সিলেট জেলা
আকর্ষণ সমূহ
তথ্য
প্রসিদ্ধ ইতিহাস ছাড়াও সিলেট জেলার রয়েছে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। চা চাষের উপযোগী হওয়ায় এ জেলার চা বাগানগুলোর নজরকাড়া সৌন্দর্য দেশী বিদেশী পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। চা বাগানগুলোর পাশাপাশি সিলেটের জাফলং, লালাখাল, ভোলাগঞ্জ, জইমত্মাপুরে রয়েছে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। নদী ঘেরা এই জেলায় রয়েছে বেশকিছু জলাভুমি যার মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় জলাভুমি হাকালুকি হাওড়ের কিছু অংশও রয়েছে। এখানকার জমি কৃষি কাজের জন্য বিশেষ করে ধান চাষের জন্য উপযোগী। এছাড়াও মাছ ধরার জন্য বেশ কিছু স্থান রয়েছে এই জেলায়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর দিক দিয়েও সিলেট বেশ প্রসিদ্ধ। এখানে বসবাসকারি বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি এবং ভাষা। এখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে মনিপুরী সম্প্রদায়ের মনিপুরী নাচের রয়েছে ব্যাপক খ্যাতি। প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্য, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, চা বাগান, বিভিন্ন রিসোর্ট, হযরত শাহজালাল (রঃ) ও শাহপরাণ (রঃ) এর দরগা সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থান থাকার কারনে সিলেটকে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বললে মোটেও ভুল হবে না।
Where to stayসিলেটে থাকার জন্য বেশকিছু ভালমানের হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলের বেশীরভাগ মাজার রোড, আম্বরখানা, এবং জিন্দাবাজারে অবস্থিত। এসব হোটেলের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ ১। হোটেল ইস্টার্ন গেইট এন্ড পানাহার রেস্টুরেন্ট। ২। হোটেল গুলশান। ৩। হোটেল দরগা ভিউ। ৪। গ্রিনল্যান্ড হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট। ৫। হোটেল সিটি লিঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল। ৬। সুরমা ভ্যালী রেস্ট হাউজ। ৭। হোটেল বাহারাইন রেসিডেনসিয়াল। ৮। হোটেল কুরাইশি রেসিডেন্স। ৯। হোটেল আজমীর। ১০।হোটেল পায়রা। ১১।হোটেল সুপ্রিম। ১২।হোটেল পলাশ। ১৩।হোটেল ওয়েস্টার্ন। ১৪।হোটেল অনুরাগ। ১৫।হোটেল আল-আমীন। ১৬।হোটেল গার্ডেনস ইন। ১৭।হোটেল ফেরদৌস। ১৮।হোটেল পানামা। ১৯।হোটেল গ্রীন। ২০।হোটেল হিলটাউন। ২১।হোটেল রোজভিউ। ২২।হোটেল স্টার প্যাসিফিক। ২৩।হোটেল তাজমহল।
How to goঢাকা থেকে সিলেটে আপনি সড়কপথে, রেলপথে এবং আকাশপথে পৌছাতে পারেন।
ঢাকা থেকে সিলেটের মধ্যে চলাচলকারি বাসগুলোর মধ্যে আছেঃ
১। গ্রীনলাইন পরিবহনঃ
ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়ঃ সকাল ৮:৩০ মিনিটে, সকাল ১০ টায়, বিকাল ৪:১৫ মিনিটে, বিকাল ৫:৩০ মিনিটে এবং রাত ১২:৩০ মিনিটে; ভাড়াঃ ৮৫০/- টাকা (ভলভো), ১১০০/- টাকা (স্কেনিয়া);
২। শ্যামলী পরিবহনঃ
আরামবাগ কাউণ্টার, ঢাকা, ফোনঃ ৭১০২২৯১, ০১৯৩৬২৬০২৩;
সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ঢাকা, ফোনঃ ০১৭১৮০৭৫৫৪১, ৭৫১১০১৯, ৭৫৫০০৭১;
৩। হানিফ পরিবহনঃ
পান্থপথকাউণ্টার, ঢাকা, ফোনঃ০১৭৩৪০২৬৭০
আরামবাগ কাউণ্টার, ঢাকা, ফোনঃ ০১৭১৩৪০২৬৭১
সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ঢাকা, ফোনঃ ০১৭১৩৪০২৬৭৩
৪। টি আর ট্র্যাভেলস
৫। সোহাগ পরিবহন
উপরে উল্ল্যেখিত বাসগুলো প্রতিদিন ভোর ৬:৩০ মিনিট থেকে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকার মালিবাগ রেলগেট, রাজারবাগ এবং সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে সিলেটের পথে ছেড়ে যায়। নন এসি এসব বাসের ভাড়া প্রায় ৫০০/- টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া প্রায় ৮০০/- টাকা থেকে ১০০০/- টাকা।
ঢাকা থেকে সিলেটে বাংলাদেশ বিমান, নভো এয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এবং রিজেণ্ট এয়ারওয়েজ দ্বিমুখী ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এসব বিমান সংস্থার একমুখি পথের ভাড়া পড়বে ৩০০০/- টাকা থেকে ৮০০০/- টাকা পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ১০টির অধিক ফ্লাইট ঢাকা থেকে সিলেটে আসা যাওয়া করে।
ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস এবং উপবন এক্সপ্রেস যথাক্রমে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় ছেড়ে যায়। এছাড়া বিকালবেলা নয়া সংযোজিত কালিনী এক্সপ্রেস সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। রেলপথে সিলেটে পৌছাতে ৭ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। এসব ট্রেনের ভাড়া পরবে শোভন শ্রেণীর আসনের জন্য ২৯৫/- টাকা এবং তাপানুকুল প্রথম শ্রেণীর আসনের জন্য ৬৭৯/- টাকা।
ট্রেনের যাত্রার সময়সূচী:
১।কালিনী এক্সপ্রেসঃ ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় বিকাল ৪ টায়; সিলেটে পৌঁছে রাত ১০:৩০ মিনিটে; বন্ধের দিনঃ শুক্রবার;
২। পারাবত এক্সপ্রেসঃ ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় সকাল ৬:৪০ মিনিটে; সিলেটে পৌঁছে দুপুর ১:৩৫ মিনিটে; সিলেট থেকে ছেড়ে যায় দুপুর ৩ টায়; ঢাকায় পৌঁছে রাত ১০:৩০ মিনিটে; বন্ধের দিনঃ মঙ্গলবার;
৩। উপবন এক্সপ্রেসঃ ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় রাত৯:৫০ মিনিটে; সিলেটে পৌঁছে ভোর ৫:৩০ মিনিটে; সিলেট থেকে ছেড়ে যায় রাত ১০ টায়; ঢাকায় পৌঁছে ভোর ৫:৩০ মিনিটে; সিলেটে বন্ধের দিন নেই তবে ঢাকায় বন্ধের দিনঃ বুধবার;
৪। জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসঃ ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় দুপুর ১২ টায়; সিলেটে পৌঁছে রাত ৭:৫০ মিনিটে; সিলেট থেকে ছেড়ে যায় সকাল ৮:২০ মিনিটে; ঢাকায় পৌঁছে বিকাল ৪ টায়; সিলেট ও ঢাকায় ট্রেনটির কোন বন্ধের দিন নেই;
শ্রেণীভেদে এই ট্রেনগুলোর ভাড়া ৭৫/- টাকা থেকে ১০১৮/- টাকা পর্যন্ত।