝর্ণা দেখতে পাবেন যেগুলো ৩ ফুট থেকে ৫ ফুট উঁচু। রুমানাপাড়ার কাছেই একটি জমজ ঝর্ণা রয়েছে। এই ঝর্ণাটির কোন নাম না থাকলেও রুমানাপাড়ার কাছে অবস্থিত হওয়ায় স্থানীয়রা এই ঝর্ণাটিকে রুমানাপাড়া ঝর্ণা নামে ডেকে থাকে। রুমানাপাড়ায় যদি আপনি কয়েকদিন থাকতে পারেন তবে এই ঝর্ণায় খুব সহজেই গোসল করতে পারবেন। গ্রামের বাসিন্দারা গোসল ও ধোয়া মাজার কাজে এখানকার ঝর্ণাগুলোর পানি ব্যবহার করে থাকে।
ঝর্ণাটির নীচে একটি ছোট গহ্বর রয়েছে। এখানে আপনি গোসল করার পাশাপাশি সাঁতারও কাটতে পারবেন। ঝর্ণার ঠাণ্ডা পানিতে গা ভেজালে আপনি সত্যিকার অর্থেই অন্যরকম এক অনুভুতি অর্জন করবেন। ঝর্ণার পানিতে নামতে চাইলে আপনাকে হাঁটার মূল রাস্তা থেকে প্রায় ৩০-৪০ ফুট সরু রাস্তায় হাঁটতে হবে। তবে, বর্ষাকালে এই পথে হাঁটা আপনার জন্য একটু কষ্টসাধ্য হবে।
বান্দরবনে নেমে আপনি লোকাল বাসে চড়ে রুমানাপাড়াতে আসতে পারেন যেখানে এই ঝর্নাটি অবস্থিত।
ঢাকার সাথে বান্দরবানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি বান্দরবানে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে বান্দরবানের মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলঃ
১। এস আলম সার্ভিসেস লিমিটেড
যোগাযোগঃ ০৩৪১-৬২৯০২
২। শ্যামলী পরিবহন
যোগাযোগঃ ০৪৪৩৪৪৯৯৩৪
৩। সাউদিয়া পরিবহন
আরামবাগ কাউণ্টার, যোগাযোগঃ +৮৮-০২-৭১০২৪৬৫
গাবতলি কাউণ্টার, যোগাযোগঃ +৮৮-০২-৮০১৮৪৪৫
ঢাকার সাথে বান্দরবানে আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। তবে ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে আকাশপথে গিয়ে সেখান থেকে বাস অথবা ব্যাক্তিগত গাড়িতে করে বান্দরবানে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, নভো এয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রিজেণ্ট এয়ারওয়েজ, ইউইস বাংলা এয়ারওয়েজ।
বান্দরবানে থাকার জন্য হোটেল ও গেস্টহাউজগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১। হিলসাইড রিসোর্ট
ঠিকানাঃ চিম্বুক সড়ক, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০১৭৩০০৪৫০৮৩, ০২-৯৮৮৬৯৮৩
২। হোটেল গ্রিনহিল
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, বান্দরবান-৪৬০০
যোগাযোগঃ +৮৮০১৮৫৬৬৯৯৯১০, +৮৮০১৮৫৬৬৯৯৯১১
৩। হোটেল পূরবী
ঠিকানাঃ ভিআইপি রোড, বান্দরবান সদর, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০১৮২৩-৩৪৬৩৮৩, ০৩৬১-৬২৫৩১
৪। হোটেল পাহাড়িকা
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, বান্দরবান
যোগাযোগঃ ০৩৬১-৬২১৫৫
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!