নিঝুম দ্বীপে সর্বপ্রথম মহিষ ও গবাদিপশু নিয়ে বসতি স্থাপনকারী সাহসী জনৈক ওসমানের নামে এই দ্বীপের নাম ছিল চর ওসমান। পরবর্তীতে সরকারের উচ্চপদে আসীন কর্মকর্তারা এই দ্বীপের নাম পরিবর্তন করেন। তবে, এখনও নথিপত্রে নিঝুম দ্বীপ চর ওসমান নামেই পরিচিত। পর্যটকদের বেড়ানোর জন্য (বিশেষ করে শীতকালে) এই দ্বীপটি একটি আদর্শ স্থান।
পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য নোয়াখালী দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত। অপূর্ব এই জেলাটির উত্তরে কুমিল্লা জেলা ও মেঘনা নদী, দক্ষিনে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী ও চট্রগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর জেলা অবস্থিত।
ঢাকা ও নোয়াখালীর মধ্যে সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি বাসে করে নোয়াখালীতে পৌছাতে পারবেন। ঢাকা ও নোয়াখালীর মধ্যে চলাচল করা কয়েকটি বাস সম্পর্কে তথ্য আপনার সুবিধার্থে নিম্নে প্রদান করা হলোঃ
১। একুশে পরিবহন
যোগাযোগঃ ০১৬৭৮০৪৭৩৮২
প্রস্থানের সময়ঃ
মিরপুর থেকে ভোর ৬টায়, জিগাতলা থেকে সকাল ৬:৩০ মিনিটে, সায়েদাবাদ থেকে সকাল ৭টা এবং ৭:৩০ মিনিটে;
ভাড়াঃ ২০০/-টাকা
২। বিলাস
যোগাযোগঃ ০১৭১২৬৯৩৮৩৬ (সায়েদাবাদ কাউণ্টার)
সকাল ৭:১৫ মিনিট থেকে রাত ৮:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ১৫ মিনিট পরপর বাস ছেড়ে যায়। ভাড়াঃ ২০০/- টাকা;
২। শাহী
যোগাযোগঃ ০১৯১৩৬২৮০৩৮
প্রস্থানের সময়ঃ
সায়েদাবাদঃ সকাল ৬:৪০ মিনিটে এবং সকাল ৭:৪০ মিনিটে
জিগাতলাঃ সকাল ৫:৪০ মিনিটে
আপনার সুবিধার্থে গাজীপুরে থাকার জন্য হোটেল এবং গেস্টহাউজ সম্পর্কে কিছু তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলোঃ
১। পুবালি হোটেল
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, (পৌরকল্যাণ হাই স্কুল), মাইজদিকোর্ট, নোয়াখালী
যোগাযোগঃ ০৩২১-৬১২৫৭
২। হোটেল আল মোরশেদ
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, (জামে মসজিদের মোড়), মাইজদি কোর্ট, নোয়াখালী
যোগাযোগঃ ০৩২১-৬২১৭৩
৩। হোটেল রাফসান
ঠিকানাঃ প্রধান সড়ক, মাইজদিকোর্ট, নোয়াখালী
যোগাযোগঃ ০৩২১-৬১৩৯৫
• নিঝুম দ্বীপের স্থানীয়দের কাছ থেকে শুটকি মাছ কিনতে পারেন।
নিঝুম দ্বীপে স্থানীয়দের জন্য কয়েকটি নিম্নমানের খাওয়ার হোটেল রয়েছে। আপনি চাইলে এসব হোটেলে দুপুর এবং রাতের খাবার খেতে পারেন। অন্যথায় আপনাকে নিজেই রান্না করতে হবে।
১। এমন কিছুই করবেন না যাতে করে আপনার কর্মকাণ্ডের কোন রকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিঝুম দ্বীপের পরিবেশ এবং এখানকার বাসিন্দাদের উপর পড়ে।
২। এখানকার নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ থাকায় সাঁতার কাটার পূর্বে ভালোভাবে নিজের সুরক্ষা সম্পর্কে ভাবনাচিন্তা করে নিন।
৩। স্থানীয়দের সাথে নম্র থাকার চেষ্টা করুন। তাঁদের অনবরত প্রশ্নের কারনে ধৈর্যহারা হবেন না কারন আপনি তাঁদের এলাকাতেই গিয়েছেন।
আপনার প্রশ্ন বা সমস্যার সহযোগিতা করায় আমরা সর্বদা তৎপর!